চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২৭। অতঃপর আমি তাহাদের পশ্চাতে অনুগামী করিয়াছিলাম আমার রাসূলগণকে এবং অনুগামী করিয়াছিলাম মারইয়াম তনয় ঈসাকে, আর তাহাকে দিয়াছিলাম ইঞ্জীল এবং তাহার অনুসারীদের অন্তরে দিয়াছিলাম করুণা ও দয়া। আর সন্নাসবাদ-ইহা তো উহারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য প্রত্যাবর্তন করিয়াছিল। আমি উহাদের ইহার বিধান দেই নাই; অথচ ইহাও উহারা যথাযথভাবে পালন করে নাই। উহাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনিয়াছিল, উহাদিগকে আমি দিয়াছিলাম পুরস্কার এবং উহাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী।


 


 


assets/data_files/web

অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
রজতজয়ন্তীতে ঢাবির সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর ড. মফিজুর রহমানের সাক্ষাৎকার
পত্রিকাটি চাঁদপুরবাসীর নিকট গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বলেই ধারাবাহিক প্রকাশনা সম্ভব হয়েছে
পত্রিকাটির মধ্যে বিষয় বৈচিত্র্য থাকে, পৃষ্ঠাসজ্জায় শৈল্পিকভাবে প্রকাশ পায়
এএইচএম আহসান উল্লাহ ॥
১৭ জুন, ২০১৯ ০২:৩৭:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 ১৯৯৪ সালের ১৭ জুন চাঁদপুর কণ্ঠের ১ম সংখ্যা বের হয় সাপ্তাহিক হিসেবে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি চাঁদপুর জেলার প্রথম দৈনিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ লাভ করে। এ পর্যন্ত একদিনের জন্যও পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ থাকেনি (সংবাদপত্রের জন্যে নির্ধারিত ছুটি ব্যতীত)। এমনকি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন : বন্যা, সিডর, আইলার মতো ঘূর্ণিঝড়ের সময়ও চাঁদপুর কণ্ঠ একদিনের জন্যও বন্ধ থাকেনি। চাঁদপুর জেলায় প্রচার সংখ্যায় সবার শীর্ষে এ পত্রিকাটি। এর ২৫ বছর পূর্তিতে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের গণযোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সাবেক সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মফিজুর রহমানের সাথে। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্টের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রফেসর রহমান ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় গণযোাগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে বি.এ. (অনার্স) ও এম.এ. তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে তিনি ডেনমার্কের ইউরোপিয়ান ফিল্ম কলেজ থেকে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র বিষয়ে ডিপ্লোমা, নেদারল্যান্ডস থেকে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিষয়ে এম.এ. এবং নরওয়ের বার্গেন বিশ^বিদ্যালয় থেকে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ^বিদ্যালয় ও আমেরিকার ওহাইয়ো বিশ^বিদ্যালয় থেকে উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেন। গবেষণা ও পেশা সূত্রে তিনি ২৫ টি দেশ ভ্রমণ করেছেন।

মফস্বল জেলা শহরে একটি পত্রিকার নিরবচ্ছিন্ন প্রকাশনার ২৫ বছরপূর্তিকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

উত্তর : প্রথমেই আমি চাঁদপুর কণ্ঠের ২৫ বছর পূর্তিতে পত্রিকার প্রকাশক, সম্পাদক, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানাই। প্রত্যেক ২৪ ঘন্টায় একটি দৈনিক পত্রিকার নতুন নতুন সংখ্যা প্রকাশ খুবই জটিল ও ব্যয়বহুল। গত ২৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে চাঁদপুর কণ্ঠ প্রকাশ পত্রিকার সাথে সংশ্লিষ্ট সবারই অনেক মমত্ববোধ, পরিশ্রম ও পেশাজীবিতার প্রমাণ বহন করে। আমি নিশ্চিত পত্রিকাটি চাঁদপুরবাসীর নিকট গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বলেই এর ধারাবাহিক প্রকাশনা সম্ভব হয়ে উঠেছে।

চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকাটি আপনি দেখেছেন, পড়েছেন। পত্রিকাটির সার্বিক বিষয়ে আপনার অভিমত কী?

