চাঁদপুর, সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৮। প্রত্যুষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদিগকে আঘাত করিল।


৩৯। এবং আমি বলিলাম, 'আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।'


৪০। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?


 


 


 


ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই।


-সেন্ট জিরোমি


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
খুনিদের আটকের কৃতিত্ব এসআই অনুপ চক্রবর্তীর
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরে আলোচিত চাঞ্চল্যকর হত্যাকা- স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তীর খুনিদের আটকের কৃতিত্বের দাবিদার হচ্ছেন এ মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানার এসআই অনুপ চক্রবর্তী। তিনি এ ঘটনার মামলার চারদিনের মাথায় আসামীদের আটক করেন। যদিও তখন সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাদের আটক করা হয়েছিলো। আর এখন তারাই জয়ন্তীর খুনি।



ঘটনার পরদিন এ হত্যাকা-ের ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা করা হলে মামলার তদন্তভার দেয়া হয় এসআই অনুপকে। তিনি দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করেন ক্লু বিহীন চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে। সফলতায় পেঁৗছেও গিয়েছিলেন। সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে যে দু'জনকে আটক করেন এসআই অনুপ, এরাই এখন শিক্ষিকা জয়ন্তীর খুনি।



এদিকে মামলাটি নিয়ে এসআই অনুপ যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই পুলিশ হেড কোয়ার্টারের নির্দেশে মামলার তদন্ত পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ১ আগস্ট বৃহস্পতিবার এ মামলার তদন্তভার পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করে মডেল থানা কর্তৃপক্ষ। এদিকে এ হত্যাকা-ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডিসের লাইনম্যান জামাল হোসেন ও ডিস ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান নামে যে দুজনকে আটক করা হয়েছিল তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মডেল থানার এসআই অনুপ চক্রবর্তী। পরে রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।



উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই রোববার চাঁদপুর শহরের ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তী ষোলঘরস্থ পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন। ঘটনার পরদিন সোমবার জয়ন্তী চক্রবর্তীর স্বামী অলোক গোস্বামী চাঁদপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের। এ মামলার তদন্তভার দেয়া হয় মডেল থানার এসআই অনুপ চক্রবর্তীকে। তিনি প্রাণান্তকর চেষ্টা চালান চাঞ্চল্যকর এ মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে। তিনি ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৫ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্দেহভাজন হিসেবে ডিস লাইনম্যান জামাল ও ডিস ব্যবসায়ী আনিছকে আটক করেন। তাদেরকে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আরো অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তিনি ৩১ জুলাই বুধবার আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এদিকে যেদিন তিনি আদালতে রিমান্ড আবেদন করেন সে দিনই পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে মামলাটি তদন্তের জন্যে পিবিআইতে হস্তান্তরের আদেশ আসে।



ডিস ব্যবসায়ী ও লাইনম্যান আনিছ এবং জামালকে সন্দেহ হওয়ার কারণ কী জানতে চাইলে এসআই অনুপ চক্রবর্তী জানান, চাঞ্চল্যকর এ মামলাটির তদন্তভার আমার উপর ন্যাস্ত হওয়ার পর আমি দিন-রাত এটার পেছনে সময় দেই। ওই স্টাফ কোয়ার্টারের এরিয়ার ভেতর বহিরাগত কে কে প্রবেশ করে সে তথ্য সংগ্রহ করি। এর মধ্যে উক্ত জামাল ও আনিছের সন্ধান পাই। খবর নিয়ে জানতে পারি যে, এরা ওই কোয়ার্টারের ভেতরে ডিসলাইনের কাজ করার অজুহাতে প্রবেশ করতো এবং পরিত্যক্ত ভবনে মাদক সেবন করতো। পরে এদেরকে নজরদারিতে রাখি এবং তাদের অতীত খোঁজ-খবর নেই। তাতে তাদের রেকর্ড খারাপ পাই। আর তখনই তাদেরকে সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের উপর সন্দেহ ঘনীভূত হয়। তাই ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করি।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৯৮৭৮
পুরোন সংখ্যা