চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭। কাফিররা ধারণা করে যে, উহারা কখনও পুনরুত্থিত হইবে না। বল, 'নিশ্চয়ই হইবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হইবে। অতঃপর তোমরা যাহা করিতে তোমাদিগকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হইবে। ইহা আল্লাহর পক্ষে সহজ।'


 


 


একজন জ্ঞানী এবং ভালো লোক কখনো হতাশায় ভোগে না।


-ক্যারয়িাস ম্যক্সিমাস।





 


 


যারা ধনী কিংবা সবলকায়, তাদের ভিক্ষা করা অনুচিত।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
অবশেষে ফরিদগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস হচ্ছে
নূরুল ইসলাম ফরহাদ
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বা প্রত্যাশিত যাই বলা হোক না কেন, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬ লক্ষ লোকের প্রাণের দাবি ফায়ার সার্ভিসের জন্য স্থান নির্ধারণ করে জমি বরাদ্দ এবং শেষ পর্যন্ত তা মেপে লাল নিশানা টানিয়ে নির্ধারণ করা হলো। জনমনে বেশ স্বস্তি আসতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, যত দিনই লাগুক ফায়ার সার্ভিস স্থাপিত হলে ফরিদগঞ্জবাসী কিছুটা হলেও নিঃস্ব হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে। সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছেন সবাই।



১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ভাটিয়ালপুরে জেলা পরিষদের প্রতিনিধি গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আলী নুরের উপস্থিতিতে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ ফরিদ আহাম্মদকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মেপে জায়গা বুঝিয়ে দেয়া হয়। জায়গার পরিমাণ ৩৩ শতাংশ।



ফরিদ আহাম্মেদ জানান, আমরা এখন পুরোপুরি নিশ্চিত যে, অচিরেই ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন স্থাপিত হতে যাচ্ছে। আমারা জেলা পরিষদের নিকট হতে জায়গা বুঝে পেয়েছি।



গণপূর্ত বিভাগের আলী নুর আগামী কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, ফায়ার সার্ভিস আমাদেরকে সকল কাগজপত্র হস্তান্তর করলে আমরা প্রথমেই সয়েল টেস্ট ও ডিজাইনের জন্য ঢাকা পাঠাবো। পর্যায়ক্রমে টেন্ডার প্রক্রিয়ার পর মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তবে নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না কবে নাগাদ শেষ হবে।



উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি প্রতিনিধিকে বলেন, খুবই খুশির বিষয় ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জন্য জমি হস্তান্তর হয়ে গেছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অচিরেই সমাধান হবে। হর হামেশাই আগুন লেগে মানুষ নিঃস্ব হয়ে যায়। সচেতনতা না বাড়লে আগুন লাগা হয়ত বন্ধ হবে না, তবে ফায়ার সার্ভিস স্থাপন হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৫৫২৬
পুরোন সংখ্যা