চাঁদপুর, রোববার ১১ আগস্ট ২০১৯, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ৯ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী !


৩১। আমি উহাদিগকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখ-িত শুষ্ক শাখা-প্রশাখার ন্যায়।


৩২। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?


 


একজন অল্প বয়স্ক মেয়ে স্ত্রী হিসেবে অথবা মা হিসেবে কোনোটাতেই ভালো নয়। -নজ এডামস।


 


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


 


 


ফটো গ্যালারি
জেলা পুলিশের উদ্যোগে সুশৃঙ্খল চাঁদপুর লঞ্চঘাট ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পুলিশ যদি আন্তরিক হয় এবং জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তি যদি মানবসেবায় ব্রতী হবার মানসিকতাপূর্ণ হন, তাহলে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। আবারো সে দৃষ্টান্ত দেখালেন চাঁদপুর জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার মোঃ জিহাদুল কবির বিপিএম পিপিএম'র নেতৃত্বে চাঁদপুরের পুলিশ বাহিনী। প্রতিটি ঈদের সময় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে মানুষ যে কী অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়তো, তা ভুক্তভোগীরাই অনুভব করতে পারতো। আর এ দুর্ভোগ হচ্ছে মানব সৃষ্ট। অর্থাৎ শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইক পুরো লঞ্চঘাট এলাকায় এলোমেলোভাবে বিস্তৃত থাকতো। কোনো মানুষ স্বস্তিতে লঞ্চ থেকে নেমে পন্টুন থেকে বের হতে পারতো না। সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইক চালকরা একেবারে লঞ্চের সামনে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকতো। উদ্দেশ্য যাত্রী নেয়া। পুরো পন্টুন, পন্টুনের গ্যাংওয়ে এবং পন্টুন থেকে বের হওয়ার রাস্তাজুড়ে থাকতো ওই সব শত শত গাড়ির চালক। আর এলোপাতাড়ি গাড়ির জটলার কারণে ঘাট থেকে বের হওয়াটা যেনো ছিলো দুঃসাধ্য। এর সাথে যাত্রীদের হাত ধরে, ব্যাগ ধরে টানাটানি তো আছেই। প্রতিটি ঈদে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নৌ পথে চাঁদপুরে আসা হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন এমন দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হন। এ বিষয়টি নিয়ে গেলো ঈদুল ফিতরের আগে চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত সচিত্র প্রতিবেদন পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরের নজরে আসে। পরদিনই তিনি উদ্যোগ নিয়ে ঘাটে মোটামুটি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। এতে করে গত ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষ যাতায়াতে অনেকটা স্বস্তিবোধ করেন।



এবারো ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকায় আবারো চরম বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়। আবারো উদ্যোগী হলেন পুলিশ সুপার। এবার স্ট্যান্ডবাই দায়িত্ব দিলেন তাঁরই সুযোগ্য সহকর্মী চৌকশ পুলিশ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহেদ পারভেজ চৌধুরীকে। এই মানুষটি গত শুক্রবার থেকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে অবস্থান করতে থাকলেন। আরো ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোঃ আসাদুজ্জামান। সাথে ছিলেন টিআই ফয়সালসহ বেশকিছু কর্মঠ পুরুষ ও নারী পুলিশ সদস্য, ডিবি পুলিশ এবং নৌ-পুলিশ সদস্য। মুহূর্তের মধ্যে তাঁরা পুরো ঘাট এলাকা শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসেন। কোনো চালক পন্টুনের ভেতরে যাওয়া তো দূরের কথা, লঞ্চ থেকে নেমে পন্টুন থেকে বের হওয়ার রাস্তাসহ আশপাশ পুরো ফাঁকা। এমনকি সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইক যার যার নির্ধারিত বাউন্ডারির ভেতরে সবাই রাখছে। যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজে নিজেই গাড়ি ভাড়া করছে, কোনো ঝক্কি ঝামেলা নেই। এছাড়া ঘাটে প্রবেশ এবং বের হওয়ার রাস্তা দুটিও করে দেয়া হয়েছে ওয়ানওয়ে। যাত্রীরা টার্মিনাল থেকে বের হচ্ছে নিশি বিল্ডিং রোড দিয়ে আর ঘাটের দিকে আসছে মাদ্রাসা রোড দিয়ে। এখানেই শেষ নয়, টার্মিনালের ভেতরে প্রবেশ পথে আছে বেশ ক'জন পুলিশ। তারা মাদ্রাসা রোড দিয়ে আসা গাড়িগুলোকে ভেতরে ঢুকতে না দিয়ে প্রবেশমুখেই থামিয়ে দিচ্ছে। যাত্রী এখানে নামিয়ে দিয়ে গাড়িগুলো নিশি রোডের দিকে চলে যাচ্ছে। এমন চতুর্মুখী উদ্যোগ নেয়ায় পুরো লঞ্চঘাট এলাকায় এখন সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রয়েছে। পুলিশ সুপার জিহাদুল করিব নিজে গিয়ে এ কার্যক্রম মনিটরিং করেছেন। এর জন্যে চাঁদপুরবাসী পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরসহ চাঁদপুরের পুলিশ বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।



জেলা পুলিশের নিরলস পরিশ্রম এবং আন্তরিকতায়ই এটি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন চাঁদপুরবাসী। পুলিশ সুপার নিজে এটি তদারকী করেছেন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮৫৪৬৬
পুরোন সংখ্যা