চাঁদপুর, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা সূরা তূর

৪৯ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৭। মুত্তাকীরা তো থাকিবে জান্নাতে ও আরাম-আয়েশে,

১৮। তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে যাহা দিবেন তাহারা তাহা উপভোগ করিবে এবং তাহাদের রব তাহাদিগকে রক্ষা করিবেন জাহান্নামের ‘আযাব হইতে’।


assets/data_files/web

নতুন দিনই নতুন চাহিদা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর উদয় করে। -জন লিডগেট।


ক্ষমতায় মদমত্ত জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলা ও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের চেষ্টা
শরীরে জখম নেই তবু এমসিতে চার সেলাই!
স্টাফ রিপোর্টার
১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে আসা এক রোগীর আঘাত বা জখমের কোনো চিহ্ন না থাকলেও হাসপাতালের ইনজুরি সার্টিফিকেটে (এমসি) চারটি সেলাইয়ের উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তিনটি পরিবারকে ঘায়েল করতে নানা চক্রান্তের পাঁয়তারা করছে একটি মহল। চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের জিটি রোড এলাকায় সামু গাজী বাড়ির মোঃ ছিডু গাজীর ছেলে আনোয়ার গাজী (৩০) হাসপাতাল থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে তার আপন জেঠাতো ভাইদের ঘায়েল করতে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। তার মা আনোয়ারা বেগম (৫৬)কে তার জেঠাতো ভাইরা রক্তাক্ত জখম, স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়া এবং শ্লীলতাহানি করেছে বলে বিজ্ঞ চাঁদপুর সদর আমলী আদালতে ৪ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তারা হলেন আঃ রহমান (৩৮), মামুন গাজী (৩৫), হুমায়ুন গাজী (৪২) ও জাহিদ গাজী (২৮)। মামলাটির সিআর নং ৫৪৩/১৮, কোর্ট স্মারক ১২৯৯, তারিখ ২৫/০৯/১৮ খ্রিঃ।

মামলার বিবাদীরা বলেন, আনোয়ারা বেগম আমাদের চাচী। তাদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। সেখানে কোনো মারামারি হয়নি। কদিন আগে আদালত থেকে সমন জারির নোটিস আসে। সে সুবাদে আমরা জানতে পারি আমাদের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। ওই নোটিসে আদালতে আমাদের হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী আনোয়ার গাজীর সাথে কথা বলতে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আসিবুল আহসান চৌধুরী সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আনোয়ারা বেগমকে আমিই সার্টিফিকেট দিয়েছি।

তার হাত কি কাটা ছিলো? তার হাতে কোনো সেলাই নেই। তবু এমসিতে চারটি সেলাই লিখেছেন কেন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ কথা এড়িয়ে বলেন, আদালত ডাকলে আমি এ ব্যাপারে কথা বলবো। সমস্যা হবে না।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৬৪০৮৬
পুরোন সংখ্যা