চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা সূরা তূর

৪৯ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৭। মুত্তাকীরা তো থাকিবে জান্নাতে ও আরাম-আয়েশে,

১৮। তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে যাহা দিবেন তাহারা তাহা উপভোগ করিবে এবং তাহাদের রব তাহাদিগকে রক্ষা করিবেন জাহান্নামের ‘আযাব হইতে’।


নতুন দিনই নতুন চাহিদা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর উদয় করে। -জন লিডগেট।


ক্ষমতায় মদমত্ত জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলা ও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
৭০ বছরের পুরানো খোলা টয়লেট
হরিণা বাজারের শত শত ব্যবসায়ীর দুর্ভোগে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত
বিশেষ প্রতিনিধি
২৫ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিণা বাজারে ৭০ বছরের পুরাতন খোলা টয়লেটের কারণে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ টয়লেটের কাঁচা ময়লার দুর্গন্ধে বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ১৩নং হানারচর ইউনিয়নের হরিণা বাজারে অবস্থিত এ খোলা টয়লেটের কাঁচা ময়লা দীর্ঘদিন যাবৎ পাশের পুকুর ও খালের পানিতে পড়ায় দুর্গন্ধে পরিবেশ ব্যাপকভাবে দূষণ হচ্ছে।



দীর্ঘ ৭০ বছর পূর্বে হরিণা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি খোলা টয়লেট নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে টয়লেটের পাশে একটি সেফটিক ট্যাংকি করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই বর্ষার পানির তোড়ে সেটি ভেঙ্গে যায়। এতে টয়লেটের ময়লা পানির সাথে মিশ্রিত হওয়ায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। গেল কয়েক বছর পূর্বে ওই পুরানো টয়লেটের পাশে আরেকটি নতুন টয়লেট তৈরি করে সদর উপজেলা পরিষদ। নতুন টয়লেট তৈরি করলেও পিছনে সেফটিক ট্যাংকি না করায় এখন পর্যন্ত টয়লেটটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যার ফলে বাধ্য হয়ে হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় শত শত মানুষ খোলা টয়লেটটি ব্যবহার করে যাচ্ছে। টয়লেটের দুর্গন্ধে আশেপাশের বাড়ির মানুষদের বসবাস কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কারণ দুর্গন্ধের কারণে শিশু-কিশোর ও মহিলারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। অনেকে এ দুর্গন্ধের কারণে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত হতে হয়েছে। এ দুর্ভোগ থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।



চাঁদপুরের কোথাও খোলা টয়লেট চোখে না পড়লেও হরিণা বাজারে আসলেই এটি চোখে পড়ে ও রাস্তা দিয়ে মানুষ যাওয়ার পথে নাকে কাপড় দিয়ে মুখ বন্ধ করে যেতে হয়। এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ চায় সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।



স্থানীয় সাবেক মেম্বার হাসান ছৈয়াল জানান, এই খোলা টয়লেটের ট্যাংকি না থাকায় মানববর্জ্য পানিতে মিশ্রিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অতি জরুরিভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দিয়ে এখানে একটি ময়লার ট্যাংকি তৈরি করলে এ দুর্ভোগ থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।



বাজার কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব জানান, পুরানো টয়লেটের পাশে সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একটি নতুন টয়লেট করেছেন। বরাদ্দ না থাকার কারণে টয়লেটের ট্যাংকি করা হয়নি। এ কারণেই ময়লা পানিতে পড়ে এলাকার পরিবেশ দূষিত করছে ও রোগবালাই ছড়াচ্ছে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৭৩০৫
পুরোন সংখ্যা