চাঁদপুর, রোববার ৭ জুন ২০২০, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৪ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭১-সূরা নূহ্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


১৭। তিনি তোমাদিগকে উদ্ভূত করিয়াছেন মৃত্তিকা হইতে।


১৮। অতঃপর উহাতে তিনি তোমাদিগকে প্রত্যাবৃত্ত করিবেন ও পরে পুনরুত্থিত করিবেন,


১৯। এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য ভূমিকে করিয়াছেন বিস্তৃত


 


assets/data_files/web

যুগ যতই নূতন হোক পুরাতনের অভিজ্ঞতা ছাড়া তা অচল।-ডেফে।


 


 


যিনি বিশ্বমানবের কল্যাণ সাধন করেন, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


 


 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে ৫ বছরের শিশুকে হাত বেঁধে পানিতে চুবিয়ে হত্যা ঘাতক গৃহকর্মী আটক
মোঃ মঈনুল ইসলাম কাজল
০৭ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শাহরাস্তিতে ৫ বছরের শিশুকে হাত বেঁধে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে বাড়ির গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে শাহরাস্তি উপজেলার বলশিদ তালুকদার বাড়িতে। বাড়ির লোকজন হাত বাঁধা অবস্থায় শিশু জান্নাতুল মাওয়াকে (৫) সকাল সাড়ে ১০টায় পুকুর থেকে উদ্ধার করে। এলাকাবাসী গৃহকর্মীকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।



ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার বলশিদ গ্রামের তালুকদার বাড়ির মৃত খোরশেদ আলমের মেয়ে কাজল রেখার পার্শ্ববর্তী হোসেনপুর গ্রামে বিয়ে হয়। প্রায় ৫ বছর পূর্বে কাজল রেখার স্বামী আক্তার হোসেন মারা গেলে তিনি তার বাবার বাড়িতে তার মেয়ে জান্নাতুল মাওয়াকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তাদের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো ফাতেমা বেগম। প্রায় ৫ মাস যাবৎ সে আর কাজে আসেনি। ঘটনার দিন গতকাল সকালে ফাতেমা বেগম তার ছোট ছেলে আরাফাতকে নিয়ে তালুকদার বাড়িতে আসে। সে কিছু সময় ধরে এ বাড়িতে অবস্থান করে। বেশ কিছু সময় পার হওয়ার পর কাজল রেখা তার মেয়ে জান্নাতুল মাওয়াকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ নিতে থাকেন। এক পর্যায়ে নানী আনোয়ারা বেগম পুকুরে তার নাতনি জান্নাতের মৃতদেহ ভাসতে দেখতে পান। তখন তিনি চিৎকার করলে তার ভাসুর আকাব্বরের সহায়তায় অন্যরা শিশুটির মৃতদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করে। মৃতদেহ উদ্ধারের দৃশ্য দেখতে পেয়ে গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম তার সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশের বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হয়। তারা ফাতেমাকে তার সন্তানসহ আটক করে। এদিকে জান্নাতকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ আনা হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদ পেয়ে শাহরাস্তি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘাতক ফাতেমাকে আটক করে।



জান্নাতের নানী আনোয়ারা বেগম জানান, তিনি তার ভাসুরের সাথে কথা বলছিলেন। এ সময় জান্নাতকে না পেয়ে তার খোঁজাখুঁজি করছিলেন। এক পযার্য়ে তিনি জান্নাতের দেহ পুকুরে ভাসতে দেখেন। তিনি আরো জানান, ঘাতক ফাতেমা দীর্ঘদিন তাদের বাসায় কাজ করছিলো। বিগত কয়েক মাস সে কাজ করতে আসেনি। ঘটনার দিন আসার পর তিনি তাকে খেতে দিয়েছেন। তবে কী কারণে ফাতেমা এমন কাজ করেছে তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।



জান্নাতের মা কাজল রেখা জানান, তিনি তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকছেন। তার মেয়ে বলশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর ছাত্রী। তিনি জানান, ফাতেমা এলাকাবাসীর কাছে তার মেয়েকে পানিতে চুবিয়ে মেরেছে বলে স্বীকার করেছে। তাছাড়া ফাতেমার ছেলে আরাফাত জান্নাতকে কীভাবে মেরেছে তা দেখতে পায়।



স্বামী পরিত্যক্তা ফাতেমা বেগম বলশিদ উত্তর পাড়া সোয়ানী বাড়িতে তার মায়ের সাথে বসবাস করে আসছে।



এলাকাবাসী জানায়, জান্নাতকে পুকুর থেকে উদ্ধার করার পর তার হাত ওড়না দিয়ে বাধা অবস্থায় পাওয়া যায়।



পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে চাঁদপুর প্রেরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘাতক ফাতেমা বেগমকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৬৯৫
পুরোন সংখ্যা