চাঁদপুর, বুধবার ৩ মার্চ ২০২১, ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭, ১৮ রজব ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
দেশবাসীকে তাক লাগিয়ে দিলেন
এবার মুজিববর্ষের সেরা করদাতার স্বীকৃতি পেলেন হাজী মোঃ কাউছ মিয়া
স্টাফ রিপোর্টার
০৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও চাঁদপুরের কৃতী সন্তান দানবীর হাজী মোঃ কাউছ মিয়া এবার মুজিববর্ষের সেরা করদাতার স্বীকৃতি পেয়ে দেশবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। দেশে কত বড় বড় বিত্তশালী, প্রভাবশালী, হাইপ্রোফাইল করপোরেট ব্যবসায়ী রয়েছেন, তাদের ভিড় ঠেলে পুরাণ ঢাকার হাকিমপুরী জর্দার ব্যবসায়ী হাজী মোঃ কাউছ মিয়াকে মুজিববর্ষের সেরা করদাতা নির্বাচিত করেছে সরকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে সেরা করদাতার বিরল সম্মাননা দিচ্ছে। ১ মার্চ সোমবার এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে।



কাউছ মিয়া দেশের অন্যতম বড় ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক মানের হাকিমপুরী জর্দার স্বত্বাধিকারী। তাঁর আরও অনেক ব্যবসা রয়েছে। ৫ মার্চ কাউছ মিয়াকে মুজিববর্ষের এই বিরল সম্মাননা দেবে এনবিআর।



ক'দিন আগেও ২০১৯-২০২০ অর্থবছর ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে দেশসেরা করদাতার ১ নাম্বার মনোনীত হয়ে ট্যাঙ্কার্ড ও সম্মাননা পেয়েছিলেন। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ জাতীয় রাজস্ব ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ট্যাঙ্কার্ড প্রদান ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ওই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সেই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। স্বাধীনতার আগে এবং পরে এ নিয়ে তিনি ১৮ বার সিআইপি মর্যাদার দেশসেরা করদাতার রাষ্ট্রীয় পুরস্কার অর্জনের রেকর্ড গড়েন। এবার তার সাথে যুক্ত হলো মুজিববর্ষের সেরা করদাতার স্বীকৃতি।



গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেম্বার নেই হাজী মোঃ কাউছ মিয়ার। পুরাণ ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ি রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তাঁর 'চেম্বার'। মৌলভীবাজার থেকে সরু এই গলিপথ ধরে কিছুটা পথ হাঁটলেই তাঁর কারখানা। সেখানেই বসেন তিনি। গুলশান-বনানী, মতিঝিলের ডাকসাইটে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরাণ ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ীই প্রতি বছর সর্বোচ্চ করদাতা হন। প্রতিবারই শীর্ষ করদাতাদের তালিকায় তাঁর নাম থাকছে সবার উপরে। অবশ্য অন্য শ্রেণির ব্যবসায়ীগণ প্রতিবছর সর্বোচ্চ যে পরিমাণ টাকার কর দেন, কাউছ মিয়ার ধারে কাছেও নেই তারা।



কাউছ মিয়া ৬১ বছর ধরে কর দিয়ে আসছেন। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দেন তিনি। কেনো কর দেয়া শুরু করলেন, এর ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছেন। ২০১৯ সালে এনবিআরের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, 'আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম। এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকতো। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে 'ফ্রি' হয়ে গেলাম। এরপর সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।'



১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া। তাঁর বাবা চাইতেন না তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যে নামেন। বাবার ইচ্ছা ছিলো ছেলে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে। অথচ ব্যবসায় মন পড়ে থাকা কাউছ মিয়া ১৯৪৫ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের দামামায় আর পড়াশোনা এগোয়নি। পুরাণবাজার মধু বাবুর স্কুলে পড়েছেন তিনি। ওই স্কুলের পাশেই তাঁর নানা জমিদার মৌলভী আব্দুস সালাম সাহেবের বাড়ি। কাউছ মিয়া তাঁর বাবার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১৯৫০ সালে চাঁদপুরের পুরাণবাজারে স্টেশনারী দোকান দেন। ওই সময় দেশের প্রসিদ্ধ এই বাণিজ্যিক এলাকায় তৎকালীন তার ৬টি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো। এরপর ধীরে ধীরে ১৮টি ব্র্যান্ডের সিগারেট, বিস্কুট ও সাবানের এজেন্ট হন তিনি। পরের ২০ বছর তিনি চাঁদপুরেই ব্যবসা করেন। ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন এবং তামাকের ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত (তৎকালীনসহ বিভিন্ন সময়ে) তিনি।



