চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা সূরা তূর

৪৯ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৭। মুত্তাকীরা তো থাকিবে জান্নাতে ও আরাম-আয়েশে,

১৮। তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে যাহা দিবেন তাহারা তাহা উপভোগ করিবে এবং তাহাদের রব তাহাদিগকে রক্ষা করিবেন জাহান্নামের ‘আযাব হইতে’।


নতুন দিনই নতুন চাহিদা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর উদয় করে। -জন লিডগেট।


ক্ষমতায় মদমত্ত জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলা ও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প একনেকে পাসের অপেক্ষায়
২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আবাসন নিয়ে চিন্তিত অধ্যক্ষ
এএইচএম আহসান উল্লাহ
২৫ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ভবন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস এবং আবাসন নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। আসছে জানুয়ারিতে ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কীভাবে আবাসনের ব্যবস্থা করবেন সেটি নিয়ে এখনই চিন্তিত মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ জামাল সালেহ উদ্দিন। কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস না হওয়া পর্যন্ত সঙ্কট এবং সমস্যা নিয়েই কলেজ চালাতে হবে বলে তিনি জানান। এদিকে মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্প এখন একনেকে (অর্থনৈতিক সংক্রান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটি) পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে বলে জানা গেছে। একনেকে পাস হওয়ার পর পিডি (প্রজেক্ট ডিরেক্টর) নিয়োগ দেয়া হবে। এরপর টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে। তবে পিডির উপর নির্ভর করবে মেডিকেল কলেজ ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে করা আর ধীরগতিতে করা। অর্থাৎ পিডি যদি ঢাকার থেকে নিয়োগ দেয়া হয়, আর তিনি যদি ঢাকাই অফিস করেন তাহলে যা হবার তাই হবে। এমনও হতে পারে যে, এই সরকারের বর্তমান পাঁচ বছরের মেয়াদকালেও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে না। আর যদি পিডির অফিস চাঁদপুরে করা হয় এবং চাঁদপুরের কাউকে (মেডিকেল কলেজ সংশ্লিষ্ট) পিডি করা হয় তাহলে কাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। বিগত দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেডিকেল কলেজ নির্মাণ কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁরা ওই মন্তব্য করেন।



চাঁদপুর শহর লাগোয়া গাছতলা ব্রীজের (চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ সেতু) দক্ষিণ পাশে মেরিন একাডেমির পূর্ব পাশে ৩২ একর জায়গা নির্ধারণ করা হয় মেডিকেল কলেজের জন্যে। জায়গার ম্যাপসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ। এখন শুধু বরাদ্দ আসলে জায়গার মালিকদের মূল্য পরিশোধ করে একোয়ার করে নেবে। এরপর টেন্ডার আহ্বান করে কাজ শুরু হবে। প্রথমে জায়গা ভরাট করা হবে। এরপর ভবন নির্মাণ কাজ।



জানা গেছে, এই মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের জন্যে ১৩শ' কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। তবে বরাদ্দ আরো বাড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।



চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে। এদিন এমবিবিএস ১ম বর্ষের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর জেলাবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত একটি স্বপ্ন পূরণের যাত্রা শুরু হলো। আর এই ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর জেলাবাসীর কাঙ্ক্ষিত এই স্বপ্ন যিনি বাস্তবায়ন করলেন, সেই শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি। তিনি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার তিনদিনের মাথায় চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের আনুষ্ঠানিক যাত্রায় উপস্থিত হন। আর এটি ছিলো তিনি শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর চাঁদপুরে তাঁর প্রথম সফর। সেই ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হয়েছিলো আড়াইশ' শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে। এ হাসপাতালের চতুর্থ তলার সাবেক কেবিন বস্নকই মেডিকেল কলেজের বর্তমান অস্থায়ী ক্যাম্পাস। এখানেই এখন ক্লাস কার্যক্রম চলছে। আর শিক্ষার্থীরা থাকছে হাসপাতালের ডক্টর্স কোয়ার্টারের কয়েকটি ফ্ল্যাটে।



চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের জন্যে ৫০টি আসন বরাদ্দ দেয়া হয়। সে আলোকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ৫০ জন ভর্তি হয়। এই ৫০ জন দিয়েই ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি এমবিবিএস ১ম বর্ষের ১ম ব্যাচের যাত্রা শুরু হয়। এখন আসছে নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হবে। নিয়ম অনুযায়ী ১০ জানুয়ারি থেকে ২য় ব্যাচের ক্লাস শুরু হবে। ২য় ব্যাচেও ৫০ জন ভর্তি হবে। নূতন এই ৫০ জনের আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এখনই তারা হিমশিম খাচ্ছেন। আসছে ছয় মাসের মাথায় ভর্তি হওয়া আরো ৫০ জনকে নিয়ে আরো বিপাকে পড়তে হবে কর্তৃপক্ষকে। এ বিষয়টি নিয়ে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কিছুটা চিন্তিত হলেও তিনি আশাবাদীও যে, অবশ্যই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২৬৭৯১
পুরোন সংখ্যা