চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৭-সূরা মুহাম্মাদ


৩৮ আয়াত, ৪ রুকু, 'মাদানী'


০২। যাহারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহাতে বিশ্বাস করে, আর উহাই তাহাদের প্রতিপালক হইতে প্রেরিত সত্য, তিনি তাহাদের মন্দ কর্মগুলি বিদূরিত করিবেন এবং তাহাদের অবস্থা ভাল করিবেন।


 


 


 


assets/data_files/web

প্রশংসা হচ্ছে আদর্শের ছায়া।

  -এম. এফ. টুপা।


যে পরনিন্দা গ্রহণ করে সে নিন্দুকের অন্যতম।  



 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তির বলশিদ হাজী আকুব আলী উচ্চ বিদ্যালয়
এসএসসির ফরম পূরণে অনিয়ম নেয়া হচ্ছে মুচলেকাও
মঈনুল ইসলাম কাজল
১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শাহরাস্তি উপজেলার বলশিদ হাজী আকুব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে পূরণ করা হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার ফরম। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষা বোর্ডের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দেবনাথ নিজ ক্ষমতায় এসব অর্থ আদায় করছেন এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।



জানা যায়, এ বছর ওই বিদ্যালয়ের নির্বাচনী পরীক্ষায় নিয়মিত ৮১ জন ও অনিয়মিত ১৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের যোগ্যতা অর্জন করে। শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ১ হাজার টাকা বিদ্যালয় উন্নয়ন ফি, ১ হাজার ২শ' টাকা গ্রুপ স্টাডি ফি, বকেয়া বেতন, অন্যান্য ফিসহ নির্ধারিত বোর্ড ফি সংযুক্ত করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৪-৫ হাজার টাকা পরিশোধে বাধ্য করছেন প্রধান শিক্ষক।



এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়ে গত ৮ নভেম্বর একটি নোটিস জারি করা হয়। যার নং ৯। এছাড়া বোর্ড নির্ধারিত ফি'র বাহিরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ে অপরাগ শিক্ষার্থীদের কাছ হতে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমুদয় বকেয়া পরিশোধের অঙ্গীকার সম্বলিত মুচলেকা গ্রহণ করা হচ্ছে। যাতে শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকের যৌথ স্বাক্ষর নেয়া হচ্ছে। এজন্য প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দেবনাথ নিজেই ছাপানো অঙ্গীকারনামা শিক্ষার্থীদের মাঝে সরবরাহ করছেন। যাতে সহকারী প্রধান শিক্ষককে মাধ্যম করে তার বরাবর বিদ্যালয়ের বকেয়া টাকা পরিশোধের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বেঁধে দেয়া হয়েছে। ফরম পূরণকে সামনে রেখে প্রত্যেক অভিভাবক তাদের সন্তানের শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাধ্যমত নগদ পরিশোধ করে বাকি টাকা অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে বকেয়া রাখছেন।



নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বোর্ড নিধারিত ফি, উন্নয়ন ফি ও গ্রুপ স্টাডি ফি একসাথে না দিলে ফরম পূরণ করা হচ্ছে না। যারা প্রতিটি ফি'র টাকা দিচ্ছে তাদের আলাদাভাবে রিসিট দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবক আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নয়। এভাবে অঙ্গীকারনামার নামে গলায় দড়ি লাগিয়ে টাকা আদায় কতটুকু যৌক্তিক সেটি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনই ভালো বলতে পারেন।



নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক কিভাবে কী করছেন সেটি তিনিই ভালো জানেন। আমরা ভালো বললেও দোষারোপ হই। তার ও বিদ্যালয়ের ভালোমন্দ দেখার জন্য পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।



এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দেবনাথ জানান, কারো কাছ হতে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে না। বিদ্যালয়ের বকেয়া বেতন, উন্নয়ন ফি ও গ্রুপ স্টাডি ফি পরবর্তীতে আদায় করা সম্ভব নয় বলে ফরম পূরণের সময় এক সাথে নেয়া হচ্ছে। ফরম পূরণের জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফি'র বাহিরে কোনো অর্থ নেয়া হচ্ছে না। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সাথে আলাপ করে বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়নি। এটিই আমার ভুল হতে পারে।



বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিব উল্যাহ মারুফ জানান, কোনো অবস্থাতেই অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার সুযোগ নেই। মুচলেকা বা ছাপানো অঙ্গীকারনামা সংক্রান্ত বিষয়ে আমি অবগত নই। এমনটি হলে আদায়কৃত অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দিতে হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৬৪২৪
পুরোন সংখ্যা