কাউছ মিয়ার মূল ব্যবসা তামাক বেচা-কেনা। রংপুরে তামাক কিনে সেখানেই বিক্রি করেন। একবার তিনি আমদানির ব্যবসায় নামতে লাইসেন্স নিয়েছিলেন। এ ব্যবসায় কারসাজি না করলে টিকে থাকা মুশকিল, এটা চিন্তা করে আমদানির ব্যবসা করেন নাই। নদীপথে পণ্য পরিবহনের জন্যে বেশ কিছু কার্গো জাহাজ রয়েছে কাউছ মিয়ার। জাহাজগুলো ছেলেদের নামে দিয়ে দিয়েছেন তারাই এই ব্যবসা দেখাশোনা করছেন।



১৯৩১ সালের ২৬ আগস্ট কাউছ মিয়া চাঁদপুর জেলার সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। হাজী মোঃ কাউছ মিয়া বড় বাবার হাজী মুসলিম মিয়া। হাজী মোঃ কাউছ মিয়ার দাদার নাম হাজী মোঃ সবদ আলী মিয়া (সবদ হাজী)। পিতার নাম হাজী মোঃ আব্বাস আলী মিয়া ও মাতা জমিদার কন্যা মোসাম্মৎ ফাতেমা খাতুন। তারা কেউ বেঁচে নেই। তাদের বাড়ির বেশ নামডাক ছিলো। এক নামেই হাজী বাড়ি হিসেবে চিনত তাদের বাড়ি। তাঁর দাদার ৬ ভাই ছিলেন। তাঁরা সকলে পায়ে হেঁটে পবিত্র হজ্বব্রত পালন করেছেন। তখন হজ্বে যেকে সময় লাগতো ৬ মাস, এখন সময় লাগছে ৬ ঘণ্টা।



কাউছ মিয়ার বড়বাবা অর্থাৎ নানার পিতা আজগর দেওয়ান ওরফে হাজী রিয়াজ উদ্দিন দেওয়ান। তিনি ছিলেন সতেরশ' সালের ত্রিপুরার প্রতাপশালী জমিদার। আজগর দেওয়ানের ছিলো ৭ ছেলে ও ১ মেয়ে। উত্তরাধিকার হিসেবে ছেলেমেয়ে আটজনই জমিদার ছিলেন।



আজগর দেওয়ানের কনিষ্ঠ পুত্র জমিদার মৌলভী আব্দুস সালামসহ ৭ জনই ছিলেন কাউছ মিয়ার নানা। ১৮৬৫ সালে তিনি আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টাইটেল পাস করেন।



কাউছ মিয়ার বর্তমান বয়স ৯০ বছর। এখনও তিনি প্রতিদিন ১০/১২ ঘণ্টা ব্যবসা পরিচালনা করেন। ব্যবসায়িক জীবনে কখনো ব্যাংক থেকে লোন নেননি। তাঁর দাদারাও ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি। এমনিক পূর্ব পুরুষদের কেউ রাজনীতি করেন নাই। এজ্যেন কাউছ মিয়া এবং তাঁর ছেলেরাও কোন রাজনীতি করেন না। সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সবসময় নিজেকে সমাজ ও মানবসেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাকামী বহু মানুষকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর এক চাচাতো ভাই মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জে শহীদ হন। একজন দানবীর হিসেবে তাঁর রয়েছে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সুনাম এবং পরিচিতি। দেশবাসী তাঁকে একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবক ও দানবীর হিসেবেই চিনেন। তিনি তাঁর মরহুম পিতা-মাতার নামে উত্তর তারাবুনিয়া আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় এবং চাঁদপুর শহরের স্ট্র্যান্ড রোডে (কবি নজরুল সড়কে) মায়ের নামে ফাতেমা খাতুন মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও তিনি চাঁদপুর গুয়াখোলা আবাসিক এলাকায় মদিনা জামে মসজিদ এবং স্ট্র্যান্ড রোডে (বর্তমান কবি নজরুল সড়কে) আল-আমিন স্কুলের পাশে বোগদাদীয়া জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। এ দুটি মসজিদের মোতওয়ালি্লর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। রাজধানী ঢাকার বিপুল পরিমাণের ধন-সম্পত্তি, বাড়ি-ঘর ছাড়াও চাঁদপুর শহরে রয়েছে তিনটি বাড়ি ও সম্পত্তি। রাজরাজেশ্বরের বিভিন্ন মৌজায় আছে তাঁর প্রায় সাড়ে তিনশ' একর কৃষি জমি। তিনি যেই জমির মালিক সেই জমিগুলো বর্গা হিসেবে দিয়ে দেন। বর্গা চাষের যে অর্ধেকটা ফসল পেতেন সেটা তিনি নিতেন না। গরিব কৃষককে দিয়ে দিতে বলেছেন। বর্তমানে তিনি কৃষি জমিগুলো বর্গা না দিয়ে নিজেই সেখানে কৃষিপণ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন। ফসল আবাদ করা ছাড়াও তিনি সেখানে গরুর খামার ও মাছের চাষ করবেন।



