চাঁদপুর, সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


৫। তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলি কর্তন করিয়াছ এবং যেগুলি কা-ের উপর স্থির রাখিয়া দিয়াছ, তাহা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; এবং এইজন্য যে, আল্লাহ পাপাচারীদিগকে লাঞ্ছিত করিবেন।


 


 


assets/data_files/web

আকৃতি ভিন্ন ধরনের হলেও গৃহ গৃহই। -এন্ড্রি উল্যাং।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
বাবুরহাট একাদশ ক্লাবে মডেল থানার অভিযান : আটক ৯
এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকার সাধারণ মানুষ
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর পৌর ১৪নং ওয়ার্ড বাবুরহাট এলাকাস্থ পুলিশ লাইনস্ থেকে প্রায় সিকি কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত বাবুরহাট একাদশ ক্লাবে দীর্ঘদিন যাবত চলে আসছিলো জুয়া ও মাদকের আসর। শনিবার রাতে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ এই ক্লাবে অভিযান চালিয়ে নয় জুয়াড়িকে আটক করে। এদের মধ্যে কমিউনিটি পুলিশিং ১৪নং অঞ্চল কমিটির সেক্রেটারীও রয়েছে।



রাজধানী ঢাকার বেশ ক'টি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযানে অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক কারবার, জুয়ার আসরসহ টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়ায় টনক নড়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। তাই সারাদেশেই এমন অভিযান পরিচালিত হতে থাকে। চাঁদপুর শহরেও নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমানের নির্দেশে এমন কয়েকটি ক্লাবে অভিযান পরিচালিত হয়েছে গত কদিন যাবৎ। কিন্তু পুলিশের বেশ ক'টি অভিযান ব্যর্থ হয়। অবশেষে শনিবার রাত প্রায় ১০টায় এমনই একটি অভিযান পরিচালিত হয় বাবুরহাট একাদশ ক্লাবে। পুলিশ এখান থেকে নয় জনকে আটক করে নিয়ে যায়। এদের সবাইকে ক্লাবের ভেতরে জুয়া খেলা অবস্থায় পায়।



এদিকে যাদেরকে আটক করা হয় তাদের অধিকাংশই বাবুরহাট এলাকায় জনগণের কাছে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত। বাহ্যিকভাবে তাদের এমন পরিচয় থাকলেও ভেতরে তথা প্রকৃত চেহারা হচ্ছে তাদের এমন নোংরা। চাঁদপুর মডেল থানার এসআই লোকমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতরা হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ১৪নং অঞ্চল কমিটির সেক্রেটারী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সুকমল কর রামু (৫৫), চাঁদপুর পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি যুবরাজ চন্দ্র দাস (৫০), সদরের আশিকাটি ইউনিয়নের মোঃ আব্দুল মান্নান মাল (৫৪), দক্ষিণ দাসদী গ্রামের ছিদ্দিক মিজি (৫০), শিলন্দিয়া এলাকার কুখ্যাত জুয়াড়ি ইমদাদুল হক পাটওয়ারী (৫৫), একই এলাকার সেলিম মিজি (৬০), দক্ষিণ দাসদী গ্রামের ইসমাইল শেখ (৫০), দাসদী গ্রামের দুলাল ধর (৫৬) ও হোসেনপুর গ্রামের বশির ছৈয়াল (৬৫)।



পুলিশের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে বাবুরহাট এলাকার সাধারণ মানুষজন। জানা যায়, এ ক্লাবটি প্রতিষ্ঠার শুরুতে অনেক খেলাধুলার আয়োজন করা হলেও বর্তমানে ক্লাবটি খেলাধুলা থেকে অনেক দূরে রয়েছে। তবে এখানে দীর্ঘদিন ধরে সন্ধ্যার পর থেকেই চলে জুয়া ও মাদকের আসর। আটককৃত প্রত্যেকেই কুখ্যাত জুয়াড়ি হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত।



এ ক্লাব ছাড়াও বাবুরহাটের আরো কয়েকটি স্পটে চলে ক্রিকেট জুয়ার আসর। তন্মধ্যে বাবুরহাট-মতলব রোড, বাবুরহাট কলেজ রোড, বাবুরহাট পশ্চিমবাজারসহ কয়েকটি স্পট। এছাড়াও বাবুরহাট এলাকাটি মাদকের ট্রানজিট নামে পরিচিত। এই এলাকায় দিনের বাজারের পর সন্ধ্যা থেকে চালু হয় আরেক বাজার। বিভিন্ন এলাকা থেকে এই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসে মাদক কেনা-বেচার জন্যে। সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে ইতিপূর্বে বেশ ক'বার থানায় অভিযোগ করলে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটকও করা হয়। আবার এদের অনেককেই পরে ছেড়ে দেয়ার ফলে এখন আর কেউই অভিযোগ দিতে রাজি হয় না।



এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন, এ এলাকায় মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হলে এখান থেকে 'মাদক' নামক শব্দটি দূর হতো।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৫৫৩৪৪
পুরোন সংখ্যা