চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১৭ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৩-সূরা মুয্যাম্মিল


২০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


১৫। আমি তোমাদের নিকট পাঠাইয়াছি এক রাসূল তোমাদের জন্য স্বাক্ষীস্বরূপ যেমন রাসূল পাঠাইয়াছিলাম ফির'আওনের নিকট,


১৬। কিন্তু ফির'আওন সেই রাসূলকে অমান্য করিয়াছিল, ফলে আমি তাহাকে কঠিন শাস্তি দিয়াছিলাম।


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

নিরাপদ দূরত্ব হতে সাহসী হওয়া সহজ। -ঈশপ।


 


 


 


 


 


ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্য সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়ার পানি বৃদ্ধি হুমকির মুখে শহর রক্ষা বাঁধ
গোলাম মোস্তফা
০৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বর্ষা মৌসুম চলছে। চাঁদপুরের নদীগুলোর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে চাঁদপুর সদর উপজেলা, হাইমচর, মতলব উত্তরের কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ওই সকল এলাকায় বসবাসরত মানুষ পানিবন্দী হওয়ার উপক্রম হচ্ছে।



এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির স্রোতের কারণে শহর রক্ষা বাঁধে প্রচ-ভাবে স্রোত এসে আঘাত করছে। ফলে পুরাণবাজার এলাকার শহর রক্ষা বাঁধ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। গত তিন দিনে ডাকাতিয়া নদীর পানি বিপদ সীমার প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।



চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী হযরত আলী বেপারী জানান, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নটি চর এলাকা। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশির ভাগ গ্রাম এখন পানিতে তলিয়ে আছে। এখানকার মানুষ প্রায় পানিবন্দী বলা চলে। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজরাজেশ্বর, জাহাজমারা, লক্ষিরচর, বলিয়ারচর, শিলারচর, রাজারচর, রায়েরচর, গোয়াল নগর, মুগাদি, বাশগাড়িসহ বিভিন্ন গ্রাম জোয়ারের পানিতে ভাসছে। চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী আরো বলেন, বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সড়কটি পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে আছে। পদ্মা মেঘনার পানি বৃদ্ধির ফলে আবাদী ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা তাদের ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারেনি।



হানারচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার রাঢ়ি বলেন, এ ইউনিয়নের মানুষ নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে এমনিতেই পতিত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড যদি দ্রুত ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থাগ্রহণ না করে তাহলে হানারচর ইউনিয়নে ব্যাপক হারে নদী ভাঙ্গনে মানুষ সহায় সম্বলহীন হবে।



চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ বাবুল আখতার বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পানি জোয়ারের সময় বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পুরাণবাজার হরিসভা এলাকায় ভাঙ্গন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ নদীতে ফেলে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, হানারচর ইউনিয়নটিতে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হচ্ছে। জরুরি কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তা তাৎক্ষণিক সমাধানে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। এছাড়াও আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি।


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,৫৫,১১৩ ১,৯৫,৬২,২৩৮
সুস্থ ১,৪৬,৬০৪ ১,২৫,৫৮,৪১২
মৃত্যু ৩৩৬৫ ৭,২৪,৩৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৪৯৪২
পুরোন সংখ্যা