চাঁদপুর, বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৯ রবিউস সানি ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হাজীগঞ্জ থানায় দুটি মোটরসাইকেল আটক
মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা জহির পরিচয় দেয় সাংবাদিক!
পাপ্পু মাহমুদ
২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পেশায় কখনো সিএনজি অটোরিকশা চালক, রাজমিস্ত্রি, আবার কখনো পেট্রোল পাম্পের ঝাড়ুদারের কাজ করে। এসবের আড়ালে করে মোটরসাইকেল চুরি ও অবৈধ (কাজগপত্রবিহীন) মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়। কিন্তু নিজেকে পরিচয় দেয় সাংবাদিক। এছাড়াও মা-বাবার নাম পরিবর্তন করে ফেসবুকে করে প্রতারণা। বর্তমানে তার বাজাজ কোম্পানির দুটি পালসার মোটরসাইকেল থানায় আটক হওয়ার পর এসব তথ্য বের হয়ে আসে।



খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার হাজীগঞ্জ বাজারের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে দুটি পালসার মোটরসাইকেল আটক করে থানায় নিয়ে আসে এসআই সুমন মিয়া। মোটরসাইকেলগুলো ছাড়িয়ে নিতে তোড়জোড় শুরু করেন জহির। জহির থানায় গিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। যদিও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় মোটরসাইকেল দুটি ছাড়িয়ে নিতে পারেনি।



এ বিষয়ে সিনিয়র সাংবাদিক খালেকুজ্জামান শামীম জানান, জহিরুল ইসলাম শান্ত নামে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে কোনো সদস্য নেই। এ নামে হাজীগঞ্জে কোনো সাংবাদিক আছে বলে আমার জানা নেই।



খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা ইউনিয়নের লাওকোরা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে জহির। সে একসময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলো। আবার কিছুদিন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় হান্নান পেট্রোল ও সিএনজি পাম্পে কাজ করে। সে সুবাদে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সাথে তার সখ্যতা বাড়ে। কিছুদিন পরপর কাগজপত্রবিহীন মোটরসাইকেল এলাকায় নিয়ে আসতো এবং তা বিক্রয় করতো। এর আগে সে ২০১৮ সালের দিকে লাওকোরা মাহবুব ভঁূইয়ার মোটরসাইকেল উয়ারুক স্টেশন থেকে চুরি করে কচুয়ায় তার খালার বাড়িতে নিয়ে রাখে। মোটরসাইকেলের মালিক খোঁজাখুঁজি করলে উয়ারুক স্টেশন সংলগ্ন রাড়া মুন্সি বাড়ির লিটল নিজ চোখে জহিরকে মোটরসাইকেল নিয়ে পালাতে দেখেছে বলে জানান। জহির প্রথমে অস্বীকার করলেও এলাকার লোকজনের কাছে স্বীকার করে এবং সেই রাতেই মোটরসাইকেল ফেরত নিয়ে আসে। সে ঘটনা সালিস দরবারের মাধ্যমে সমাধান করেন উয়ারুক স্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবন্দ। পরবর্তীতে সে পেট্রোল পাম্পে চাকরি নিয়ে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সাথে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ে। সে কয়েকটি মোটরসাইকেল (কাগজপত্রবিহীন) বিক্রি করে। একই গ্রামের শহীদের ছেলে সামীমের কাছে একটি লাল রংয়ের বাজাজ কোম্পানির ডিসকভার ও গত আগস্ট মাসে কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়াইয়া ইউনিয়নের আকানিয়া গ্রামের গোলদার বাড়ির সেলিমের ছেলে হাবিবের কাছে আরেকটি ডিসকভার মোটরসাইকেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়।



উয়ারুক স্টেশনের মুদি দোকনদার জামাল মুদি বলেন, মাহবুব সবসময় লাওকোরা থেকে এসে উয়ারুক স্টেশনে মোটরসাইকেলটি রাখতো। সেদিনও রেখেছিলো। আমাদের অনেকের চোখের সামনে দিয়ে জহির মোটরসাইকেলটি চালিয়ে নিয়ে যায়। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম, একই এলাকার কারণে হয়তো মাহবুবকে বলে জহির মোটরসাইকেলটি নিয়েছে। পরে মাহবুব খোঁজাখুঁজি শুরু করলে আমরা অনেকে সাক্ষ্য দিই। জহির সে রাতেই মোটরসাইকেলটি ফেরত দেয় এবং সে বিচার উয়ারুক স্টেশন বাজার কমিটি করে।



নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক লাওকোরা গ্রামের একজন জানান, জহির প্রতি মাসে দুই-তিনটা মোটরসাইকেল নিয়ে আসতো। কোনো মোটরসাইকেলের নম্বর থাকতো না। এগুলো সে এলাকায় কম দামে বিক্রয় করতো। এলাকায় মাত্র দুটি বিক্রি করেছে।



অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলাকায় যে দুটো বিক্রয় করেছে সেগুলোরও কাগজ নেই। আগে দোয়াভাঙ্গা পেট্রোল পাম্পে চাকরি করতো। এখন সে মাঝে মাঝে তার বাবার সাথে রাজমিস্ত্রির কাজ করে।



হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া চাঁদপুর কণ্ঠকে বলেন, আমি সোর্সের মাধ্যমে সংবাদ পাই মোটরসাইকেলগুলো চোরাই। সে সংবাদের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলগুলো থানায় নিয়ে আসি। সে সময় মিজান নামের একজন মোটরসাইকেলের মালিক পরিচয় দিয়ে বলে, সে জহিরের থেকে ক্রয় করে। আমি জহিরকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলি। জহির এখনো কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসেনি। সে থানায় কাগজপত্র নিয়ে না আসলে মোটরসাইকেলগুলো জব্দ তালিকা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নের আকানিয়া গ্রামের তালুকদার বাড়ির ডিস ব্যবসায়ী মিজান বলেন, আমি লাওকোরার জহিরের থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি পালসার মোটরসাইকেল ক্রয় করি। বৃহস্পতিবার হাজীগঞ্জ বাজারের একটি গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। আমি জহিরকে জানালে সে বলে থানা থেকে মোটরসাইকেল ছাড়িয়ে আনবে। ঘটনার সত্যতা জানতে জহিরের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে কল দিলে সে রিসিভ করেনি।



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৮২-সূরা ইন্ফিতার


১৯ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১। আকাশ যখন বিদীর্ণ হইবে,


২। যখন নক্ষত্রম-লী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরিয়া পড়িবে,


৩। সমুদ্র যখন উদ্বেলিত হইবে,


৪। এবং যখন কবর উন্মোচিত হইবে,


 


সাহায্য করা ভালো কিন্তু সাহায্য যেন কাউকে অলস করে না তোলে।


-ডাবিস্নউ এস গিলবার্ট।


 


 


অভ্যাগত অতিথির যথাসাধ্য সম্মান করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,১২,৪৯৬ ৮,২৪,৩৫,৪৮২
সুস্থ ৪,৫৬,০৭০ ৫,৮৪,৪৩,৫১৫
মৃত্যু ৭,৫৩১ ১৭,৯৯,২৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪০২৪৪
পুরোন সংখ্যা