চাঁদপুর। বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৮ ভাদ্র ১৪২৫। ১ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর জেলা ন্যাপের সভাপতি, চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আবুল কালাম পাটওয়ারী ঢাকাস্থ ল্যাব এইড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ..... রাজেউন)। মরহুমের নামাজের জানাজা বাদ জোহর পৌর ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২১। জাহান্নামীরা তাদের ত্বককে জিজ্ঞেস করবে : তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছ কেন? উত্তরে তাা বলবে : আল্লাহ, যিনি সবকিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন তিনি আমাদেরকেও বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন প্রথমবার এবং তাঁরই নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

২২। তোমরা কিছু গোপন করতে না এই বিশ^াসে যে, তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না- উপরন্তু তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা করতে তার অনেক কিছুই আল্লাহ জানেন না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


মহৎ আত্মাগুলি নীরবতায় ভোগে বেশি।                    

-বেন জনসন।


রাসূলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন, নামাজ আমার নয়নের মনি।



 


ফটো গ্যালারি
বাঁচতে চায় শিশু হোসেন মিজি
মানবিক সহায়তা প্রয়োজন
প্রবীর চক্রবর্তী
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


দশ বছরের শিশু হোসেন মিজি এক সময়ে বেশ প্রাণোচ্ছল এবং হাসিখুশি ছিল। বিদ্যালয়েও যেতো। পড়েছে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত। কিন্তু হোসেন মিজির দেহের বেশ কয়েকটি স্থানে টিউমারের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ফলে গত দুই বছর ধরে তার পড়াশোনা বন্ধ। দরিদ্র বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন মিজি সবকিছু বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা ব্যয় মিটিয়েছেন। কিছুটা সুস্থ হলেও এখন ছেলে হোসেন মিজির দেহে প্রতিমাসে দুইবার কেমোথেরাপি দিতে হচ্ছে। এজন্যে আর্থিক সঙ্গতি নেই অটোরিঙ্া চালক জাহাঙ্গীর হোসেন মিজির। ফলে শিশুটির জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।



শিশু হোসেন মিজির চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মাফরুহা আক্তার জানান, আগামী দেড়বছর পর্যন্ত কেমোথেরাপি দিতে হবে শিশুটিকে। তারপর পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।



শিশু হোসেন মিজির বাবা ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন মিজি জানান, ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন নিঃস্ব তিনি। ভাড়ায় অটোরিঙ্া চালিয়ে এখন সংসার চালাতেই কষ্ট হচ্ছে তাঁর। তাই সন্তানের জীবন রক্ষায় সমাজের বিত্তবান এবং সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।



এজন্যে শিশুটির মা হোসনে আরা রূপার ব্যক্তিগত বিকাশ (০১৭১৯৮৬৭৭৮৮) নম্বরে যে কেউ আর্থিক সাহায্য পাঠাতে পারেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫৮৫২৯
পুরোন সংখ্যা