চাঁদপুর, শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৫। তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি তো পরীক্ষা বিশেষ; আর আল্লাহ, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে মহাপুরস্কার।


১৬। তোমরা আল্লাহকে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত তাহারাই সফল কাম।


 


 


 


সাহসহীন কোনো ব্যক্তিই সাফল্য অর্জন করতে পারে না।


-কাও ন্যাল গিবন।


 


 


 


 


 


নিরপেক্ষ লোকের দোয়া সহজে কবুল হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
হরিণা ফেরিঘাটে ওজন স্কেলে অনিয়ম ১ জনকে স্ট্যান্ড রিলিজ
মিজানুর রহমান
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলাস্থ হরিণা ফেরিঘাটে স্থাপিত ওজন স্কেলে অনিয়ম দিন দিন বেড়েই চলছে। একই গাড়ি দুইবার স্কেল সস্নিপ করিয়ে টাকার বিনিময়ে পরের গাড়ি আগে ফেরি পারাপার করার অভিযোগ উঠেছে। হরিণা ফেরিঘাটে স্কেলে দুর্নীতি বন্ধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে চালকরা বিক্ষোভ করেন। স্কেলের দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অফিস সহায়ক বরিশালের এইচএম নজরুল ইসলামকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছেন কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিণা ফেরিঘাট ম্যানেজার ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী।



টার্মিনালে থাকা বেশ ক'জন গাড়ি চালক জানান, প্রতিদিন প্রায় দুই শতাধিক ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালামাল নিয়ে ফেণী-চট্টগ্রাম থেকে হরিণা ফেরিঘাট দিয়ে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আসে। একটি গাড়ি নদী পারাপার হওয়ার জন্য প্রায় তিন-চারদিন টার্মিনালে অবস্থান করে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হরিণায় গাড়ি ও মাল ওজন দেয়ার বিআইডবিস্নউটিসির স্কেল অফিসের সহকারীরা চালকদের সাথে টাকার বিনিময়ে সমন্বয় করে ৩/৪ দিন পূর্বে সিরিয়াল দিয়ে একই নাম্বারে ভুয়া সস্নিপ তৈরি করেন। তাদের সাথে চুক্তি মতো গাড়িগুলো আসার পরে লোক দেখানো স্কেল করে আরেকটি সস্নিপ দিয়ে দেয়া হয়। রাত হওয়ার সাথে সাথে সুযোগ বুঝে পরের গাড়িগুলো দ্রুত ফেরিতে উঠে পার হয়ে যায়। এই ধরনের একটি দুর্নীতি হাতেনাতে ধরে ফেলেন টার্মিনালে অপেক্ষমান বেশ ক'জন চালক।



গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ঢাকা মেট্রো ১১-১৯৩৩ নম্বরের মালবাহী ট্রাক ওজন দেয়ার জন্যে স্কেলে আসে। এ সময় স্কেলে থাকা অফিস সহকারী এইচএম নজরুল ইসলাম ওই গাড়িটির ওজন দেয়ার পরে সাথে সাথে দুইটি সস্নিপ বের করে দেন। এর মধ্যে পূর্বে মোবাইল ফোনে কন্ট্রাক্ট হওয়া খুলনা মেট্রো ট ১১-১৯৯৪ নম্বরের মালবাহী গাড়ির সিরিয়াল দিয়ে রাখেন।



দুদিন পরেই গাড়িটি হরিণা ফেরিঘাট আসার পর লোক দেখানো ওজন স্কেল করে সস্নিপ নিয়ে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে চালক পূর্বের ভুয়া সস্নিপটি নিয়ে দেয়। রাত দশটা হওয়ার পরে আসা সেই মেট্রো ট১১-১৯৯৪ মালবাহী ট্রাকটি সিরিয়াল ব্রেক করে ফেরিতে উঠার সময় টার্মিনালে অপেক্ষমান চালকরা তাকে হাতেনাতে ধরে আটকে রাখে। এ নিয়ে রাতভর চালকদের সাথে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্কেলে থাকা অফিস সহকারী নজরুল ইসলাম ও তারেক হোসেন চেষ্টা চালান।



পরদিন ভোরে সমঝোতা শেষে স্কেল সস্নিপ ছাড়াই খুলনা মেট্রো ট ১১-১৯৯৪ মালবাহী গাড়িটি ফেরিতে উঠিয়ে নদী পারাপার করে দেয়।



এই বিষয়ে গাড়ি চালক সাবি্বর জানান, চট্টগ্রাম থেকে আসার পূর্বে সিরিয়াল আগে দেয়ার জন্যে স্কেলে থাকা অফিস সহকারী নজরুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়। তাকে ২০০০ টাকা দেওয়া হলে সে স্কেল সস্নিপটি দেয়ার পর ফেরিতে উঠানোর সময় চালকরা দেখে বাধা দেন।



এ ব্যাপারে অভিযুক্ত অফিস সহকারী নজরুল ইসলাম জানান, এই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সমাধান করা ভালো। যা ঘটেছে পরে আর ঘটবে না। তবে চালকদের কারণেই এসব হয়েছে। এর সাথে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে।



এই ঘটনায় ফেরিঘাট ম্যানেজার ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী জানান, স্কেলে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা অভিযুক্ত অফিস সহকারী এইচএম নজরুল ইসলামকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছি। এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বিষয়ে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৪৩৭৭০
পুরোন সংখ্যা