চাঁদপুর, শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কাহারো উপর অত্যাচার করা হইলে সে যদি সবর করিয়া চুপ থাকিতে পারে, আল্লাহ তাহার সম্মান বৃদ্ধি করিয়া দেন।


 


ফটো গ্যালারি
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় ফরিদগঞ্জ এ.আর. মডেল পাইলট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক
স্কুল সরকারি হয়ে গেছে, ম্যানেজিং কমিটিও নেই, কেউ আমাকে সাসপেন্ড করতে পারবে না
এমন বক্তব্য নিজের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র : উপ-পরিচালক রোকসানা ফেরদাউস
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গতকাল বৃহস্পতিবার 'টক অব দ্যা ফরিদগঞ্জ' ছিলো ফরিদগঞ্জ এ. আর. পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদটি। দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ছাপা হয় এ সংবাদ। সংবাদে ফরিদগঞ্জ সদরস্থ ঐতিহ্যবাহী স্কুলটিতে শিক্ষা সনদ জালিয়াতি করে বিধিবহির্ভূতভাবে এডহক কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজলের ব্যক্তিগত নানা অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। গতকাল সকালে ফরিদগঞ্জ ম্যাগাজিন হাউজে পত্রিকা গিয়ে পেঁৗছালে মুহূর্তেই সংবাদ প্রকাশের খবর ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিক। স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ, অভিভাবক ও উৎসুক পাঠকদের চাহিদায় সংকট দেখা দেয় চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকার। তথ্যবহুল এ সংবাদটি সকল শ্রেণির পাঠকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করলেও আলোড়িত হননি উক্ত প্রধান শিক্ষক। বরং সকালে এসেম্বলিতে অভিযোগকারী স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য মোশারফ হোসেন নান্নুর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলেছেন বলে চাঁদপুর কণ্ঠকে জানিয়েছেন মোশারফ হোসেন নান্নু। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক নিজের সনদ জালিয়াতির কথা স্বীকার না করে তা এড়িয়ে গিয়ে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এসেম্বলিতে বলেছেন, এ সবই স্কুলবিরোধী ষড়যন্ত্র। স্কুলের সরকারিকরণকে বাধাগ্রস্ত করতেই একটি চক্র উঠে পড়ে লেগেছে। যদিও জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এ অভিযোগে স্কুলের সরকারিকরণে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না। বরং যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনিই যথাযথ সাজা পাবেন।



এসেম্বলি শেষে নিজ কক্ষে কতিপয় শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজল বলেন, 'পত্রিকায় নিউজ ছেপেছে, বিভিন্ন দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে, তাতে কী হয়েছে? স্কুল বর্তমানে সরকারি হয়ে গেছে, স্কুলে ম্যানেজিং কমিটিও নেই, কেউ আমাকে সাসপেন্ড করতে পারবে না। আমি প্রধান শিক্ষক ছিলাম, আমিই থাকবো এবং এই চেয়ারে বসেই আমি সকল মামলা মোকদ্দমা মোকাবেলা করবো।' গতকাল বিকেলে চাঁদপুর কণ্ঠ অফিসে তার এমন বক্তব্যের রেকর্ডিং এসে পেঁৗছায়।



রফিকুল আমিন কাজলের এমন বক্তব্যে নানমুখী প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। 'আমাকে কেউ সাসপেন্ড করতে পারবে না' এ কথাটির মাধ্যমে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন ? তবে কি তিনি স্বীকার করে নিচ্ছেন সাসপেন্ড হওয়ার মত কাজ তিনি করেছেন? স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি থাকলে কি তিনি সাসপেন্ড হতেন? স্কুল সরকারি হওয়াতে কি তার সকল অপরাধ ঢাকা পড়ে যাবে?



নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, সংবাদটি প্রকাশের পর থেকে স্যার আমাদের শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, 'আপনাদের খুঁটিনাটি সমস্যাও আমি খুঁজে বের করবো। আমি বিপদে পড়লে আপনারাও বিপদে পড়বেন।'



এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক রোকসানা ফেরদাউস মজুমদার বলেন, এ ধরনের বক্তব্য মোটেই কাম্য নয়। বরং এমন বক্তব্য নিজের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। অপরাধী যতো ক্ষমতাধরই হোক, তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধ প্রমাণিত হলে অবশ্যই সাসপেনশনের ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুল সরকারি হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান সরকারের অধীনস্থ একজন কর্মকর্তা বলে বিবেচিত হবেন। সেখানে তার জবাবদিহিতা আরও বেড়ে যাবার কথা। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের বিষয়টি আমাদের নজড়ে এসেছে। আমরা শীঘ্রই সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যা করণীয় তা-ই করবো।



 



 



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭৫৬৯১
পুরোন সংখ্যা