উত্তর : হ্যাঁ। গত ২ বছর যাবৎ আমি পত্রিকাটি সময় পেলেই পড়ছি এবং দেখছি। পত্রিকাটির মধ্যে বিষয় বৈচিত্র্য থাকে। সংবাদ, সম্পাদকীয়, কলাম ও ফিচার এতে প্রকাশিত হতে দেখা যায়। পত্রিকাটির পৃষ্ঠাসজ্জায়ও শৈল্পিকভাব প্রকাশ পায়। তবে কাগজ ও ছাপার মান ভালো হলে এর পাঠকপ্রিয়তা বাড়বে বলে আমার মনে হয়। দৈনন্দিন বিষয়াবলির কাভারেজ ভালই থাকে। তবে রুটিন সাংবাদিকতার বাইরে গিয়ে মানুষের জীবন-জীবিকা, পরিবেশ, অধিকার, শিক্ষা, সচেতনতা ও সামাজিক সমস্যাসমূহ নিয়ে ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের আরো সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন কর্মকা-, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার বিষয়ে আরো মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।

চাঁদপুর কণ্ঠের আয়োজনে এ বছরসহ ১১ বছর যাবৎ ধারাবাহিকভাবে পুরো জেলাব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতা চলছে, যা ‘পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ নামে পরিচিত। এর ৯ম আসরের ফাইনালে আপনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন বা মতামত কী?

উত্তর : ‘পাঞ্জেরী- চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ গত ১১ বছর যাবৎ ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এটি খুবই আনন্দের বিষয়। বিতর্কে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পর্যায়ের বিতার্কিকদেরকে আমি অভিনন্দন জানাই। এর পৃষ্ঠপোষক, পাঞ্জেরী প্রকাশনা ও চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকাকেও অভিনন্দন জানাই। জেলা পর্যায়ে এরকম ধারাবাহিক ও ব্যাপক পরিসরের বিতর্কের আয়োজন একটি চমৎকার বিষয়। এর মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের মানুষের জ্ঞানও যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে আলোকিত সমাজ গড়ার প্রয়াস প্রকাশিত হয়। আমি আশা করবো এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পাঞ্জেরী ও চাঁদপুর  কণ্ঠের পৃষ্ঠপোষকতা সবসময় থাকবে।

মফস্বল সাংবাদিকতার উৎকর্ষতার জন্যে আপনার পরামর্শ কী?

উত্তর : গত এক দশকে দেশে মফস্বল সাংবাদিকতার বেশ প্রসার লাভ করেছে। জেলা শহরে প্রেস ক্লাবগুলো এখন সাংবাদিকদের পদচারণায় মুখর থাকে। টেলিভিশন সাংবাদিকতা ও অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশের ফলে তরুণ সমাজ সাংবাদিকতায় আরো বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। জেলা শহর থেকে এমনকি উপজেলা শহর থেকে অনেক সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এতে জনগণের বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য প্রাপ্তি সহজ হচ্ছে। কিন্তু মফস্বল সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে সামাজিক ও মানবকল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে মফস্বল সাংবাদিকতার মানের দিকে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। প্রথমত পত্রিকা প্রকাশের সাথে সম্পৃক্ত সম্পাদক, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। সাংবাদিকদেরকে দৈনন্দিন রুটিন সাংবাদিকতার বাইরে গিয়ে সাংবাদিকতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, বেতন কাঠামো ও সুযোগ সুবিধার বিষয়ে মালিক পক্ষকে মনোযোগী হতে হবে।

আপনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। বৈশি^ক পরিসরে সাংবাদিকতা বিষয়ক গবেষণার সাথে যুক্ত আছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল ও গ্রন্থে আপনার গবেষণা কর্ম প্রকাশিত হয়েছে। অভিজ্ঞতার আলোকে আপনার কাছে জানতে চাই, আমাদের দেশের সাংবাদিকতা বৈশি^ক মান অর্জনের পথে হাঁটছে, না অন্য কিছু?

