চাঁদপুর, বুধবার ১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬, ০৬ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে বরখাস্ত এবং স্ট্যান্ড রিলিজ। নতুন কর্মকর্তা আবুল বাসার মজুমদার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা ঃ


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। 'আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।'


২১। সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;


২২। সুউচ্চ জান্নাতে


 


আল হাদিস


 


যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


বাণী চিরন্তন


মধুর ব্যবহার লাভ করতে হলে মাধুর্যময় ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসতে হয়। -উইলিয়াম উইন্টার।


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

যে যা বলে বলুক, তুমি তোমার নিজের পথে চল।


-দান্তে।


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতিতে মতলবের আইসিডিডিআরবি রোগীশূন্য
রেদওয়ান আহমেদ জাকির ॥
০১ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:৫৭:৫১
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব দক্ষিণ উপজেলায় অবস্থিত আইসিডিডিআরবি হাসপাতাল (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র) রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পার্শ্ববর্তী জেলা, উপজেলা ও দূর-দূরান্ত থেকে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসতে পারছে না। চাঁদপুর জেলা শহরের আশেপাশের কিছু রোগী এলেও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

    হাসপাতাল কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে শতাধিক ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। এ বছরের মার্চ মাসের শেষ ৯ দিনে (২২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত) হাসপাতালে অন্য সময়ের চেয়ে অর্ধেকেরও কম রোগী ভর্তি হয়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকায় রোগীরা হাসপাতালে আসতে পারছেন না। প্রতিদিন গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে এসে চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে আগত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হতে আগ্রহী হচ্ছেন না।

    গতকাল ৩১ মার্চ হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত ২৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

হাসপাতালের দেয়া তথ্য মতে, মার্চ মাসের ২২ তারিখে ৯৩ জন, ২৩ তারিখে ৭৫ জন, ২৪ তারিখে ৭৬ জন, ২৫ তারিখে ৭১ জন, ২৬ তারিখে ৪৭ জন, ২৭ তারিখে ৪৯ জন, ২৮ তারিখে ৫৭ জন, ২৯ তারিখে ৭৬ জন, ৩০ তারিখে ৫৪ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যা ছিল খুবই কম।

    চিকিৎসা সেবা নিতে আসা হাইমচর উপজেলার মাকসুদা আক্তার বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় হাসপাতালে আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে। তবে এখানকার চিকিৎসকরা ভালো সেবা ও পরামর্শ দেয়ায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।

    হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ চন্দ্র শেখর দাস বলেন, এ সময়ে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে দূর-দূরান্ত থেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে আসতে পারছেন না। প্রতিদিনি যে সকল রোগী আসছেন তাদের বাড়ি চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর  ও দক্ষিণ এলাকার। আগত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছি।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৪১৩২
পুরোন সংখ্যা