চাঁদপুর, রোববার ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

০১। শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

০২। শপথ বোঝাবহনকারী মেঘপুঞ্জের,

০৩। শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

০৪। শপথ কর্মবন্টনকারী ফিরিশতাগণের-

০৫। তোমাদিগকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কাহারো উপর অত্যাচার করা হইলে সে যদি সবর করিয়া চুপ থাকিতে পারে, আল্লাহ তাহার সম্মান বৃদ্ধি করিয়া দেন।


 


ফটো গ্যালারি
আজ দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক কাজী বজলুল হকের ষষ্ঠদশ মৃত্যুবার্ষিকী
২৬ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আজ ২৬ মে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হাজীগঞ্জের কৃতী সন্তান কাজী বজলুল হকের ষষ্ঠদশ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৩ সালের ২৪ মে শুক্রবার টোরাগড় কাজী বাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। আহত হয়ে ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ মে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।



চাঁদপুর জেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সবচে' সফল প্রধান শিক্ষক হিসেবে খ্যাতি ও স্বীকৃতি অর্জনকারী কাজী বজলুল হক মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের পদে আসীন ছিলেন। তাঁর শিক্ষকতা জীবনের প্রায় ৩০ বছর সময় কেটেছে একই প্রতিষ্ঠানে। তিনি ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি পালিশারা হাইস্কুল, আশ্রাফপুর হাইস্কুল, লাকসাম হাইস্কুল ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার খিলমঙ্গল হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন। তিনি হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুলে যোগদান করার পর এ বিদ্যালয়টির সার্বিক চেহারা পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রতি বছর জুনিয়র বৃত্তি ও এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ছাত্র-ছাত্রীদের স্থান লাভের মধ্য দিয়ে তিনি তার শিক্ষকতায় জাদুকরি দক্ষতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম হন। এ জন্যে তিনি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বহুবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুরস্কৃত হন। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বর্ণপদক ও সনদপ্রাপ্ত হন। এ জন্যে তাঁকে হাজীগঞ্জে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।



১৯৩৮ সালের ৩০ অক্টোবর কাজী বজলুল হক হাজীগঞ্জ উপজেলার পালিশারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালে হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মেধা তালিকায় ৩য় স্থান লাভ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় ১৯৫৭ সালে ইংরেজি সাহিত্যে ২য় শ্রেণীতে বিএ পাস করেন। '৬২ সালে বিএড-এ প্রথম শ্রেণী লাভ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে সফল এ শিক্ষাবিদ পারিবারিক জীবনেও ছিলেন সফল। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ১ মেয়ে রেখে যান। পরবর্তীতে তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র মাজহারুল হক সোহাগ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মেজো ছেলে ডাঃ কাজী মোস্তফা সারোয়ার বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)। বড় ছেলে কাজী আনোয়ারুল হক হেলাল ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার এবং হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, ৪র্থ ছেলে কাজী মাহবুবুল আলম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব। একমাত্র মেয়ে প্রফেসর তানজিনা ফেরদৌস ঢাকা তেজগাঁও সরকারি বিজ্ঞান কলেজের উপাধ্যক্ষ।



আজ এই গুণী ব্যক্তির ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিক আয়োজনে তাঁর গ্রামের বাড়িতে কোরআনখানি, মিলাদ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭৪৮৩৪
পুরোন সংখ্যা