চাঁদপুর, সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৮। প্রত্যুষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদিগকে আঘাত করিল।


৩৯। এবং আমি বলিলাম, 'আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।'


৪০। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?


 


 


 


ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই।


-সেন্ট জিরোমি


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় একটি ব্রীজের অভাবে শিক্ষার্থীসহ শত শত লোকের দুর্ভোগ
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের দুয়ারি বাড়ির পূর্ব পাশে সুবিদপুর-হায়াতপুর ভায়া মনোহরপুর খালের উপর একটি ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় বাঁশের সাঁকোই এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা। এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয় মনোহরপুর, সুবিদপুর ও কড়ইয়া গ্রামসহ কয়েক গ্রামের নারী-পুরুষ। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এ খাল পারাপারে উল্লেখিত স্থানে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়নি। এতে কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে চলাচল করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। উক্ত সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে এই গ্রামে অবস্থিত মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মনোহরপুর ফাজিল মাদ্রাসা, মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২টি নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন সাঁকো থেকে পড়ে প্রায়ই আহত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানায়।



মনোহরপুর গ্রামের মজিবুর রহমান, আবুল বাশার ও কড়ইয়া গ্রামের, বশির মিয়া, আঃ জব্বার, সবুজ ও আমান উল্যাহ অনেকটা আক্ষেপ করে জানান, জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার ওই স্থানে সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও তা কার্যকর হয়নি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে। এলাকার কৃষকরা ধানসহ বিভিন্ন শস্য হাটে বিক্রি করতে নিতেও চরম দুর্ভোগের শিকার হন। শুকনো মৌসুমে কাদা-পানি মাড়িয়েই এলাকার মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন।



এ বিষয়ে কড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহসান হাবীব জুয়েলের সাথে কথা বলার জন্যে তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরে (০১৮৩৫২৯৩৬৮২) দফায় দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সংযোগ না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৮৬০৬৪
পুরোন সংখ্যা