চাঁদপুর, রোববার ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১। দয়াময় আল্লাহ,


২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন,


৩। তিনিই সৃষ্টি করিয়াছেন মানুষ,


৪। তিনিই তাহাকে শিখাইয়াছেন ভাব প্রকাশ করিতে,


৫। সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে,


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কাহারো উপর অত্যাচার করা হইলে সে যদি সবর করিয়া চুপ থাকিতে পারে, আল্লাহ তাহার সম্মান বৃদ্ধি করিয়া দেন।


 


ফটো গ্যালারি
ব্যানারে ছিলো না জাতির জনকের ছবি ও নাম এভাবে জাতীয় শোক দিবস পালন নিয়ে বিপত্তি
কামরুজ্জামান টুটুল
২৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শোক দিবসের ব্যানারে ছিলো না জাতির জনকের ছবি, ছিলো না জাতির জনকের নাম, ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকীর ৪৪তমকে কাটা-ছেঁড়া করা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ছিলেন না অধ্যক্ষ আর উপাধ্যক্ষ। এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ অনেক অভিভাবক মনে করেন এটা জাতির জনককে অশ্রদ্ধা যা রীতিমতো আইন লঙ্ঘন করার মতো ঘটনা। জাতীয় শোক দিবস পালন করতে গিয়ে এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন হাজীগঞ্জের নওহাটা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। একটু দেরিতে হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ঘুরে সাংবাদিকদের কাছে আসা এই প্রতিষ্ঠানের ব্যানারের সূত্র ধরে এমন বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নওহাটা ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভাটি মাদ্রাসার একটি কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ঐ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী অধ্যাপক হযরত আলী।



মাদ্রাসাটিতে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভার যে ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছে তা রীতিমতো অনেককে আহত কিংবা ভাবিয়ে তুলেছে। এই প্রতিষ্ঠান শোক দিবসের ব্যানারে জাতির জনকের নাম কিংবা ছবি ব্যবহার করা হয়নি। জাতির জনকের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীর ৪৪ এর শেষের ৪ সংখ্যাটি ওভার রাইটিং কিংবা কলম দিয়ে লিখে দেয়া হয়েছে অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, ব্যানারটি একটি পুরাতন ব্যানার। অনেক অভিভাবক আবার মনে করেন, যেহেতু শেষের ৪ সংখ্যাটি ওভার রাইটিং করা হয়েছে সেহেতু এটি পুরাতন ব্যানার। এই একই ব্যানারে নিশ্চয় এর আগের শোক দিবসে পালন করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।



ব্যানারটি সম্পর্কে খোঁজ নিতে মাদ্রাসার অফিস সহকারী ইমরান হোসেনের বাড়ি বাখরপাড়ায় যাওয়া হয়। সেখানে ইমরান হোসেন থেকে প্রাপ্ত ছবির সাথে প্রতিষ্ঠানের ছবির মিল খুঁজতে যাওয়া হয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে। এই মাদ্রাসাটি তাদের মেইল থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে শোক দিবসের যেসব ছবি পাঠিয়েছে অফিস সহকারী ইমরান থেকে প্রাপ্ত ছবিগুলো একই ও হুবহু।



এ বিষয়ে মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক শাহআলম জানান, ব্যানারটি কয়েক বছর আগের। এ বছর সংশোধন করে ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ ছাড়া অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন বলে তিনি জানান। অথচ ছবিতে তা (শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতির) প্রমাণ মিলেনি।



মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জোফার মোঃ আবু বকর সিদ্দিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঐ দিন (১৫ আগস্ট) আমি অসুস্থ ছিলাম এবং ভাইস প্রিন্সিপালও অসুস্থ ছিলেন। তাই প্রোগ্রামে উপস্থিত হতে পারেননি। ব্যানারে জাতির জনকের নাম ও ছবি এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এমনটি হবে না।



মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ইউছুফ পাটওয়ারী বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদের সভায় উত্থাপন করা হবে।



উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু নিজের মেইলে চেক করে দেখেন, নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে পাঠানো শোক দিবসের ছবিগুলোতে সত্যিকার অর্থে জাতির জনক ও তার নাম নেই। এর পরেই এই কর্মকর্তা জানান বিষয়টি দুঃখজনক। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা)-এর সাথে তিনি এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান।



উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি আমার নজরে এসেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭৩০১৩
পুরোন সংখ্যা