চাঁদপুর। সোমবার ২৮ মে ২০১৮। ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ১১ রমজান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৮-সূরা ছোয়াদ

৮৮ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৬। তারা বলে, হে আমাদের পরওয়ারদেগার, আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও।

১৭। তারা যা বলে তাতে আপনি সবর করুন এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাউদকে স্মরণ করুন। সে ছিল আমার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।

১৮। আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত;   

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ঈশ্বরের পরবর্তী স্থানই হল পিতামাতার   

 -উইলিয়াম পেন।


নারী পুরুষের যমজ অর্ধাঙ্গিনী 


ফটো গ্যালারি
আজিজিয়া হোটেলে বিক্রি হচ্ছে বাহারী ইফতার
সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে কাটলেট ও জালি কাবাব
সোহাঈদ খান জিয়া
২৮ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পবিত্র মাহে রমজানে হোটেলে হোটেলে বিক্রি হচ্ছে বাহারী ইফতার। প্রতিদিন বিকেল থেকে ইফতারের পূর্ব পর্যন্ত ক্রেতারা কিনছেন তাদের পছন্দের ইফতার সামগ্রী। ফলে জমে উঠেছে ইফতারীর বাজার। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাঁদপুরের হোটেলগুলোতে চলছে বাহারী ইফতারী তৈরির প্রতিযোগিতা। কোন্ হোটেল কী কী ব্যতিক্রমী ইফতার তৈরি হচ্ছে সে হিসেব করে ক্রেতারা ঝুঁকছেন পছন্দের হোটেলগুলোতে। চাঁদপুর শহরের অন্যসব হোটেলের মতো আজিজিয়া হোটেলেও বিক্রি হচ্ছে বাহারী স্বাদের ইফতার। চাঁদপুর শহরের স্ট্র্যান্ড রোডস্থ এ হোটেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ৩টা থেকে হোটেলের সামনে ইফতার সামগ্রী সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বিক্রি হচ্ছে চনাবুট, পেয়াজু, আলুর চপ, বেগুনী, ডিম চপ, সবজি চপ, ভেজিটেবল রোল, ভেজিটেবল টোস্ট, খাসির চপ, বুরিন্দা, মডার্ন চপ ইত্যাদি। বিশেষ ইফতারী হিসেবে বিক্রি হচ্ছে : কাবাব, শরবত, মুরগী চপ, হালিম, বোরহানি, জিলাপী, ভুনা খিচুড়ি, সামী কাবাব, মামা হালিম, নানরুটি, চিকেন ফ্রাই, ঝালফ্রাই, টিক্কা কাবাব, কাটলেট ও ঝালি কাবাব।



বিকেল ৫টায় কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে। সিংহপাড়া থেকে ইফতারী কিনতে এসেছেন বোরহান খান। তিনি বলেন, এখানে অনেক ধরনের ইফতার সামগ্রী পাওয়া যায় বলে কিনতে এসেছি।



বকুলতলা রোডের বাসিন্দা ইমরান হোসেন বলেন, এখান থেকে প্রায়ই ইফতারী কিনি। তবে বিশেষ ইফতারীর দাম যদি একটু কম হতো তাহলে খুশি হতাম।



আরেক ক্রেতা শরীফ মিয়াজী বলেন, হোটেলটির দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সে বিশ্বাস থেকে প্রতি রমজানে এখানে ইফতার কিনতে আসি। স্বাস্থ্যসম্মত ইফতারী তৈরি করে আজিজিয়া কর্তৃপক্ষ আমাদের আস্থার জায়গাটুকু অটুট রাখবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



আজিজিয়ার ইফতারী বিক্রি করেন আঃ রহিম। তিনি বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতি বছর এখানে নানা রকম ইফতার সামগ্রী বিক্রি হয়। আমদের তৈরিকৃত ইফতার সামগ্রীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় কাটলেট ও জালি কাবাব।



কথা হয় হোটেল আজিজিয়ার পরিচালক সাইফুল আজমের সাথে। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে সুনাম ও আন্তরিকতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। সবসময়ই ক্রেতাদের কাছে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও ইফতারী বিক্রি করে আসছি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষজন এখানে ইফতার কিনতে আসে।



তিনি বলেন, দৈনিক ১৮ পদের ইফতারি তৈরি করছি। প্রতিদিন ৮-১০ হাজার টাকার ইফতারি বিক্রি হচ্ছে। আমরা স্বল্প লাভে ইফতারী বিক্রি করছি। সামনে ইফতারীর আইটেমে কয়লায় পোড়া বার-বি-কিউ যুক্ত করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৫৪১৪
পুরোন সংখ্যা