চাঁদপুর, রোববার ১১ আগস্ট ২০১৯, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ৯ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী !


৩১। আমি উহাদিগকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখ-িত শুষ্ক শাখা-প্রশাখার ন্যায়।


৩২। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?


 


একজন অল্প বয়স্ক মেয়ে স্ত্রী হিসেবে অথবা মা হিসেবে কোনোটাতেই ভালো নয়। -নজ এডামস।


 


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


 


 


ফটো গ্যালারি
স্বেচ্ছাশ্রমে সাহাপুর-ইছাপুরা সড়ক সংস্কার করলেন এলাকাবাসী
ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চলাচল স্বচ্ছন্দ হলো
প্রবীর চক্রবর্তী
১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


রাত পোহাইলে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। ইতিমধ্যেই ঘরে ফিরতে শুরু করেছে শহর থেকে গ্রামের মানুষ। অনেকেই ফিরেছেন, বাকিরা রয়েছেন পথে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে এক কিলোমিটার সড়কের দুরবস্থার জন্যে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার পুরো আনন্দটাই ফিকে হয়ে যাচ্ছিল অন্তত ৫ গ্রামের মানুষের। চারিদিকে পাকা সড়ক থাকলেও এই এক কিলোমিটার সড়ক কাঁচা ও কর্দমাক্ত হওয়ার কারণে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও তারা সময় লাগবে বলে অপেক্ষা করতে বলেছেন। কিন্তু ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নিজেরাই সড়কটি মেরামতে নেমে পড়লেন। ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইছাপুরা পর্যন্ত সড়কের চিত্র এটি।



স্থানীয় লোকজন জানায়, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইছাপুরা পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কটি ব্যবহার করছে সাহাপুর, ইছাপুরা, নদনা, বালিচাটিয়া, কবিরূপসাসহ ৫টি গ্রামের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশার কারণে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কটি দিয়ে হেঁটে চলাও দায় হয়ে পড়েছে। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ঈদকে সামনে রেখে এলাকাবাসী নিজেরাই মেরামতে নামে।



স্থানীয় সাংবাদিক রুহুল আমিন, রমজান আলী লিটন ও ইউপি সদস্য আকবর হোসেন বতুর নেতৃত্বে ও স্থানীয় লোকজনের অর্থায়নে এক কিলোমিটার সড়কে বালি ও ইটের সুড়কি ফেলে চলাচল উপযোগী করার কাজে হাত দেয়। শুক্রবার সারাদিন ও গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২০ জন লোক নিজেরা পরিশ্রম করে সড়কটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে।



স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে সিএনজি অটোরিকশা চালক মোঃ সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, রিকশাচালক মোঃ শাহজাহান চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, বিল্লাল পাটওয়ারী, হাছান, কাজল, সিফাত, সাদ্দাম হোসেন জানান, দীর্ঘদিন আমাদের সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় আমরা স্থানীয় এলাকাবাসী নিজেরাই অর্থ দিয়ে ও পরিশ্রম করে চলাচল উপযোগী করেছি। যাতে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষজন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৯৬৬০
পুরোন সংখ্যা