চাঁদপুর, রোববার ১১ আগস্ট ২০১৯, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ৯ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী !


৩১। আমি উহাদিগকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখ-িত শুষ্ক শাখা-প্রশাখার ন্যায়।


৩২। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?


 


একজন অল্প বয়স্ক মেয়ে স্ত্রী হিসেবে অথবা মা হিসেবে কোনোটাতেই ভালো নয়। -নজ এডামস।


 


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


 


 


ফটো গ্যালারি
জুলাই মাসে চাঁদপুর গ্রাম আদালতে ৪৪৭ মামলা দায়ের এবং ৪৪৬ নিষ্পত্তি
বিশেষ প্রতিনিধি
১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ, গণমাধ্যমের প্রচার-প্রচারণা এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের নানাবিধ কার্যক্রমের ফলস্বরূপ ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পাধীন চাঁদপুরের ৪৪ টি গ্রাম আদালতে এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তি হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিষ্পত্তিকৃত মামলার রায়ও সর্বোচ্চ সংখ্যক বাস্তবায়ন করা হয়েছে।



২০১৭ সালের জানুয়ারিতে চাঁদপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হলেও মামলা গ্রহণ শুরু হয় জুলাই ২০১৭ মাস হতে। এই হিসেবে মোট ২৫ মাসের মামলার পরিসংখ্যান আমাদের হাতে রয়েছে। ২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ৪,৭৪৬ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ তথ্য মতে প্রতি মাসে প্রতি ইউনিয়নে গড়ে ৪.৩ টি মামলা দায়ের হয়।



২০১৯ সালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মোট ৪৪৭ টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং নিষ্পত্তি হয়েছে ৪৪৬ টি মামলা। এ হিসেবে প্রতি ইউনিয়নে গড়ে মামলা দায়ের হয় ১০.১৬ টি, যা এ যাবৎ কালের মাসিক গড় মামলার প্রায় আড়াই গুণ বেশি। জুলাই মাসের দায়েরকৃত মামলার বিপরীতে যে সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে তাতে মামলা নিষ্পত্তির শতকরা হার দাঁড়ায় প্রায় ৯৯.৭৮ ভাগ।



গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধন ২০১৩) অনুযায়ী এ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার জন্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) গ্রাম আদালতে বিচারিক প্যানেল গঠন করা হয়। জুলাই মাসে এই বিচারিক প্যানেলে সদস্য হিসেবে মোট ২৩৯ জন অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ৩৪ জন নারীও ছিলেন। দিন দিন গ্রাম আদালতের বিচারিক-প্যানেলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এর ফলে এখানকার বিচারিক পরিবেশ নারী-বান্ধব হয়ে উঠছে। গ্রাম আদালতে নারী বিচার-প্রার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।



২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ১,৯০,২৩,০৪২ (এক কোটি নব্বই লক্ষ তেইশ হাজার বিয়ালি্লশ) টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় হয়েছে, যা আদালতের বিধান অনুযায়ী মামলার ক্ষতিগ্রস্তদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ হিসেবে প্রকল্পাধীন চাঁদপুরের ৪৪টি ইউনিয়নে প্রতি মাসে গড়ে আদায় হয়েছে ৭,৬০,৯২১ (সাত লক্ষ ষাট হাজার নয় শত একুশ) টাকা মাত্র। অথচ এই জুলাই ২০১৯ মাসেই আদায় হয়েছে মোট ২০,৯৮,১৫০ (বিশ লক্ষ আটানব্বই হাজার এক শ' পঞ্চাশ) টাকা, যা এ যাবৎ কালের মাসিক গড় আদায়ের প্রায় আড়াই গুণ বেশি।



উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপি-এর সহায়তায় ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ 'বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প' চাঁদপুর সহ দেশের মোট ২৭ জেলায় বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মূল ভিত্তি হলো : গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধন ২০১৩) এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬।



 



 



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৫৩৪২৫
পুরোন সংখ্যা