চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০১৯, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৪ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৬। উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

১৭। তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

১৮। রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,



 


assets/data_files/web

প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেমী আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


ফটো গ্যালারি
বাণী
৩০ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রতি বছর পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে জুমাতুল বিদার যে সুবিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়, তা চাঁদপুর জেলার গৌরব ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। মসজিদে প্রথম জুমার নামাজ পড়ানো হয় যে ব্যাপক আনুষ্ঠানিকতা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আড়ম্বরের সাথে, অনেকটা তারই বরকতে প্রতি সপ্তাহের জুমার নামাজের জামাতই যেনো হয়ে গেছে হাজার হাজার মুসলমানের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশ। আর কালক্রমে জুমাতুল বিদার জামাত হয়ে গেছে শুধু দেশের নয়, পুরো উপমহাদেশের বৃহত্তম অর্থাৎ সর্ববৃহৎ সমাবেশ। বস্তুত ক্ষণজন্মা মানবহিতৈষী ব্যক্তিত্ব আমার পরম শ্রদ্ধেয় দাদা মরহুম আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহঃ) মিনার থেকে মেহরাব পর্যন্ত আটাশ হাজার বর্গফুটের বিশাল এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠায় জীবনের সব সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে ত্যাগের যে পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন, মহান আল্লাহ সেটি কবুল করেছেন বলে মসজিদটির এতো বড় সাফল্য ও পরিচিতি অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে সকলের বিশ্বাস। দাদাজানের ইন্তেকালের পর আমার বাবা মরহুম মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী (রহঃ) মসজিদের মোতাওয়াল্লীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। তাঁর ইন্তেকালের পর এ বিশাল দায়িত্ব আমার ওপর অর্পিত হয়। আমি আমার ক্ষুদ্র মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে আল্লাহর ঘরের খেদমত করে যাচ্ছি। জানি না কতোটুকু সফল হয়েছি। তবে দাদাজান ও বাবার দোয়ায় আল্লাহ পাক মসজিদের এতোটা প্রচার, প্রসার ও অবয়ব দান করেছেন যে, প্রতি বছর রমজান আসলে প্রতি জুমায়, বিশেষ করে জুমাতুল বিদায় শুধু মসজিদই নয়, মসজিদের তিনদিকে পুরো বাজার এলাকা লাখো মানুষের সুবিশাল জামাতে পরিণত হয়।



জুমাতুল বিদার এই জামাত সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে আশ্চর্য এক ধর্মীয় দর্শনীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এজন্যে গর্বের এ বিষয়টিকে ব্যাপক জানান দেয়া, ইতিহাসের পাতায় যথাযথ সংরক্ষণের প্রয়োজনে আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহঃ) ফাউন্ডেশন এই প্রথম সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। আমি এজন্যে উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানাই এবং মহান আল্লাহর নিকট শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি।



 



ড. মোঃ আলমগীর কবির পাটওয়ারী



মোতাওয়াল্লী,



আহমাদ আলী পাটওয়ারী ওয়াক্ফ এস্টেট, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৬০৯৮৭
পুরোন সংখ্যা