চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮৯। তবে তাহার জন্যে রহিয়াছে আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখদ উদ্যান,


৯০। আর যদি সে ডান দিকের একজন হয়,


৯১। তবে তাহাকে বলা হইবে, হে দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী! তোমার প্রতি শান্তি।


 


 


 


 


একটা হাত পরিষ্কার করতে অন্য একটা হাতের সাহায্য দরকার।


-সিনেকা।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


যিনি বিশ্বমানবের কল্যাণসাধন করেন, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


 


 


ফটো গ্যালারি
বাবা বলছেন 'না', ছেলে বলছেন 'হ্যাঁ'!
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

ফরিদগঞ্জ এ. আর. মডেল পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজলের বাবা মুক্তিযোদ্ধা নাকি অমুক্তিযোদ্ধা তা নিয়ে পুরো জেলায় কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। পূর্ব প্রকাশিত সংবাদে তার বাবা আব্দুর রব পাটওয়ারী অমুক্তিযোদ্ধা মর্মে অভিযোগ তোলা হলেও গতকাল তিনি লিখিত প্রতিবাদের মাধ্যমে নিজের বাবাকে আবারো মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন। তিনি বলেন, তার বাবা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে থানা সংগ্রাম কমিটির একজন সদস্য ও ১৫নং রূপসা ইউনিয়ন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সেমতে তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। প্রতিবাদলিপির সাথে তিনি একটি প্রত্যয়নপত্রও উল্লেখ করেন।

প্রত্যয়নপত্রে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী আওয়ামী লীগের দলীয় প্যাডে আব্দুর রব পাটওয়ারীকে মুক্তিযুদ্ধকালীন থানা সংগ্রাম কমিটির সদস্য ও ইউনিয়ন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন এবং তাকে একজন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেন।

এ বিষয়ে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ থেকে কথা বলা হয় রফিকুল আমিন কাজলের বাবা আব্দুর রব পাটওয়ারীর সাথে। তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন থানা বা ইউনিয়ন সংগ্রাম কমিটির কোনো দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি বলেন, পরিবারের আয়-রুজির কথা চিন্তা করে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি ঔষধের দোকানে সময় দিয়েছি। তবে আমি বহু বছর রূপসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বহু আহত মুক্তিযোদ্ধাকে তৎকালীন বিনামূল্যে ঔষধপত্র দিয়েছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের সাথে আমার ওঠা-বসা ছিলো। আমি চাইলেই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিতে পারতাম। কিন্তু যেহেতু পারিবারিক ও কর্মজীবনের ব্যস্ততায় আমি সনদ গ্রহণ করিনি, তাই আমার ৮৪ বছরের জীবনে আমি কখনো কোথাও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবিও করিনি।

আব্দুর রব পাটওয়ারী নিজেই যখন বলছেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন বা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনো সংগ্রাম কমিটির সাথে যুক্ত ছিলেন না, তবে কিসের ভিত্তিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী ভুল তথ্য দিয়ে তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে প্রত্যয়ন দিয়ে বিতর্ক সৃষ্ট করলেন সে প্রশ্ন এখন অনেকের মধ্যেই।

সব মিলিয়ে দ্বন্দ্বটা এখন বাবা ও ছেলের মধ্যে। 'মুক্তিযোদ্ধা' প্রশ্নে বাবা বলছেন 'না', ছেলে বলছেন 'হ্যাঁ'।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮১৫৬৬
পুরোন সংখ্যা