চাঁদপুর, বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮৬। তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও,


৮৭। তবে তোমরা উহা ফিরাও না কেনো? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!


৮৮। যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,


 


 


সমাজতন্ত্রই শোষিত নির্যাতিত জনগণের মুক্তির একমাত্র পথ।


-লেনিন।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রতিদিন ট্রলারভর্তি বরফ যায় কোথায়?
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এখন নদীতে মাছের অভয়াশ্রম চলছে। ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে এ অভয়াশ্রম। চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। মা ইলিশ যাতে নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারে সেজন্যে এ ২২ দিন নদীতে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। সরকারি এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নানা পদক্ষেপের সাথে থাকে বরফ কল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও। কিন্তু এবার চাঁদপুর শহরের অনেক বরফ কল তথা আইস ফ্যাক্টরি এখনো চালু রয়েছে। অন্যান্য বছর এই নিষেধাজ্ঞার সময় আইস ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ থাকতো। এসব আইস ফ্যাক্টরি থেকে প্রতিদিন ট্রলারভর্তি করে বরফ যাচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে_নদীতে মাছ ধরা তো বন্ধ। তাহলে এতো পরিমাণ আইস কোথায় যাচ্ছে? আর নদীর মাছ ছাড়া পুকুর, দীঘির মাছ তথা জিওল মাছের জন্যে তো এতো বরফের প্রয়োজন হয় না। অল্প পরিমাণ বরফ হলেই হয়ে যায়। তাহলে এতো বরফ প্রতিদিন কোথায় যায়? খোদ বড় স্টেশন মাছ ঘাটের ব্যবসায়ীদেরই এমন মন্তব্য।



জানা গেছে, চাঁদপুর শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে নতুনবাজার ও পুরাণবাজার এলাকায় বেশ ক'টি আইস ফ্যাক্টরি রয়েছে। বড়স্টেশন কয়লাঘাট এলাকা এবং সেই বরাবর পুরাণবাজার ৫নং ঘাট এলাকা থেকে শুরু করে ডাকাতিয়ার ভেতরের দিকে যেতে যেতে লন্ডনঘাট পর্যন্ত ৫/৬টি বরফ কল তথা আইস ফ্যাক্টরি রয়েছে। এসব আইস ফ্যাক্টরি থেকে প্রতিদিন ভোর ৪টা থেকে শুরু হয় ট্রলারে ভর্তি করে বরফ নেয়া। দিনের আলো ফোটার পর আর নেয়া হয় না। আবার রাতে নেয়া শুরু হয়। প্রতিদিন ট্রলারভর্তি করে শত শত ক্যান বরফ ডাকাতিয়া থেকে মেঘনার দিকে যেতে থাকে। জানা গেছে, এই সব বরফ চরাঞ্চল ও হরিণাসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় ধৃত ইলিশ সংরক্ষণের জন্যে। কিন্তু অন্যান্য বছর দেখা গেছে যে, প্রশাসন থেকে নির্দেশনা দিয়ে আইস ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ রাখা হতো। এ বছর সে উদ্যোগ নেয়া হয় নি। জানা গেছে, বড়স্টেশন মাছঘাট ও বিপণীবাগ বাজারে জিওল মাছের জন্যে যে বরফের প্রয়োজন, তা প্রতিদিন সর্বোচ্চ এক শ' ক্যান হলেই হয়। তা একটি আইস ফ্যাক্টরি থেকে দিনে একবার সরবরাহ করলেই যথেষ্ট। কিন্তু এবারই দেখা গেলো সব আইস ফ্যাক্টরি চালু রয়েছে। এতে করে অসাধু জেলে এবং অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা এখন নিষিদ্ধের সময় যে ইলিশ ধরছে, তা সংরক্ষণ করার জন্যে এসব বরফ ব্যবহার করে থাকে। তাই এখন প্রতিদিন ট্রলারভর্তি করে বরফ যাচ্ছে। সচেতন মানুষ মনে করে, এই নিষিদ্ধ সময়ে সব আইস ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখা প্রয়োজন।



 



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫৮৮৫৩
পুরোন সংখ্যা