চাঁদপুর শহরের মুখার্জিঘাটে পুরানো বাড়ি স্মৃতি হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এছাড়াও গুয়াখোলা ও জামতলায় দুটি বাড়ির বড় আকারে জায়গা রয়েছে। চাঁদপুরের এইসব সম্পত্তি তার ইনকামট্যাঙ্রে ফাইলে দেখানো আছে।



তিনি বলেন, আমি ১৯৫৮ সাল থেকে কর প্রদান করে আসছি। ১৯৬৭ সালে আমাকে তৎকালীন সরকার ১নং করদাতার সার্টিফিকেট প্রদান করেন। আমি ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জে চলে আসি। তখন তামাকসহ বিভিন্ন মালামাল কেনাবেচা এবং মালামাল গুদামজাত করে ব্যবসা করছি। তবে তিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো পণ্যে মজুত করে ব্যবসা করেননি।



১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার নিরাপত্তার জন্যে একটি রিভলবার লাইসেন্স প্রদান করেন, যার নং ১৪। তিনি সেই রিভলবারটি বয়সের কারণে নিজের ইচ্ছায় ২০১৮ সালে বংশাল থানায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমা দেন।



দেশসেরা এই করদাতা আরও জানান, ১৯৮৮ সালে তিনি হাকিমপুরী জর্দা তৈরি এবং বাজারজাত করেন। তখন এটি ছিলো কুটির শিল্প। তাঁর প্রতিষ্ঠানে ৪/৫ জন শ্রমিক কাজ করতো। সরকার ১৯৯৯ সালের জুন মাসে জর্দার উপর ভ্যাট আরোপ করে। তখন বছরে ট্যাঙ্ প্রদান করতেন ৩০/৩৫ হাজার টাকা। বর্তমানে সম্পূরক শুল্কসহ ট্যাঙ্ প্রদান করছেন প্রায় ৮/৯ কোটি টাকা। বর্তমানে তিনি জর্দার ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করছেন।



হাজী মোঃ কাউছ মিয়া মুজিববর্ষের সেরা করদাতা নির্বাচিত হওয়ায় তিনি রাব্বুল আলামিনের কাছে শোকরিয়া আদায় করেন এবং বলেন, এই সম্মান আমাকে আল্লাহ দিয়েছেন। এর জন্যে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম. মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর মশিউর রহমান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রাহমাতুল মুনিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।



এদিকে হাজী মোঃ কাউছ মিয়া বাংলাদেশের শীর্ষ করদাতার সর্বাধিক পুরস্কার লাভ করায় এবং সর্বশেষ মুজিব শতবর্ষের সেরা করদাতার স্বীকৃতি পাওয়ায় চাঁদপুরবাসী গর্ববোধ করছে। তাঁর এই সাফল্যের খবর শুনে মানুষের মুখে মুখে এখন কাউছ মিয়ার নাম আলোচিত হচ্ছে। দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুল ও উপহার নিয়ে গিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানানো অব্যাহত রেখেছেন।



 



মানব সেবার দৃষ্টান্ত---



১৯৫৪ সাল থেকে এ যাবৎ ১৯ বার দেশে বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। দেশের যে প্রান্তেই বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙ্গন, পাহাড়ধস আঘাত হেনেছে এবং সামপ্রতিক সময়ে যখন বৈশ্বিক করোনা মহামারি দেখা দেয় তখন সহ প্রতিটি দুর্যোগে তিনি বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সামর্থ্য অনুযায়ী ত্রাণ-সাহায্য দিয়েছেন।



১৯৮৮'-এর ভয়াবহ বন্যার সময় টানা একমাস, ৯৮'র বন্যার সময় প্রায় দুই মাস দেশের বিভিন্ন স্থানে পানিবন্দি মানুষের দোরগোড়ায় রান্না করা খাবার পেঁৗছে দিয়ে কাউছ মিয়া দেশ-বিদেশে বেশ সুনাম অর্জন করেন। ২০২০ সালে মানুষ যখন মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের কারণে দিশেহারা এ সময়েও প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার ত্রাণসহায়তা দিয়ে মানবতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এভাবেই চবি্বশ বছর বয়স থেকে তিনি ৬৫ বছর যাবত মানবসেবা করে যাচ্ছেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৯৯-সূরা যিল্যাল


০৮ আয়াত, ১ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১। পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হইবে।


২। এবং পৃথিবী যখন তাহার ভার বাহির করিয়া দিবে,


৩। এবং মানুষ বলিবে 'ইহার কী হইল?'


 


 


মাটিকে ভালোবাসো, মাটি তোমাকে ভালোবাসবে।


_ইবনে আহম্মদ।


 


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


 


 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৬,৪৪,৪৩৯ ১৩,২১,৯৪,৪৪৭
সুস্থ ৫,৫৫,৪১৪ ১০,৬৪,২৬,৮২২
মৃত্যু ৯,৩১৮ ২৮,৬৯,৩৬৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২৫৯৩৯
পুরোন সংখ্যা