চাঁদপুর, শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর শহরে গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩২। উহারাই বিরত থাকে গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্য হইতে, ছোটখাট অপরাধ করিলেও। তোমার প্রতিপালকের ক্ষমা অপরিসীম ; আল্লাহ তোমাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত, যখন তিনি তোমাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছিলেন মৃত্তিকা হইতে এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে ভ্রূণরূপে ছিলে। অতএব তোমরা আত্ম-প্রশংসা করিও না, তিনিই সম্যক জানেন মুত্তাকী কে।


 


assets/data_files/web

মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের উপস্থিতিটাই হল বিবেক। -সুইডেন বোর্গ।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে মেঘনার পানি জোয়ারে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে
পুরাণবাজার দুধবাজার এলাকায় স্রোতের তীব্রতা ভয়ঙ্কর
মিজানুর রহমান
২০ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


উজান থেকে বয়ে আসা ঢলে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর পানি জোয়ারে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। গতকাল শুক্রবার সকালের জোয়ারে মেঘনার পানি বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৪.১৭ সে. মি.। যা বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু রায়হান।



তিনি বলেন, উজানের পানি এখন মধ্যাঞ্চলের দিকে গড়াচ্ছে। এ কারণে গত দুই-তিন দিন থেকে মেঘনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করছে। জোয়ারে বাড়লেও সেই পানি ভাটায় নেমে যাচ্ছে।



প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল শুক্রবার এবং আগের দিন বৃহস্পতিবার এ দুই দিন সকাল-সন্ধ্যার জোয়ারে নদীর পানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় শহরসহ জেলার নিম্নাঞ্চল ডুবে যায়। কিন্তু ভাটার সময় সেই পানি আবার নেমেও গেছে।



চাঁদপুরের মেঘনায় পানি বিপদসীমার খুবই কাছাকাছি অবস্থায় প্রবাহিত হচ্ছে বলে ১৮ জুলাই জেলা প্রশাসনের সাথে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়।



বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন এলাকাসহ চাঁদপুর জেলা প্রশাাসনের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেন পানি সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার।



ভিডিও কনফারেন্সে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জামাল হোসেন সচিবকে জানান, চাঁদপুরে মেঘনার পানি বিপদসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এর দুইদিন পরই বিপদসীমা অতিক্রম করে মেঘনার পানি।



এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে হাইমচরে নদীর পাড় ভাঙ্গছে। নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেড এবং পুরাণবাজার দুধপট্টি এলাকা দিয়ে মেঘনার প্রবল স্রোত বইছে। নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় চাঁদপুর-শরিয়তপুর ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান হরিণাঘাট ম্যানেজার পারভেজ খান।



স্রোতের তীব্রতায় সমুদ্র বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে আসা জাহাজগুলো চাঁদপুর তিন নদীর মিলনস্থল অতিক্রমকালে চালক চরম হিমশিম খাচ্ছে। ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে অনেক জাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে পাথর বোঝাই একটি কোস্টার জাহাজ ডুবেও যায়।



পুরাণবাজার মোলহেড এলাকায় শহর রক্ষাবাঁধের পাশে আশ্রয় নেয়া আফিল উদ্দিন জানান, আছর নামাজের পর থেকে এখানে তীব্র স্রোতের ভয়ঙ্কর রূপ তারা দেখতে পাচ্ছেন। নদীর পানি ফুলে ফেঁপে বাঁধের ওপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে।



এ ভয়ানক পরিস্থিতিতে চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধ হুমকির সম্মুখীন। বাঁধ টিকিয়ে রাখতে হলে এখানে বস্নক ও বালু বস্তা ফেলা খুবই অপরিহার্য বলে মনে করেন স্থানীয় পর্যবেক্ষক মহল।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭১১৬৩৯
পুরোন সংখ্যা