ঢাকা। রোববার ১৩ জানুয়ারি ২০১৯। ৩০ পৌষ ১৪২৫। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী

২৯। এই আমার লিপি, ইহা তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে সত্যভাবে। তোমরা যাহা করিতে তাহা আমি লিপিবদ্ধ করিয়াছিলাম।

৩০। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে দাখিল করিবেন স্বীয় রহমতে। ইহাই মহাসাফল্য

 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় ভুয়া মাজার তৈরি করে প্রতারণার ফাঁদ এলাকায় তোলপাড়
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়ায় ভুয়া মাজার তৈরি করে অভিনব কায়দায় প্রতারণা করার অভিযোগ ওঠেছে এক দম্পতির বিরুদ্ধে। প্রায় ২ মাস আগে কচুয়ার চক্রা গ্রামের মৃত টুকু মিয়ার ছেলে আঃ মমিন খন্দকার ও তার ২য় স্ত্রী রোকেয়া বেগম চক্রা গ্রামের বেনুচো নতুন বাড়িতে তাদের বসতঘরের সামনে দুটি নতুন কবর তৈরি করে চারদিকে লালসালু ও কয়েকটি ছবি টানিয়ে দেয়। আর এটিকেই গায়েবী মাজার বলে প্রচার করতে থাকে ওই প্রতারক দম্পতি। এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ লোকজনের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।



গত বৃহস্পতিবার সরজমিনে গেলে ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেন, আহসান হাবীব, সোহেল, আবু হানিফ, রফিক, ফরহাদ হোসেনসহ একাধিক লোকজন জানান, এ স্থানে ইতিপূর্বে কোনো মাজার কিংবা কবর ছিলো না। আঃ মমিন খন্দকার তার ২য় স্ত্রী রোকেয়া বেগমের প্ররোচণায় গত ২৯ নভেম্বর রাতে কিছু অতি উৎসাহী লোকের সহায়তায় ঘরের সামনে মাটি দিয়ে দুটি নতুন কবর তৈরি করে গায়েবী মাজার হয়েছে বলে প্রচার চালায়। এটি এলাকার সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্যে কবরের মতো তৈরি করেছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। এলাকাবাসী এটিকে ভুয়া মাজার দাবি করে এটি নিয়ে ওই দম্পতি যাতে কোনো প্রতারণা কিংবা ফায়দা লুটতে না পারে অচিরেই তা বন্ধ করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।



এ বিষয়ে আঃ মমিনের ১ম স্ত্রী নাছিমা বেগম জানান, এ বিষয়ে মুখ খুলতে নিষেধ রয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তির নামে মাজার কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার স্বামী ও তার ২য় স্ত্রী রোকেয়া বেগম ভালো জানেন। তবে এখানে পূর্বে কোনো কবর ছিলো না বলে তিনি জানান এবং মাঝেমধ্যে এখানে হালকা জিকির ও ওয়াজের অনুষ্ঠান হয়।



এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম মুঠোফোনে জানান, আমার স্বামী আঃ মমিন ও আমি ফরিদপুরের আটরশির মুরিদ (ভক্ত)। আমার স্বামী আঃ মমিন খন্দকার কচুয়া-ঢাকা সড়কের সুরমা বাসের সুপারভাইজার। আমরা নারায়ণগঞ্জে বসবাস করি। আমি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাজারে যাই। আমাকে স্বপ্নে দেখানোর ফলে আমি এটি করে তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে কোনো ধরনের প্রতারণার উদ্দেশ্য এটি করিনি। শুধুমাত্র স্বপ্নে দেখানোর ফলে তাদের আশ্রয় দেয়ার জন্যে করেছি।



আশরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ এলাহী সুবাস জানান, চক্রা গ্রামে মাজার ওঠার বিষয়ে আমার জানা নেই।



কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান ভূঁইয়া বলেন, চক্রা গ্রামে মাজার ওঠার বিষয়ে জানা নেই। তবে এখানে কোনো প্রতারণা হয় কিনা তা খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৪৫৬১
পুরোন সংখ্যা