চাঁদপুর, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৬। উহা এইজন্য যে, উহাদের নিকট উহাদের রাসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিত তখন উহারা বলিত, 'মানুষই কি আমাদিগকে পথের সন্ধান দিবে? অতঃপর উহারা কুফরী করিল ও মুখ ফিরাইয়া লইল। কিন্তু ইহাতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না; আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।


 


 


 


assets/data_files/web

মা-বাবাকে ভালোবাসা শ্রদ্ধা করা প্রকৃতির প্রথম আইন।


-ভ্যালিরিয়াস ম্যাঙ্য়িাম।


 


 


যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চান্দ্রায় রাতের অাঁধারে মুক্তিযোদ্ধার ২টি নামফলক ভাংচুর ৩ জনের নামে থানায় অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি
০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চান্দ্রায় বুধবার রাতের অাঁধারে মুক্তিযোদ্ধা মৃত আলী আশ্রাফ পাটোয়ারীর দুটি নামফলক ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনের নামে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হচ্ছে : শহীদ পাটোয়ারী, খোরশেদ পাটোয়ারী ও ওমর আলী পাটোয়ারী।



মুক্তিযোদ্ধা আলী আশ্রাফ পাটোয়ারীর ছেলে নাসির আহমেদ পাটোয়ারী জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ির কিছু লোকজনের সাথে সম্পত্তিগত বিরোধ নিয়ে আমাদের পরিবারের ঝগড়া-বিবাদ চলছে। আমাদের সম্পত্তি তারা জোরপূর্বক দখল করে আমাদেরকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাবা আলী আশ্রাফ পাটোয়ারী দেশকে স্বাধীন করার জন্যে যুদ্ধ করেছেন। তিনি মারা যাওয়ার পর সরকারিভাবে আলী আশ্রাফ পাটোয়ারী নামে ৭নং ওয়ার্ডে একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়। এছাড়া সোনালী ব্যাংক থেকে তিন লাখ টাকা লোন নিয়ে বাড়ির প্রধান গেট, কবরস্থান ও শহীদ মিনারসহ দুটি নামফলকের কাজ করা হয়। বাড়ির প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা আশ্রাফ পাটোয়ারীর নাম-নিশানা মুছে দেয়ার জন্যে নামফলকটি ভেঙ্গে ফেলেছে। তাতেও তারা ক্ষান্ত হয়নি, বাড়ির প্রধান গেটের মুক্তিযোদ্ধা আলী আশ্রাফ পাটওয়ারীর নামটিতে রং মেখে মুছে ফেলে। এমনকি শহীদ মিনারে কাদা দিয়ে মেখে শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা করে। মুক্তিযোদ্ধা আলী আশ্রাফ পাটোয়ারীর পরিবার এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।



এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু হানিফ জানান, মুক্তিযোদ্ধার নামফলক ভাংচুর ও তাঁর নাম-নিশানা মুছে ফেলার ঘটনায় শহীদ পাটোয়ারী, খোরশেদ পাটোয়ারী ও ওমর আলী পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনা যারা করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৫৪৪০
পুরোন সংখ্যা