চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৪ জানুয়ারি ২০২১, ৩০ পৌষ ১৪২৭, ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
চাঁদপুর জেলায় বিবাহবিচ্ছেদ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে
তিন বছরে এক ওয়ার্ডে বিবাহ নিবন্ধনের সংখ্যা ৬০৬, তালাক ৬৫৮
সানাউল হক
১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী প্রতিটি বিবাহ নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। সরকার নির্ধারিত ম্যারিজ রেজিস্ট্রার তথা কাজী বিবাহের নিবন্ধন করবেন। নিবন্ধনের পর কাজী স্বামী ও স্ত্রীকে নিকাহনামার সত্যায়িত কপি প্রদান করবেন। স্বামীর বয়স কমপক্ষে ২১ এবং স্ত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৮ হয়েছে কিনা, বিবাহে বর ও কনের পূর্ণসম্মতি রয়েছে কি-না, বিয়ের সাক্ষীগণ উপস্থিত কি-না, দেনমোহরের পরিমাণ যথাযোগ্য কি-না এবং তার কত অংশ পরিশোধিত। এ সকল বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কাজী বিবাহ নিবন্ধনে অগ্রসর হবেন। এছাড়াও হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের জন্যও বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে।



জেলা রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ বছরে চাঁদপুর জেলায় বিবাহ নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার। আর তালাকের সংখ্যা হবে প্রায় ১৬ হাজার। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, শুধুমাত্র জেলা সদরে পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডে ২০১৮ সালে সরকার নির্ধারিত কাজীদের রেজিস্ট্রারে বিবাহ নিবন্ধিত হয়েছে ১৫৩টি, তালাক হয়েছে ২৪৭, ২০১৯ সালে বিবাহ নিবন্ধিত হয়েছে ২১১টি, তালাকের সংখ্যা ২২৩ এবং ২০২০ সালে বিবাহ নিবন্ধিত হয়েছে ২৪২, তালাকের সংখ্যা ১৮৮টি। এছাড়া পৌরসভার ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ডে গত ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিবাহ নিবন্ধনের সংখ্যা ৬২০, তালাকের সংখ্যা প্রায় ৫২০টি।



তথ্য মতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্ত্রী কর্তৃক তালাকের প্রবণতাই বেশি দেখা যায়। বুমেরাং অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে ঘায়েল করে জোরপূর্বক তালাক দেয়ার ঘটনাও কম নয়। তবে স্বামী কর্তৃক স্ত্রী নির্যাতন, নিপীড়নের ঘটনার নজির অব্যাহত। খুটিনাটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তালাক হয়ে যাওয়ার দৃষ্টান্তও রয়েছে অনেক। তবে কাজীর কাছে নিবন্ধনবিহীন বিবাহবিচ্ছেদের হিসেব গণনার বাইরেই থেকে যায়। এসব বিবাহ নোটারী পাবলিক আইনজীবীর কাছে এফিডেভিটের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ।



কাজী সাহেবদের বক্তব্য হচ্ছে, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ নিবন্ধনে নোটারী পাবলিক এফিডেভিটের ভূমিকাই বেশি। জেলায় নিয়োজিত সরকার নির্ধারিত কাজীগণ অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ নিবন্ধনে কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলছেন বলে দাবি করেন জেলা কাজী সমিতির সভাপতি। ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রকাশিত বিবিএসের দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, দেশে গত ১ বছরে তালাকের ঘটনা বেড়েছে ১৭ শতাংশ।



গত বছরের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলায় খন্দকার মোঃ মনির হোসেনের দায়ের করা ২০১৮ সালের যৌতুক আইনের ৩ ধারায় মোকাদ্দামায় স্ত্রী মিনোয়ারা বেগমকে জেলে পাঠান বিচারক ও আমলী আদালত। মামলার বিবরণে জানা যায়, মিনোয়ারা বেগম বেপরোয়া জীবন-যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। ২০১৭ সালে মিনোয়ারা কাউকে কিছু না জানিয়ে এমনকি স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়ে পালিয়ে গিয়ে জনৈক ব্যক্তিকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করেন। কথিত ঐ স্বামীর সাথে থাকাবস্থায় পূর্বের স্বামীকে তালাক দেয় এবং তালাকের তথ্য গোপন রেখে পুনরায় মনির হোসেনের সংসারে ফিরে আসে। তালাকের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেলে বাদীকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে দেনমোহর বাড়িয়ে পুনরায় কাবিননামা তৈরি করে।