উত্তর : বাংলাদেশের সাংবাদিকতা পরিমাণ ও গুণগত দিক থেকে গত এক দশকে ব্যাপক অগ্রসর হয়েছে। প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সাংবাদিকতা মাধ্যমের বৈচিত্র্য তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়ন, জীবন জীবিকার মান উৎকর্ষ, ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রসারের ফলে সাংবাদিকতা চর্চায় বিষয়ভিত্তিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সাংবাদিকতার বৈশি^ক নিয়মনীতি থাকলেও প্রত্যেক দেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিম-লে সাংবাদিকতার চর্চা হয়। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অনেক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও একটি শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে।

চাঁদপুরের কৃতী সন্তান হিসেবে চাঁদপুরের সমস্যা, সম্ভাবনা বা অন্য কিছু নিয়ে কিছু ভাবছেন কি?

উত্তর : আমার বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়। নিজের জন্মস্থানের প্রতি সবারই মায়া-মমতা, আগ্রহ ও সম্ভাবনা বিষয়ক চিন্তার উদ্রেক করে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। তবে ছোট্ট আমাদের দেশ বাংলাদেশ এ নিয়েই আমাদের সব। অনেক কিছুতেই চাঁদপুর এগিয়ে আছে। দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য, প্রশাসনে চাঁদপুরবাসীর অংশগ্রহণ বেশ কৃতিত্বপূর্ণ। সাবেক সফল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি দেশের শিক্ষা পরিবারের এখন প্রধান। ইতোমধ্যেই শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ প্রশংসিত হচ্ছে। চাঁদপুরেরই কৃতী সন্তানরা এখন সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় ও চাঁদপুরবাসীর অংশগ্রহণ রয়েছে। এমতাবস্থায় অন্যান্য জেলার সাথে তাল মিলিয়ে চাঁদপুরের উন্নয়ন অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে সেই প্রত্যাশাই করি। ঢাকা-মতলব-চাঁদপুর সড়ক যোগাযোগটি হাইওয়েতে উন্নীত করার বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা বাস্তবে রূপ দিবেন বলে আশা করি। ইতোমধ্যে চাঁদপুরে একটি মেডিকেল কলেজও হয়েছে, এখন একটি সাধারণ বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদপুরবাসী অনেক উপকৃত হবে।

আঞ্চলিক পর্যায়ে গণমাধ্যমের সংখ্যা যেহেতু বাড়ছে, সেহেতু সাংবাদিকদের জন্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ার প্রয়োজনীয়তা কতোটুকু অনুভব করেন?

উত্তর : আমি ২০১৫ থেকে ২০১৮ এই তিন বছর বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করেছি। প্রেস ইন্সটিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক জনাব শাহ আলমগীর দেশের সাংবাদিকতা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন। আমাদের মধ্যে এ বিষয়ে অনেক যুক্তিসিদ্ধ আলোচনা হয়েছে। পিআইবি ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোতে অফিস প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার উপর জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি পিআইবির উদ্যোগে অনলাইন ভিত্তিক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ফলে যে কেউ ঘরে বসেই সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণের সুযোগ লাভ করছেন। বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের এই সমস্ত বিষয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ আরো বিস্তৃত হবে। বর্তমান মহাপরিচালক জনাব জাফর ওয়াজেদ একজন প্রাজ্ঞ ও সৃজনশীল সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক। তাঁর নেতৃত্বে পিআইবির প্রশিক্ষণ ও সার্বিক কার্যক্রম আরো গতিশীল হচ্ছে। তবে প্রশিক্ষণের জন্যে যথাযথ সংবাদকর্মী বাছ্ইা করার দায়িত্ব আঞ্চলিক পত্রিকা ও প্রেস ক্লাবগুলোকে যথাযথভাবে করতে হবে। তাহলে সরকারি ব্যয়ে প্রশিক্ষণের সৃষ্ট সুযোগ আঞ্চলিক সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে প্রভাব ফেলবে।

উপরোক্ত প্রশ্নমালার বাইরে আপনার কোনো বক্তব্য থাকলে উল্লেখ করতে পারেন।

উত্তর : সাক্ষাৎকার গ্রহণের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ। একাদশ ‘পাঞ্জেরী- চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা’র সাফল্য প্রত্যাশা করছি। চাঁদপুর কণ্ঠ চাঁদপুরবাসীর কণ্ঠ হয়ে উঠুক সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৯৮৭৮৪
পুরোন সংখ্যা