চাঁদপুর, বুধবার ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


৪৩। আর এই যে তিনিই হাসান, তিনিই কাঁদান,


৪৪। আর এই যে, তিনি মারেন, তিনিই বাঁচান,


৪৫। আর এই যে, তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল-পুরুষ ও নারী।


৪৬। শুক্রবিন্দু হইতে, যখন উহা স্খলিত হয়,


 


 


 


 


ভালোবাসা দিয়েই একমাত্র ভালোবাসার মূল্য পরিশোধ করা যায়। -আলেকজান্ডার ব্রাকলে।


 


 


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে নকল হাকিমপুরীসহ ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া নিম্নমানের জর্দায় বাজার সয়লাব
নিম্নমানের এবং অবৈধ জর্দা উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : জেলা মার্কেটিং অফিসার
স্টাফ রিপোর্টার
২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের বিভিন্ন বাজার নকল হাকিমপুরীসহ ট্যাঙ্ ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা নিম্নমানের জর্দায় সয়লাব হয়ে গেছে। নানা স্থানে এবং বাসা-বাড়িতে গোপনে গড়ে তোলা হয়েছে নকল ও নিম্নমানের জর্দা তৈরির কারখানা।



সরজমিনে চাঁদপুর সদরের বাবুরহাট, বহরিয়া, চান্দ্রা, কানুদী, মুন্সিরহাট, আলুবাজার, ঈদগাহ বাজার, হাইমচরের আলগীবাজার, চরভৈরবী, ঈশানবালা, ফরিদগঞ্জের ভিংগুলিয়াসহ কচুয়া, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার প্রতিটি হাট-বাজারে নকল হাকিমপুরী ও বিভিন্ন নামে একেবারে নিম্নমানের জর্দার দেখা মিলেছে।



একশ্রেণির প্রতারক ব্যবসায়ী শুরুতে কেমিক্যালের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও সর্বোচ্চ করদাতা হাজী মোঃ কাউছ মিয়ার কাউছ কেমিক্যাল ওয়ার্কস্-এর এক নম্বর হাকিমপুরী জর্দার লোগো ও প্যাকেট এবং কৌটার নমুনা একই রেখে 'হাকিমপরী' লেখা কৌটায় ও প্যাকেটে এ নকল জর্দা সরবরাহ করছে।



নামে-বেনামে এবং একেবারেই নিম্নমানের এসব জর্দার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের পণ্যের সুনাম নষ্ট করা হচ্ছে।



এ নকল জর্দা বাজারজাত হওয়ায় কথা উঠেছে, অভিজাত কোম্পানীর নাম ভাঙ্গিয়ে নকল করে তা বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন করছে একশ্রেণির প্রতারক। অপরদিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করা জর্দা খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে ক্রেতাদের।



এমন প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদারকি ও ব্যবস্থাগ্রহণ না করার কারণে এদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলে ভুক্তভোগী বিক্রেতাদের অভিযোগ।



জানা যায়, হাট-বাজারে দোকানিরা যেসব নকল ও নিম্নমানের জর্দা রাখছে সেগুলোতে সরকারকে কোনো ভ্যাট দেয়া হয় না। বিএসটিআইয়ের কোনো লাইসেন্স এবং জর্দার গুণগত মান যাচাই রিপোর্ট তাদের নেই। এসব ছাড়াই জর্দা বাজারজাত করছে। এ কারণে তারা দশ/পনের টাকা কম দামে জর্দা বিক্রি করতে পারছে। অথচ প্রতি বছর সরকারকে বাজেটে বাড়ানো ভ্যাট দিয়ে এবং সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, ইন্ডিয়া ও চায়না থেকে আমদানি করা কেমিক্যাল এনে তৈরি করা হয় ১ নম্বর হাকিমপুরী জর্দা। মেসার্স কাউছ কেমিক্যাল ওয়ার্কস্-এর উৎপাদিত ৪টি ব্র্যান্ডের জর্দা হাকিমপুরী, মানিক, জাহাঙ্গীর পিলাপাতি ও শান্তিপুরী জর্দার বিএসটিআই'র টেস্ট রিপোর্ট রয়েছে। অধিক গুণগত মান বজায় রাখায় এবং ভ্যাটসহ উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় হাকিমপুরী জর্দার দাম বেশি।



নকল ও নিম্নমানের জর্দাওয়ালারা সরকারকে ভ্যাট দেয়া দূরে থাক, সামান্য সুগন্ধি মিশিয়ে সরাসরি তামাক কৌটায় এবং প্যাকেটে ঢুকিয়ে জর্দা বিক্রি করছে। কম দামে নকল ও নিম্নমানের এ জর্দা খেয়ে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। এসব বন্ধে এবং প্রতিরোধে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অপরিহার্য বলে মনে করেন পর্যবেক্ষক মহল।



এ ব্যাপারে চাঁদপুর জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি দেখার জন্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা রয়েছে। নিম্নমানের এবং অবৈধ জর্দা উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় বিভিন্ন পণ্যের সাথে বিএসটিআই ছাড়া নকল ও নিম্নমানের জর্দার বিষয়টি দেখা হবে।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৯৬৯১৪
পুরোন সংখ্যা