চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২০ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি সাদা কাকের মতোই দুর্লভ। -জুভেনাল।


 


 


মানুষ যে সমস্ত পাপ করে আল্লাহতায়ালা তার কতকগুলো মাপ করে থাকেন, কিন্তু যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্যতাপূর্ণ আচরণ করে, তার পাপ কখনো ক্ষমা করেন না।


 


 


ফটো গ্যালারি
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মতলব উত্তরের আতিক
প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরিবারের দাবি আতিকের সন্তানদের চাকুরি
মাহবুব আলম লাভলু
২২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনী গ্রামের আতিকের পরিবারের খোঁজখবর কেউ রাখে না। ৪ সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের বিধবা স্ত্রী লাইলী বেগম (৫২)।



বড় মেয়ে তানিয়া আক্তার (২৩) আর্থিক দৈন্যদশার জন্যে এইচএসসি পাসের পর লেখাপড়া থেমে গেলে ২ বছর আগে তাকে বিয়ে দেয়া হয়। বড় ছেলে মিথুন (২০) সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে সংসার চালায়। মেজো ছেলে মিন্টু (১৮) অর্থের অভাবে এসএসসি পাস করতে পারেনি। তাকে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। ফলে সে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্ভর করে। ছোট ছেলে শাকিব (১৫) স্থানীয় পাঁচআনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী।



মঙ্গলবার বিকেলে সরজমিনে আতিকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দোচালা ঘরে তার স্ত্রী লাইলী বেগম ৪ সন্তান নিয়ে কষ্টে সংসার চালাচ্ছে। লাইলী বেগম জানান, একুশে আগস্ট আসলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর নেন না। তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান তাদের পরিবারের খোঁজখবর নিতে এসেছিলেন।



আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিঠুন বলেন, আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন আমি এবং আমার বোন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অধীনে ওয়াসার কনস্টেবল পদে দরখাস্ত করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের ভাই-বোনের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা একটু সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।



মিথুন আরো জানায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে ১ লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন।



মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জয় জানান, একুশে আগস্ট বিকেলে ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে মরহুম আতিকুর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।



মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান মঙ্গলবার গিয়েছিলেন আতিক উল্লাহ সরকার বাড়ি। ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান, মরহুম আতিক সরকারের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়িতে গিয়ে মরহুমের স্ত্রী লাইলি বেগম, কন্যা তানিয়া আক্তার, পুত্র মিথুন সরকার, মিন্টু সরকার ও সাকিব সরকারের সাথে কিছু সময় কাটালাম। মাননীয় সংসদ সদস্য নূরুল আমিন রুহুল মহোদয়ও আমার ফোনে মরহুমের স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের সাথে এ সময় কথা বলেন। মরহুমের পরিবারের সদস্যরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন অনুদান ও সহযোগিতার কথা তুলে ধরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তারা কখনোই সাহস হারাননি বলে জানান।



উল্লেখ্য, আতিকুর রহমান ঢাকার যাত্রাবাড়িতে শ্রমিকের কাজ করতেন। শ্রমিকলীগের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি যোগদান করেছিলেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সেদিন তাকে জীবন দিতে হয়েছিল ঘাতকদের গ্রেনেড হামলায়।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮২২৯৭
পুরোন সংখ্যা