চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬, ১৬ শাবান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলবের জিয়াউর রহমান সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৯-সূরা হুজুরাত


১৮ আয়াত, ২ রুকু, 'মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪। যাহারা ঘরের বাহির হইতে তোমাকে উচ্চস্বরে ডাকে, তাহাদের অধিকাংশই নির্বোধ,


৫। তুমি বাহির হইয়া উহাদের নিকট আসা পর্যন্ত যদি উহারা ধৈর্য ধারণ করিত, তাহাই উহাদের জন্য উত্তম হইত। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


 


 


কোনো বড় কাজই উৎসাহ ছাড়া লাভ হয়নি। -ইমারসন।


 


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়-পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে লিজ ও বন্দোবস্ত বাতিলের আবেদন
শাহরাস্তি ব্যুরো
২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শাহরাস্তি উপজেলার ধামরা গ্রামে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে লিজ ও বন্দোবস্ত বাতিলের জন্যে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আবেদনকারী মোঃ আজিজুল হক বাবুল জানান, তার পিতা মোঃ আব্দুল হক বিগত ১৯৭৭ সালে ধামরা গ্রামের শ্রী শশাংক মোহন মজুমদারের নিকট হতে ৪০৪ নং ভবানীপুর মৌজার ৩০নং সামিনকৃত খতিয়ানের ৩৯৯ নং ধামরা মৌজার ২১নং খতিয়ানভুক্ত ১৫৬দাগের বসতবাড়ি মোঃ ২.৮৪ শতক ভূমি ক্রয় করেন। উক্ত সম্পত্তি শশাংক মজুমদার পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক। বাবুল জানান, উক্ত সম্পত্তি তার বাবা ক্রয় করার পর রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে শশাংক ভারত চলে যান। এরপর শশাংক মোহনকে ১নং বিবাদী শ্রেণীভুক্ত করে একটি দেওয়ানী স্বত্ব মোকাদ্দমা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত মোকদ্দমার বিচারের জন্য বিজ্ঞ শাহরাস্তি সহকারী জজ আদালতে দেঃ স্বত্ব ০৭/৮৪নং যুক্তে স্থাপিত হয়। বাদী আব্দুল হকের পক্ষে বিগত ৪ আগস্ট ১৯৮৬ তারিখের রায় ও বিগত ১১ আগস্ট ১৯৮৬ তারিখে ডিক্রী হয়। উক্ত রায় ও ডিক্রী মর্মে ১নং বিবাদী দেঃ ডিং ২/০৯ নং মোকদ্দমা রুজু করেন। বিধান মতে বিজ্ঞ শাহরাস্তি সহকারী জজ হতে শশাংক মোহন মজুমদারের পক্ষে আদালত বিগত ২ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ তারিখে দালান ও ভূমি সম্পর্কে ৪৬২২নং কবলা দলিল আব্দুল হককে রেজিস্ট্রি করে দেয়।

বাবুল জানান, উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হলেও উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।

কিন্তু উক্ত ভূমিতে ১৯৭নং লিজ কেস ১৯৭৩-১৯৭৪ ও ৩৮ নং লিজ কেস ১৯৭৫-১৯৭৬ লিজ মূলে আব্দুল মান্নান, আব্দুল জব্বার, ও জিন্নাত আলী গং দাবি করে। আব্দুল হক মৃত্যুবরণ করার পর তার ছেলে মোঃ আজিজুল হক বাবুল উক্ত সম্পত্তি রক্ষায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আদালতের রায় পর্যালোচনা করে উক্ত ভূমির লিজ কর্তন করার জন্যে জেলা প্রশাসকের কাজে আবেদন করেছে আজিজুল হক বাবুল। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মাঝে মাঝে দখল পাল্টা দখলের মতো ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন আজিজুল হক বাবুল।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৫৫১৩
পুরোন সংখ্যা