অন্যদিকে ২০২০ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণা করে বহুবিবাহের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী অভিযুক্তের নির্যাতিতা কলেজপড়ুয়া স্ত্রী ফারজানা। বিবাদীর নাম শাহাবুদ্দিন। এর পূর্বে তিনি আরো ২টি বিয়ে করেছেন। পেশায় চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকুরিজীবী। মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিনের পরিবারের সকলেই বহু বিবাহ প্রথায় জড়িত। বড়ভাই শাহাদাত বিয়ে করেছেন ৩টি। অভিযুক্তের মায়ের বিয়ে হয়েছে একাধিক।



ফরিদগঞ্জ উপজলোর এক দম্পতির বিয়ে হয়েছে ২৫ বছর পূর্বে। বিয়ের ১ মাস পরেই রুজি-রুটির জন্যে স্বামী মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। সেই যে গেলেন, আরতো ফিরে এলেন না স্বামী। মাস গড়িয়ে বছর আসে, বছর গড়িয়ে যুগ অতিক্রম করে, বর্তমানে ২ যুগ পেরিয়ে গেছে। স্বামী আসবেন এই অন্ধ বিশ্বাসের উপর নির্ভর হয়ে স্ত্রী এখনো অপেক্ষমান। ঐ নারী বলেন, বিয়ের ১ মাস পরেই বিদেশে পাড়ি জমান আমার স্বামী। একটি মেয়ে সন্তান আছে আমার। মেয়েটিকে বিয়ে দিয়েছি। স্বামী মাঝখানে ২ মাসের জন্যে এসে আবার বিদেশ চলে গেছেন। তবে শ্বশুর-শাশুড়ি আমার সাথে মানবিক আরচণ করে বলেই এখনো বেঁচে থাকা সম্ভব হয়েছে।



নাম জানাতে ইচ্ছুক নন, এমন একজন চাঁদপুর কণ্ঠকে বলেন, আমার বয়স ৩১, পেশায় চাকুরিজীবী। জীবনের এটুকু বয়সে এসেও আমাকে ৩টি বিয়ে করতে হয়েছে। প্রথম স্ত্রী সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই আমাকে তালাক দিয়ে দেন। বাবা-মা অসুস্থ থাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি। সেখানেও হামলা এবং মানসিক, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। মফস্বল শহরে যেহেতু বসবাস করি, সামাজিক এবং ধর্মীয় রীতি নীতি অনুযায়ী চলতে বলাটাই নাকি আমার অযোগ্যতা। অবশেষে তিনিও জোরপূর্বক আমাকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন। দীর্ঘ প্রায় ১ যুগ ধরে কামানো টাকার সবটুকুই এই বিবাহ-বিচ্ছেদের পিছনে ব্যয় হয়ে গেছে।



ভুক্তভোগী এমন আরেকজন প্রবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনিও বিয়ে করেছেন ২টি। প্রথম স্ত্রীর সাথে সাংসারিক জীবন ভালোই উপভোগ করে যাচ্ছিলেন। কোনো অভিযোগবিহীন হঠাৎ স্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তিনি সংসার করবেন না। দেনমোহরের চেয়ে বেশি পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কার ছিলো তার কাছে। পরিবারের সকলেই তাকে অসংখ্যবার বুঝানোর চেষ্টা করেও বিফল হয়েছে। উল্টো হুমকি-ধমকি দিয়ে জোরপূর্বক টাকা নিয়ে তালাক দিয়ে চলে গেছেন। পরবর্তীতে অন্যত্র বিয়ে করেন এই প্রবাসী।



দ্বিতীয় বিয়ের দেড় মাস পর স্ত্রীর পক্ষ থেকে সংসার না করার অভিযোগ দাখিল করা হয়। সেখানে অভিযুক্তের বায়োবৃদ্ধ পিতার নামেও মামলা দেয়া হয়েছে। ওই প্রবাসী বলেন, আমিতো মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ আছি। আমার ৫ ভাই সংসার জীবনে সফল। আমার বিরুদ্ধে যেহেতু সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, আমার পরিবারে যদি কোনো সমস্যা থাকতো, তাহলে অন্যান্য ভাই বিবাহিত জীবনে যুগের পর যুগ অতিক্রম করতে পারতেন না।



অভিজ্ঞজনরা বলেন, দেশে বিবাহবিচ্ছেদের পিছনে বড় একটা ভূমিকা থাকে স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের পরিবারের। পারিবারিক সহযোগিতা না থাকলে দিনাদিন বিবাহবিচ্ছেদ ঘটনা সহজ নয়। স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবেই অথবা স্বামীর পক্ষ থেকে থাকবে নানা অভিযোগ। পারিবারিকভাকে নিপরপেক্ষ বিচার বিবেচনায় ন্যায়-অন্যায় খুঁজে বের করে সঠিক সমাধানে তেমন অগ্রগতি দেখা যায় না অবিভাবকদের। তবে স্বামীদের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে কাঙ্ক্ষিত অধিকার থেকে বঞ্চিত যেমন ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, অন্য নারীর সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক, মাদকাসক্তি, পুরুষত্বহীনতা। এছাড়াও স্ত্রীদের ক্ষেত্রে বদমেজাজ, সংসারের প্রতি উদাসিনতা, অবাধ্য হওয়া, ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী না চলা, পরকীয়া এমন সব বিষয় যদি স্বামী-স্ত্রী অভিযুক্ত হয়, অবশ্যই গুরুতর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।



জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলুল কবির বলেন, চাঁদপুর জেলায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিবাহ নিবন্ধনে সরকার নির্ধারিত কাজীদের ভূমিকা নেই। নোটারী পাবলিক অ্যাডভোকেটের এফিডেভিটের মাধ্যমেই অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ে হচ্ছে দেদারসে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চলে যাওয়ার পর এখন আর বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করার সুযোগ নেই। এমন অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে আছে, তার কোনো একটা সময়ে কাজীদের সহযোগী ছিলো, এখন তাদের আর কাজ করার সুযোগ নেই।



জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাফিয়া ইকবাল বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তালাকের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ দেখা যায় না। এক এক পরিবারের মধ্যে এক এক রকমের ঘটনার প্রেক্ষিতে তালাক হয়। যেভাবেই হোক না কেনো, কোনো অবস্থাতেই তালাকের সিদ্ধান্তে উপণীত না হওয়াটাই ভালো। সভ্য সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে মানুষের প্রতি মানুষের সম্মানবোধের বিকল্প নেই। আর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেলে সমাজ ব্যবস্থার কাছে শুধু তালাকই না, যে কোনো অপরাধাই কমে যাবো।



জেলার বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে রোটাঃ কাজী শাহাদত (পিএইচএফ) মনে করেন, বিবাহিত জীবনে সুখময় হওয়ার পেছনে শুধুমাত্র স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের ভূমিকাই যথেষ্ট নয়। পারিবারিকভাবে সদিচ্ছার প্রয়োজনীয়তা অতীব জরুরি। প্রত্যেক পরিবার বিয়ের পূর্বে অবশ্যই ছেলে-মেয়ের পছন্দ অপছন্দের উপর গুরুত্ব দেয়াটাও একটা দায়িত্ব। অন্যান্য দৃষ্টান্ত দেখিয়ে সন্তানদের জোরপূর্বক বিবাহে বাধ্য করানো পরিবারের ব্যর্থতা। এটার প্রভাব বিবাহ পরবর্তী জীবনে বিস্তার ঘটে। সরকার নির্ধারিত একজন কাজী আইন জেনে-বুঝে কী করে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ রেজিস্টার করে থাকেন এটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।



চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, গত পাঁচ বছরে এতগুলো তালাক অবশ্যই ভালো দিক বয়ে আনেনি। তবে তালাকের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বলতে গেলে সবার প্রথমে চলে আসবে অর্থনৈতিক, সামাজিক, শারীরিক, পারস্পরিক সম্পর্কের মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অবস্থার মান। মানবিক মূল্যবোধ থেকেও অনেক ক্ষেত্রে তালাকের ঘটনা ঘটে থাকে। যেভাবে যে কারণেই হোক, কোনো অবস্থাতেই তালাক কোনো পক্ষের জন্যই সুফল বয়ে আনেনি। তবে সংসার জীবনে একান্তই যদি না থাকার পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে একক সিদ্ধান্তের উপর অবিচল না থেকে, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে চেষ্টা করা যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি থেকে সরে আসতে হলে সবার প্রথমে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কোনো বিকল্প নেই। আমরা ভুলেই যাই যে, ভুল মানুষেরই হয়। আর এই ভুল থেকে সুুধরে নেয়াটাই একটা মানবিক কাজ।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৮৯-সূরা ফাজর :


৩০ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫। নিশ্চয়ই ইহার মধ্যে শপথ রহিয়াছে বোধসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য।


৬। তুমি কি দেখ নাই তোমার প্রতিপালক কি করিয়াছিলেন 'আদ বংশের-


৭। ইরাম গোত্রের প্রতি-যাহারা অধিকারী ছিল সুউচ্চ প্রাসাদের?-


 


 


 


যার বাড়িতে একটি লাইব্রেরি আছে, মানসিক ঐশ্বর্যের দিক দিয়ে সে অনেক বড়। -হেনরিক ইবসেন।


 


 


 


 


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,১২,৪৯৬ ৮,২৪,৩৫,৪৮২
সুস্থ ৪,৫৬,০৭০ ৫,৮৪,৪৩,৫১৫
মৃত্যু ৭,৫৩১ ১৭,৯৯,২৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২২২৯১
পুরোন সংখ্যা