চাঁদপুর, শুক্রবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৯ ভাদ্র ১৪২৬, ১৩ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৬। উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।


৬৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৬৮। সেথায় রহিয়াছে ফলমূল -খর্জুর ও আনার।


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
৪ অক্টোবর শারদীয় দুর্গোৎসব এগিয়ে চলছে প্রতিমা নির্মাণের কাজ
শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদ্‌যাপনে জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সহযোগিতা কামনা
বিমল চৌধুরী
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আগামী ৪ অক্টোবর সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সমপ্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব, পূজাম-পে এগিয়ে চলছে প্রতিমা নির্মাণের কাজ। শান্তি, সাম্য আর ভ্রাতৃত্বের অমর বাণী শোনাতে এক বছর পর শারদ উৎসবে স্বর্গালোক থেকে মর্ত্যে আসছেন দুর্গতিনাশিনী মহামায়া দেবী দুর্গা। ভক্তদের আকুল ডাকে সাড়া দিয়ে, প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী ধর্মের গ্লানি আর অধর্মরোধ, সাধুদের রক্ষা, অসুরের বিনাশ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠায় দেবী দুর্গার মর্ত্যালোকে আগমন ঘটে। হিন্দুদের বিশ্বাস মতে, প্রতিবছর দেবী দুর্গা পিতৃগৃহে আসেন তার সন্তান পরিজন নিয়ে। আর তার সন্তুষ্টি কামনায় আয়োজন করা হয় দেবী বন্দনায় শ্রী শ্রী দুর্গা পূজার। ভক্ত হৃদয়ের বিশ্বাস এ বছর দেবীর আগমন হবে ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে, আর ফিরেও যাবেন ঘোড়ায় চড়ে।



আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মহালয়া। ৪ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীপূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে হিন্দু সমপ্রদায়ের ১২ মাসে ১৩ পূজার মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গা পূজা। পূজাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে হিন্দু সমপ্রদায়ের ঘরে ঘরে বইতে শুরু করেছে উৎসবের আমেজ। উৎসবে তাদের সামর্থ্যানুযায়ী কেউ কেউ পরিধান করবেন নতুন পোশাক। আবার কেউ কেউ সকলের মাঝে দেবী পূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে পূজা ম-পে আয়োজন করবেন অন্নদান আর বস্ত্রদান। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসমতে কলিকালে অন্নদান আর বস্ত্রদান হলো সর্বোৎকৃষ্ট দান। তাই শারদীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে অনেক পূজাম-পেই দেখা যায় সপ্তমী, অষ্টমী বা নবমীতে নর নারায়ণ সেবা বা বস্ত্রদান করতে।



আগামী ৪ অক্টোবর সন্ধ্যারাত থেকেই দেবী দুর্গার আগমনে বেজে উঠবে ম-পে ম-পে বাদ্য বাজনা আর সানাইয়ের সুর। সেই সুরের মূর্ছনায় ধুয়ে মুছে পরিষ্কার হয়ে যাবে হৃদয়ের পাওয়া না পাওয়ার সকল ব্যথা, দুঃখ, কষ্ট। আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠবে সকল ভক্তহৃদয়। দেবী পূজাকে সামনে রেখে বর্তমান সময় ম-পে ম-পে প্রতিমা নির্মাণে ব্যস্ত রয়েছেন মৃৎ শিল্পীরা। তাদের লক্ষ্য পূজার একদিন আগেই শেষ করতে হবে নির্মাণ কার্যক্রম। আয়োজকগণ ইতিমধ্যে লাইট, বাদ্য, বাজনা, প্যান্ডেল নির্মাণসহ পূজার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বায়নাপত্র করেছেন নিজেদের সামর্থ্যানুযায়ী। তবে আয়োজকদের কথানুযায়ী জানা যায়, গত বছরের চেয়ে এবছর প্রতিমার দামসহ বাদ্যবাজনা ও পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম একটু বেশি। তবে যত বেশিই হোকনা কেন আয়োজকদের কাছে তা তেমন বেশি মনে হয়নি। তাদের কাছে মায়ের সন্তুষ্টিই বড় কথা। সেখানে দাম কোনো বিষয় নয়।



গত বছর চাঁদপুর জেলায় ১৯৬টি পূজা ম-পে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হলেও এ বছর পূজার সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ। তারা জানান, গত বছর চাঁদপুর সদরে পূজার সংখ্যা ছিল ২৯টি। এ বছর পুরাণবাজার মধুসূদন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে নবতারা সার্বজনীন দুর্গোৎসব ও বালিয়া রাধাগোবিন্দ সার্বজনীন দুর্গোৎসব পূজা ম-প (নাহা বাড়ি) নামে ২টি পূজা বেড়েছে। এছাড়া জেলার উপজেলা পর্যায়ে আরো ২/৩টি পূজা ম-পের সংখা বাড়তে পারে বলে তারা জানান। তারা আরো বলেন, আমরা সকল আয়োজককে প্রতিমা নির্মাণ কার্যক্রমের নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণসহ যে কোনো প্রয়োজনে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্যে বলেছি। তবে আমরা আশাবাাদী, শারদীয় উৎসবসহ সকল পূজা পার্বনে আমরা আমাদের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারবো। পূর্বে যেভাবে প্রশাসন, রাজনিতিক নেতৃবৃন্দসহ মুসলিম সমপ্রদায়ের ভাই-বোনেরা আমাদের উৎসব অনুষ্ঠানে সামিল হয়ে আমাদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন, আশা করি এবছরও এর ব্যত্যয় ঘটবে না। জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদ্যাপনে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯৪৪২৫
পুরোন সংখ্যা