চাঁদপুর, শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে বরখাস্ত এবং স্ট্যান্ড রিলিজ। নতুন কর্মকর্তা আবুল বাসার মজুমদার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৫। তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি তো পরীক্ষা বিশেষ; আর আল্লাহ, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে মহাপুরস্কার।


১৬। তোমরা আল্লাহকে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত তাহারাই সফল কাম।


 


 


 


সাহসহীন কোনো ব্যক্তিই সাফল্য অর্জন করতে পারে না।


-কাও ন্যাল গিবন।


 


 


 


 


 


নিরপেক্ষ লোকের দোয়া সহজে কবুল হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে পিতার দাবিকৃত মৃত কন্যাকে পুলিশের জীবিত উদ্ধার
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে। পরে বলেন অপহরণ করা হয়েছে। তার মুঠোফোন বন্ধ। তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। পিতা আবুল বাশারের নানা এমন অভিযোগের নাটকের পর পিতার আশঙ্কা করা মৃত কন্যা রাবেয়া আক্তার (২৭)কে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ। উদ্ধার হওয়া রাবেয়া দুই সন্তানের জননী প্রবাসী আতিকুর রহমানের স্ত্রী। বুধবার রাতে এ বিষয়ে থানায় প্রেস ব্রিফিং করে ঘটনা জানান থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব। ঘটনাটি ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের।

থানার পুলিশ প্রেস ব্রিফিংয়ে জানায়, উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের গৃদকালিন্দিয়া এলাকার আবুল বাশার গত ১৭ ফেব্রয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় এসে জানান, তার মেয়ে প্রবাসী আতিকুর রহমানের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রাবেয়া আক্তার (২৭)-এর কোনো সন্ধান পাচ্ছেন না। ফলে ১৮ ফেব্রুয়ারি ফরিদগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (নং ৮৬১, তারিখ : ১৮-০২-২০২০খ্রিঃ) করেন। অপরদিকে রাবেয়ার শ্বশুর মোঃ ফজল একইদিন তার পুত্রবধূ কাউকে কিছু না বলে চলে গেছে এমন একটি লিখিত অভিযোগ করেন থানায়।

নিখোঁজ ডায়েরির ভিত্তিতে থানা পুলিশ রাবেয়ার অনুসন্ধানকালে তার পিতা আবুল বাশার বিভিন্ন সময়ে এসে জানান, তার মেয়ে অপহরণ হয়েছে। তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এরই জের ধরে আবুল বাশার ক'দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে মৃত্যু সনদ নেয়ার জন্যে তদবির শুরু করেন। বিষয়টি থানা পুলিশের কানে আসলে সন্দেহের উদ্রেক হয়। পরে তারা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রাবেয়া জীবিত আছেন বলে নিশ্চিত হন। কৌশলে মুঠোফোনে তাকে অভয় দিয়ে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিয়ে আসার পর বুধবার সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর তার বাবা-মা, ভাই-বোনকে বারংবার থানা থেকে মুঠোফোনে কল করলেও রহস্যজনক কারণে রাবেয়ার পরিবারের সদস্যদের কেউ থানায় যাননি। এমতাবস্থায় পুলিশ বাধ্য হয়ে এলাকার ইউপি মেম্বার (সংরক্ষিত) রেনুয়ারা বেগম, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও চৌকিদার মাঈনুদ্দিনের হেফাজতে রাবেয়াকে হস্তান্তর করেন। এ সময় রাবেয়া বেগম স্বীকার করেন, তিনি বাবার পরিকল্পনায় ঢাকার সূত্রাপুরে ধর্ম বোনের বাসায় আত্মগোপনে যান।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রকিব বলেন, রাবেয়া নিখোঁজ অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে রাবেয়ার পিতা তার মেয়েকে নিয়ে নানা নাটক করছে। মেয়ে অপহরণ হয়েছে, তাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে নানা কথা বলেছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৪৮৪৮
পুরোন সংখ্যা