চাঁদপুর, রোববার ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

০১। শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

০২। শপথ বোঝাবহনকারী মেঘপুঞ্জের,

০৩। শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

০৪। শপথ কর্মবন্টনকারী ফিরিশতাগণের-

০৫। তোমাদিগকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।


assets/data_files/web

শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
রহিমানগর-ভাতেশ্বর রাস্তার মেরামত কাজে গড়িমসি দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
২৬ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কচুয়ার রহিমানগর থেকে ভাতেশ্বর রাস্তাটি কচুয়া ও বরুড়া এ দুটি উপজেলার সংযোগ সড়ক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করছে এ রাস্তা ধরে। কচুয়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল ও বরুড়া উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের বাজারসমূহে কৃষকরা তাদের ধান চাল ও শাকসবজিসহ বিভিন্ন পণ্য আনা-নেয়া করে থাকে এ রাস্তা দিয়ে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ রাস্তাটির ভগ্নদশা চরমে পেঁৗছলে রাস্তাটি মেরামতে প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এবং যথারীতি টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঠিকাদারকে ওয়ার্কঅর্ডার দেয়া হয়। স্থানীয় অধিবাসী দিদার হোসেন নামে এক ঠিকাদার ওয়ার্কঅর্ডার পেয়ে কয়েক মাস গড়িমসি করে রাস্তার কাজ শুরু করেও রমজানের ১৫ দিন পূর্বে রাস্তার পূর্ব প্রান্ত ভাতেশ্বর যুগীরপুল থেকে ১২শ' মিটার পর্যন্ত কাজ করে উক্ত অংশের বিল জমা দিয়ে বিল উত্তোলন করে নেন। এ ১২শ' মিটার কাজ সম্পন্নের পর ঠিকাদার আর এ রাস্তার মেরামত কাজের নাম নিচ্ছেন না। রাস্তাটির গর্ত অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। একটুখানি বৃষ্টি হলে রাস্তার গর্তে পানি জমে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে সাতবাড়িয়া গ্রামের পূর্ব প্রান্ত থেকে রহিমানগর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটির খুবই বেহাল দশা। সাতবাড়িয়া সড়কে জনতা ব্যাংকের সম্মুখে প্রায় ১শ' মিটার রাস্তায় বড় বড় গর্ত। এই গর্তগুলো পারাপারে প্রায় প্রতিদিনই যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে যাত্রীরা আহত হওয়া ছাড়াও নষ্ট হচ্ছে যানবাহন। রাস্তায় যে ১২শ' মিটার অংশের কাজ হয়েছে এ কাজ নিম্নমানের বলেও স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে। মেরামত করা অংশে ফিনিশিং কাজ ঠিকমত না করায় এখনই স্থানে স্থানে পানি জমছে। আর সে স্থানগুলো অতিশীঘ্রই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

ঠিকাদার দিদার হোসেনের সাথে কয়েক দফা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে রাস্তা মেরামতে গড়িমসি সম্পর্কে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন বলেন, ঠিকাদার ১২শ' মিটার রাস্তার মেরামত কাজ করেছে। উক্ত অংশের বিল পরিশোধ করা হয়েছে, বাকি কাজ শীঘ্রই শেষ করার জন্যে তাকে বলা হয়েছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১২১১২৭৭
পুরোন সংখ্যা