চাঁদপুর, শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
স্মরণকালের সবচে' লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
নৈশপ্রহরী দেলোয়ার হত্যাকাণ্ডের ২২ মাসেও আটক হয়নি কোনো আসামী
পিবিআইর তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরে স্মরণকালের সবচে লোমহর্ষক নৃশংসতম হত্যাকা-ের ঘটনা ছিলো শহরের ট্রাক রোড এলাকায় 'সেবা আয়েশা গার্ডেন' নামে ৯ তলা বিশিষ্ট ভবনের নৈশপ্রহরী দেলোয়ার হোসেন হত্যাকা-। ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর দিবাগত গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত দেলোয়ারের হাত পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে। দুর্বৃত্তরা দেলোয়ারকে খুন করে ওই ভবনের নীচতলার গ্যারেজে থাকা চারটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।



এ ঘটনার প্রায় ২২ মাস অতিবাহিত হতে চললেও ঘটনার সাথে জড়িত একজন আসামীও আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার ১৫ দিনের মাথায়ই মামলার তদন্তভার চাঁদপুর পিবিআইর উপর দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। খোদ পিবিআইর চাঁদপুরস্থ সর্বোচ্চ কর্মকর্তা নিজেই তা স্বীকার করেছেন। গত ১৮ আগস্ট পিবিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তী খুনের রহস্য উদ্ঘাটন সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে পিবিআই চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শংকর কুমার দাসের কাছে এক সাংবাদিক দেলোয়ার হত্যাকা-ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। কোনো অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি তখন জানান, আসলে মিডিয়ায় আসার মতো সে ধরনের কোনো কিছু নেই। তখন উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বলা হয়, দুই বছরেও কোনো অগ্রগতি নেই, ঘটনার সাথে জড়িত কোনো আসামীও আটক হলো না, বিষয়টি সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।



উল্লেখ্য, ওই হত্যাকা-ের পর থানায় মামলা হলে তখন এর তদন্ত কর্মকর্তা করা হয় নতুনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সিরাজুল মোস্তফাকে। চবি্বশ ঘণ্টা পার না হতেই মামলাটির তদন্তভার চলে যায় ডিবি পুলিশের উপর। ডিবি পুলিশের কাছে সপ্তাহখানেকের মতো থাকার পর মামলাটি চলে যায় পিবিআইর (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কাছে। সে সময় থেকে এখন পর্যন্ত পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে। এদিকে ডিবি পুলিশের কাছে যখন মামলাটি ছিলো, তখন ডিবি পুলিশ চুরি হওয়া চারটি মোটরসাইকেলের মধ্য থেকে দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাউকে আটক করতে পারেনি। মোটরসাইকেল দুটি পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি জেলা কারাগার এলাকা থেকে অপরটি মহামায়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।



এদিকে দুই বছরেও এমন একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকা-ের কোনো আসামী আটক না হওয়ায় মানুষজন শঙ্কিত। অথচ আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্ত কাজই হচ্ছে পিবিআইর। থানা পুলিশের মতো তাদের কোনো অভিযান, ভিভিআইপির প্রটোকল বা দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্ক তাদের নেই। তাদের কাজ শুধু চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্ত করা, রহস্য উদ্ঘাটন করা। তাই দেলোয়ার হত্যাকা-ের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় সচেতন মহল উষ্মা প্রকাশ করেছে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯১৪২
পুরোন সংখ্যা