চাঁদপুর। বুধবার ২০ জুন ২০১৮। ৬ আষাঢ় ১৪২৫। ৫ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস









৩৮-সূরা ছোয়াদ

৮৮ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৭৭। আল্লাহ বললেন : বের হয়ে যা, এখান থেকে। কারণ, তুই অভিশপ্ত।

৭৮। তোর প্রতি আমার এ অভিশাপ বিচার দিবস পর্যন্ত স্থায়ী হবে।

৭৯। সে বলল : হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।

৮০। আল্লাহ বললেন : তোকে অবকাশ দেয়া হল।

৮১। সে সময়ের দিন পর্যন্ত যা জানা।

৮২। সে বলল, আপনার ইজ্জতের কসম, আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে বিপথগামী করে দেব।

৮৩। তবে তাদের মধ্যে যারা আপনার খাঁটি বান্দা, তাদেরকে ছাড়া।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


চেষ্টা করলেই ইচ্ছানুযায়ী আনন্দ মানুষ উপভোগ করতে পারে।                      


-লিংকন।


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, তিনিই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।

 


ফটো গ্যালারি
আনন্দবাজার এলাকায় মেঘনার ভাঙ্গন
ডাঃ দীপু মনি এমপি প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রাখছেন : ইউপি চেয়ারম্যান
মুহাম্মদ আবদুর রহমান গাজী
২০ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ঈদুল ফিতরের দিন ভোর বেলা থেকে এ ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গণে ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে ১২টি বসতঘর। সে এলাকার পাঁচ বর্গকিলোমিটার নিয়ে এ ভাঙ্গন চলছে। তবে নদীর উন্মত্ততা কিছুটা কমে যাওয়ায় আপাতত ভাঙ্গছে না।



গত ১৬ জুন শনিবার ঈদুল ফিতরের দিন ভোরে মানুষের ঘুম না ভাঙতেই আনন্দবাজারের কিছু অংশ মেঘনায় বিলীন হয়ে যাওয়ার খবর শুনতে পায়। নদীতে গোসল করতে গিয়ে মানুষ ভাঙ্গনের এ দৃশ্য দেখতে পায়। মেঘনার এ আগ্রাসনে ঈদুল ফিতরের আনন্দ মস্নান হয়ে যায় আনন্দবাজার এলাকাবাসীর।



এ খবর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান, আওয়ামী লীগ নেতা সুজিত রায় নন্দী, তরপুরচন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে যান। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ হাজার জিও ব্যাগ প্রদান করে। শনিবার ভোরে হঠাৎ ঝড় এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে মেঘনা উত্তাল হলে আকস্মিক এ ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গনে যে সকল পরিবার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা হলেন মুসলিম বেপারী (৬৫), রসূল বেপারী (৫৫), রোসা জমাদ্দার (৭০) ও আজিজুল হক হাওলাদার।



এলাকাবাসী জানায়, দ্রুত ভাঙ্গনরোধ করতে না পারলে অচিরেই নদীগর্ভে আনন্দবাজার এবং ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডসহ আব্দুল আউয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক, আশ্রাফিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দারুচ্ছুন্নাত মোহেব্বীয়া দীনিয়া মাদ্রাসা, আনন্দবাজার জামে মসজিদ ও জনতা জামে মসজিদ, দোকান, বসতভিটা বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-ছাত্র, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনরোধে কয়েক দফা বাঁশ, কাঠ, টিন দিয়ে কাজ হলেও এ সাধারণ বাঁধ নদীর স্বাভাবিক ঢেউয়ে ভেঙ্গে একাকার হয়ে যায়। এখানে প্রয়োজন সিসি বস্নক দিয়ে বাঁধ দেয়া। সিসি বস্নক দিয়ে বাঁধ দেয়া না হলে জেলে পরিবার ও অসহায় মানুষগুলোকে বসতভিটা হারিয়ে মানববতের জীবনযাপন করতে হবে।



ভাঙ্গন বিষয়ে তরপুরচ-ী ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী বলেন, আমার ইউনিয়নের ৬, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকা। এসব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসতি। হঠাৎ যে ভাঙ্গন দেখা দিলো, এ ভাঙ্গন রোধ করতে চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব ডাঃ দীপু মনির সাথে কথা হয়েছে। তিনি ব্যাপারটি গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং তিনি আমার সাথে মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত আনন্দবাজারে ভাঙ্গনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। ২/১ দিনের মধ্যে তিনি চাঁদপুর এসে ঘটনাস্থলে যাবেন। এছাড়া তাৎক্ষণিক ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নিতে তিনি পাউবোকে নির্দেশ দিয়েছেন।



চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু রায়হান জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয় মোবাইল ফোনে আমাদের কাছে তাৎক্ষণিক জিও ব্যাগ চেয়েছেন। আমরা সদর ইউএনও কানিজ ফাতেমার বরাবর ১ হাজার জিও ব্যাগ প্রদান করেছি। আর এ কাজ ঠিকাদারিতে হবে না। এটা দৈনিক রোজ হিসেবে হবে। তারপরও এ কাজ সম্পন্ন করতে যে কোনো ধরনের সাপোর্ট প্রয়োজন হলে সেটা আমরা দেবো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৮৫৪২
পুরোন সংখ্যা