চাঁদপুর, শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলব উত্তরের আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মুল বেড়িবাঁধে মেঘনার আকস্মিক ভাঙ্গন শুরু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১২। আর তাহাদের ধৈর্যশীলতার পুরস্কারস্বরূপ তাহাদিগকে দিবেন উদ্যান ও রেশমী বস্ত্র।


১৩। সেথায় তাহারা সমাসীন হইবে সুসজ্জিত আসনে, তাহারা সেখানে অতিশয় গরম অথবা অতিশয় শীত রোধ করিবে না।


 


 


assets/data_files/web

নিজের হাত ও পায়ের ওপর যে ভরসা করে সে ঠকে না।


-জনগো।


 


 


 


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে চরমোনাই নমুনায় তিনদিনব্যাপী মাহফিল সম্পন্ন
ঈমানী চেতনায় সকল অন্যায়-অসত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে
------পীর সাহেব চরমোনাই
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের নমুনায় বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে তিনদিনব্যাপী ওয়াজ মাহফিল চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাখো মুসলি্লর উপস্থিতিতে গতকাল ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ফজর নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে পূর্ব শ্রীরামদী চাঁদপুর স্টার আলকায়েদ জুট মিল সংলগ্ন বালুর মাঠে এ মাহফিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, মাহফিলে মানুষের এ জমায়েত দুনিয়াবি কোনো স্বার্থোদ্ধারের জন্যে নয়, বরং আল্লাহর পরিচয় লাভ করে দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তি লাভের জন্য।



তিনি আরো বলেন, ইবাদত ও খেলাফতের মধ্যেই মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব নিহিত। দুনিয়ার ক্ষমতা ও রাজত্ব ক্ষণস্থায়ী। সুতরাং দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতা পেয়ে মহাবিশ্বের একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী মহান আল্লাহকে ভুলে যাওয়া যাবে না। যারা এমনটি করেন, তারা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই লাঞ্ছিত হবেন। মাওলার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করে কেউ টিকবে না। তার জন্যে জাহান্নামের ততকা থাকবে। ঈমানী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সকল অন্যায়-অসত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।



চরমোনাই পীর আরো বলেন, দেশের মানুষ যদি আল্লাহভীরু হয় তবে দেশের সর্বস্তরে চুরি, ডাকাতি, খুন, গুম, রাহাজানি, ছিনতাইসহ সকল ধরনের অন্যায়-অবিচার দূর হয়ে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ইসলামকে বিজয়ী করতে হলে মুসলিম নেতৃবৃন্দকে আন্তরিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।



বিশেষ অতিথির বয়ানে নায়েবে আমীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, নবীগণ এসেছেন মানুষকে ঈমানদার, খোদার হুকুম পালনকারী ইবাদাতগুজার বান্দা বানানোর জন্যে। নবী যেসব কাজ মানুষের কল্যাণের জন্যে করেছেন, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন খলিফা। এজন্যে নবীর ইন্তেকালের পর আল্লাহ তাঁর অনুগত বান্দাদের মধ্যে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি বলেন, খলিফা বানানো আল্লাহর কাজ আর মানুষের কাজ হচ্ছে তার জন্যে চেষ্টা, সহযোগিতা ও সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা। তিনি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ডারউইনের মতো ভ্রান্ত মতোবাদ বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ইসলামের সঠিক শিক্ষা দেয়ার আহ্বান জানান।



তিনি আরো বলেন, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থার নাম (ওংষধস রং ঃযব পড়সঢ়ষবঃব পড়ফব ড়ভ ষরভব)। তিনি রাসূল (সাঃ)-এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, "আজকের দিনে আমি দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নেয়ামতকে তোমাদের জন্যে সম্পূর্ণ করে দিলাম। আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।"



৯ ডিসেম্বর সোমবার বাদ যোহর চরমোনাই পীর সাহেবজাদা আলহাজ হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ ইসহাক মোঃ আবুল খায়েরের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বৃহৎ পরিসরের এ মাহফিল। প্রথম দিন থেকে মানুষের উপস্থিতি ছিলো অবাক করার মতো। সুবিশাল প্যান্ডেল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে তিল ধারনের ঠাঁই ছিলো না। চাঁদপুর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও দূর-দূরান্ত থেকে মুসলি্লরা মাহফিল মাঠে সমবেত হন। অনেকে আসেন কাফেলা সহকারে। সন্ধ্যার পর থেকে আস্তে আস্তে মাঠ পরিপূর্ণ হতে থাকে বয়ান শোনার জন্যে। দীর্ঘ তিন মাস পূর্ব থেকে এ মাহফিলের প্রস্তুতি নেয়া হয়। মাহফিলে আগত মুসলি্লদের সুবিধার্থে গ্রহণ করা হয় ব্যাপক উদ্যোগ। তৈরি করা হয় বেশ কিছু টয়লেট ও অজুখানা। এছাড়াও ছিলো স্বেচ্ছাসেবক ক্যাম্প, মিডিয়া সেল, নিরাপত্তা সেল, মেডিকেল ক্যাম্প ও হারানো ক্যাম্পসহ মেহমানখানা।



দেশের প্রখ্যাত উলামায়ে কেরামের মধ্যে এখানে বয়ান করেন উজানীর পীর সাহেব মাওলানা ফজলে এলাহী, মাওঃ মাহবুবে এলাহী, বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের মহাসচিব সাইখুল হাদিস মাওঃ আব্দুল কুদ্দুস, খুলনার পীর সাহেব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ ইউনুস আহমদ, মুফতি ওমর ফারুক সন্দ্বিপী, মাওঃ আনোয়ার শাহ, মুফতি আবু ইউসুফ আল মাদানী, ডক্টর মাওঃ মোশারফ আহমেদ, বাহাদুরপুরের পীরজাদা মাওঃ হানজালা, মাওঃ আবুল কালাম আজাদ, শায়খুল হাদিস আল্লামা মুকবুল হোসাইন (অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধান, ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ), ডাঃ আ.ফ.ম. খালিদ হোসাইন (খলিফা পীর সাহেব রহঃ), হযরত মাওলানা আবদুল আউয়াল, হযরত মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ (পীর সাহেব, শাশিয়ালী) প্রমুখ।



ইসলামী আন্দোলন ও মুজাহিদ কমিটি চাঁদপুর জেলা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় সকলের নিরলস স্বেচ্ছাশ্রমে মাহফিল আয়োজন করা হয় বলে জানান ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি ও মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব শেখ জয়নাল আবেদীন এবং আহ্বায়ক মাওঃ জুবায়ের আহমেদ।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩১২৮৭
পুরোন সংখ্যা