চাঁদপুর, বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮৬। তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও,


৮৭। তবে তোমরা উহা ফিরাও না কেনো? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!


৮৮। যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,


 


 


সমাজতন্ত্রই শোষিত নির্যাতিত জনগণের মুক্তির একমাত্র পথ।


-লেনিন।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমি মোঃ রফিকুল আমিন কাজল, প্রধান শিক্ষক, ফরিদগঞ্জ এআর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। চাঁদপুর জেলার স্বনামধন্য পত্রিকা দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে আমাকে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।



গত ০১-১০-২০১৯ তারিখে 'ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিচয় ও শিক্ষা সনদ জালিয়াতি করে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হয়েছেন রফিকুল আমিন কাজল' শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয় তার একাংশে বলা হয়েছিলো, আমি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এই মর্মে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শহীদ উল্লাহ তপাদার, ডেপুটি কমান্ডার মোঃ সরোয়ার হোসেন ও সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আলী আহমদ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সত্য নয় এবং তাদের প্রকাশিত বক্তব্য সঠিক নয় বলে নিজেরা দাবি করেন। তাদের বক্তব্য অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। মূলত আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একাত্তরে ফরিদগঞ্জ থানা সংগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলেন এবং ১৫নং রূপসা ইউনিয়ন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চত করেছেন। কিন্তু আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোনো সনদ গ্রহণ করেননি। আমি ২০১৭ ও ২০১৮ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক মনোনয়নে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান দাবি করলেও ডকুমেন্ট হিসেবে কোনো মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা কাগজপত্রাদি জমা দেইনি। এছাড়াও একই সংবাদে শিক্ষা সনদ জালিয়াতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও আমি কোনো অফিসে অসত্য কাগজ জমা দিয়েছি বলে তার কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।



গত ২৪-০৮-২০১৯ তারিখে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে '৭ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না ফরিদগঞ্জ এআর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা' শীর্ষক সংবাদটিও আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। মূলত শিক্ষকরা সরকারি অংশের বেতন নিয়মিত পেয়ে আসছেন। স্কুল অংশের বেতন ৭ মাস বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের বেতন আদায়ের উপর ভিত্তি করে মোট যত টাকা আদায় হয় তা শিক্ষকদের মধ্যে যথানিয়মে বণ্টন করা হয়। শিক্ষকরা সন্তুষ্ট চিত্তে ৬ মাসের বেতন গ্রহণ করেন। বর্তমানে স্কুল ফান্ড সঙ্কট থাকায় শিক্ষকদের স্কুল অংশের বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। যা সকল শিক্ষক অবগত রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো শিক্ষকের কোনো অভিযোগ বা অভিমান নেই। ইতঃপূর্বে শিক্ষকরা যৌথ স্বাক্ষরে উক্ত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদও জানিয়েছেন।



আমি মনে করি আমার সামাজিক অবস্থান ও মর্যাদা এবং ফরিদগঞ্জ শিক্ষক সমাজের কাছে আমার দীর্ঘদিনের যে সুনাম রয়েছে তা নষ্ট করার জন্যেই একটি মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশে ইন্ধন যোগাচ্ছেন। আমি উক্ত সংবাদের উল্লেখিত অংশগুলোর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।



_মোঃ রফিকুল আমিন, প্রধান শিক্ষক, ফরিদগঞ্জ এআর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। জিডি-১৮০৬/১৯



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৭৬৬৬
পুরোন সংখ্যা