চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৬৩। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে ?


৬৪। ঘন সবুজ এই উদ্যান দুইটি।


৬৫। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে ?


 


 


 


শিক্ষা আর অভিজ্ঞতার সমন্বয়েই জীবনে পরিপূর্ণতা আসে।


-টমাস হুড।


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে ৫৩ হাজার ১৫৬ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০টাকা কেজি মূল্যে চাল বিতরণ শুরু
চাল কম দেয়ার অভিযোগ
মিজানুর রহমান
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরেও হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার থেকে কার্ডধারী প্রতিটি পরিবারকে ১০টাকা কেজি মূল্যে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। এই কর্মসূচিতে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এ তিন মাস তারা ৩০ কেজি করে চাল পাবে।



চাঁদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলায় ১২৩জন ডিলারের মাধ্যমে ৫৩ হাজার ১৫৬ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে সর্বমোট ১৫৯৪. ৬৮০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়নে ২৩জন ডিলারের মাধ্যমে কার্ডধারী ৮ হাজার ৭৩৬টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ শুরু হয়। গতকাল সোমবার সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা, ১০নং লক্ষ্মীপুর, ৯নং বালিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক ডিলারের মাধ্যমে এই চাল বিতরণ করা হয়। তবে কোথাও কোথাও ১০ টাকা করে মোট ৩শ' টাকায় ৩০ কেজি চাল বিক্রির কথা থাকলেও অতিরিক্ত আরো ২০ টাকা নিয়েও পরিমাণে চাল কম দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি পরিমাণের প্রতিটি বস্তায় বোঙা দিয়ে ফুটো করে চাল সরিয়ে ফেলা হচ্ছে বলেও জানায় কেউ কেউ। এ বিষয়টি অস্বীকার করে ডিলারদের বক্তব্য হলো, চাল বিক্রির ক্ষেত্রে পরিবহন এবং শ্রমিকসহ নানা খাতে খরচ রয়েছে। তাছাড়া ৩০ কেজি পরিমাণে বস্তা হলেও গোডাউন থেকে চাল ওজনে কম দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা গ্রাহকদের বস্তাসহ চাল দিয়ে দিচ্ছি।



১২ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বেপারী বাজারে ডিলার মোঃ ইউনুছ গাজীর মাধ্যমে



শান্তিপূর্ণভাবে চাল বিক্রি করা হয়। ওই এলাকায় কার্ডধারীর সংখ্যা ৫৪৮জন। সেখানে ট্যাগ অফিসার নূরুল ইসলামসহ দলীয় নেতা-কর্মী ও গণমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। একই ইউনিয়নের বহরিয়া বাজারে ডিলার ফিরোজ বেপারীর মাধ্যমে ৫৪০জন কার্ডধারী পরিবারের মাঝে চাল বিক্রি করা হয়। ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ফরাক্কাবাদ বাজারের ডিলার মোঃ কাদির গাজীর মাধ্যমে চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলাম মিজি। সেখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ৪৪৯টি পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হয়। একই ইউনিয়নে ডাইনেগো বাড়ি এলাকায় ডিলার মোঃ হারুন আর রশীদের মাধ্যমে ৪১০ পরিবারের মাঝে চাল বিক্রি করা হয়। ১৩নং হানারচর ইউনিয়নে ডিলার মোঃ ওয়ালিউল্লাহ মোস্তানের মাধ্যমে ২৩০ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হয়।



১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নে ডিলার ইব্রাহিম ইবুর মাধ্যমে চাল বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটওয়ারী। এখানে কার্ডধারী ৩৯৩ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। এই ইউনিয়নের ডিলার স্বপন বেপারী ৩৯০ পরিবারের মাঝে চাল বিক্রি করেন। তবে এখানে চাল নিতে আসা কিছু পরিবার অনিয়মের অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগ, ৩০ কেজি বস্তায় ৩০ কেজি চাল নেই। ডিলার প্রতিনিধিরা বলেন, গোডাউন থেকে ৩০ কেজির যে বস্তা পেয়েছি সেটিই আমরা গ্রাহকদের হাতে তুলে দিচ্ছি। কোনো বস্তায় একটু বেশি আর কোনো বস্তায় একটু কম রয়েছে। যা গোডাউন থেকেই আসছে।



এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যে ত্রাণের চাল দেই, সেখানে সরকার আমাদের খরচ দেয় না। কিন্তু ১০ টাকা কেজি মূল্যেই এই চালের ক্ষেত্রে সরকার ডিলারদের কেজি প্রতি ২টাকা কম অর্থাৎ ৮টাকা রাখছে। তাই কোনো অবস্থাতেই তাদের চাল কম দেবার সুযোগ নেই। কেউ কম দিলে সেটি অবশ্যই অনিয়মের মধ্যে পড়ে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬১৬৯২৩
পুরোন সংখ্যা