চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০১৯, ২৭ আষাঢ় ১৪২৬, ৭ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


assets/data_files/web

একটা হাত পরিষ্কার করতে অন্য একটা হাতের সাহায্য দরকার।


-সিনেকা।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


যিনি বিশ্বমানবের কল্যাণসাধন করেন, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে ছেলেধরা আতঙ্ক!
নূরুল ইসলাম ফরহাদ
১১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বিগত কয়েকদিন ধরে ফরিদগঞ্জ জুড়ে ছেলেধরা আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বর্তমানে সর্বত্র একই আলোচনা। গ্রামের প্রতিটি পরিবার তাদের ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। কেউ বিশ্বাস করছেন, কেউ আবার গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে যেসব ভিক্ষুক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করেন তাদের কপাল পুড়েছে। অভিভাবকদের সাথে সাথে আতঙ্কে আছেন বিভিন্ন এলাকার অপরিচিত লোকজন।



গতকাল ১০ জুলাই বুধবার দুপুরে উপজেলার ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের গাব্দেরগাঁও গ্রামের নারিকেল তলায় সন্দেহভাজন অপরিচিত একজনকে ছেলেধরা ভেবে স্থানীয়রা বেদম প্রহার করে। খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা সেখানে ছুটে যান। গিয়ে জানতে পারেন, লোকটি নারিকেল তলায় গাছের নিচে বসেছিল। লোকজন তার কাছে জানতে চায়, বাড়ি কোথায়? লোকটির জবাব রাঙ্গামাটি। এই একটি শব্দই বলতে পারে লোকটি। তার নাম কী-তাও বলতে পারছে না সে। পরে পুলিশ এসে লোকটিকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।



এর আগে গত ৯ জুলাই উপজেলার একই ইউনিয়নের দক্ষিণ গাব্দেরগাঁও গ্রামে চৌকিদার বাড়ির বাচ্চু চৌকিদারের ৫ বছরের মেয়ে মিমকে সন্ধ্যার আগ থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। স্থানীয় মসজিদগুলোর মাইকের কল্যাণে সংবাদটি মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং মেয়েটিকে খুঁজতে থাকে। অবশেষে মেয়েটিকে ওই বাড়ির ইটের স্তূপের ভেতর অচেতন অবস্থায় খুঁজে পায় লোকজন।



ছেলেধরা চক্র এলাকায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং শিশু কিশোরদের তুলে নিয়ে হত্যা করে মাথা কেটে নিয়ে যাচ্ছে-এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ছে উপজেলার সর্বত্র। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। প্রাইমারি স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনগুলোতে সর্তকবার্তা জারি করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, এটি নিছক গুজব।



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি চক্র প্রচার করেছে, 'পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেখানে অন্তত এক লাখ শিশু-কিশোরের কল্লা (মু-) দিতে হবে। সে মতে ৪২টি দল সারাদেশে শিশু কিশোরদের কল্লা সংগ্রহের কাজ করছে।' সরকারের পক্ষ থেকে এটি নিছক গুজব বলা হলেও তা ছড়িয়ে পড়ছে উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। অনেক অভিভাবক ভয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। অপরিচিত লোক দেখলেই মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। এতে বিপাকে পড়ছে ফকির ও ফেরিওয়ালারা। গৃহস্থরা অপরিচিত ভিক্ষুক দেখলে ভিক্ষা না দিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছেন।



এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুর রকিব উদ্দিন বলেন, এসব গুজব। পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলায় এ গুজব খুব বেশি। পদ্মাসেতু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একটি পরিপত্র তৈরি করেছে। উপজেলাবাসীকে বলবো গুজবে কান না দেয়ার জন্যে। আমিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিবো।



ফরিদগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার মমতা আফরিন বলেন, এটা নিছক একটি গুজব। যা আদৌ সত্য নয়।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২০০৩৮০
পুরোন সংখ্যা