চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ৫ আশ্বিন ১৪২৫। ৯ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৩। তোমার সম্বন্ধে তো তাই বলা হয় যা বলা হতো তোমার পূর্ববর্তী রাসূলদের সম্পর্কে। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই ক্ষমাশীল এবং কঠিন শাস্তিদাতা।

৪৪। আমি যদি আজমী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করতাম তবে তারা অবশ্যই বলতো, এর আয়াতগুলো বিশদভাবে বর্ণনা হয়নি কেন? কী আশ্চর্য যে, এর ভাষা আজমী, অথচ রাসূল আরবীয়। বল : মু’মিনদের জন্যে এটা পথ-নির্দেশ ও ব্যাধির প্রতিকার; কিন্তু যারা অবিশ^াসী তাদের কর্ণে রয়েছে বধিরতা এবং কুরআন হবে তাদের জন্যে অন্ধত্ব। তারা এমন যে, যেন তাদেরকে আহ্বান করা হয় বহু দূর হতে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


যে গৃহে মা নেই, সে গৃহের কোনো আকর্ষণ নেই।                    


-হাওয়ার্ড জনসন।


কারো অসাক্ষাতে নিন্দা করলে ওজু ও রোজা নষ্ট হয়ে যায়।



 


ফটো গ্যালারি
দেখার যেনো কেউ নেই
বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে বিষাক্ত সস
বিশেষ প্রতিনিধি
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা কেন্দ্র পালবাজার, পুরাণবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দীর্ঘদিন যাবৎ বিষাক্ত সস বিক্রি হচ্ছে। এ সস বিক্রি করছেন পালবাজারের কয়েকজন বড় মাপের ব্যবসায়ী। এ সস প্রতিদিন মানুষ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রীর সাথে ভক্ষণ করে জীবন বিপন্ন করছে। যা মানবদেহের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকর বলে চিকিৎসকরা জানান। বিষাক্ত কেমিকেল দ্বারা এই সস প্রস্তুত করা হয় বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। যা বিক্রি হচ্ছে শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। মনে হচ্ছে এ বিষয়ে বাজার মনিটরিং করার কেউ নেই।



খবর নিয়ে জানা যায়, চাঁদপুর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে শত শত হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কয়েক বছর যাবৎ সিঙ্গারা, পুরি ও মোগলাইসহ বিভিন্ন ভাজাপোড়া জাতীয় খাদ্য সামগ্রীর সাথে সস দেয়া হয়ে থাকে। এ সস খাদ্যর সাথে খেতে অনেক মজা ও সুস্বাদু এবং টক অনুভব হয়। যার ফলে সকল শ্রেণীর মানুষ ভাজা খাদ্যের সাথে সস খেতে পছন্দ করে থাকে। পূর্বে দধি ও তার সাথে বিভিন্্ন সামগ্রী দিয়ে এ সস তৈরি করা হতো বলে হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান। বর্তমানে অধিক মুনাফার লোভে এক শ্রেণীর হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকরা খাদ্যের সাথে নিম্নমানের সস দিয়ে থাকে। যা বিষাক্ত কেমিকেলে তৈরি সস বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।



পালবাজার, পুরাণবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বিগত দিনে এসব সস বিক্রি করার অপরাধে অনেক ব্যবসায়ীকে প্রশাসনিকভাবে জরিমানা করা হয় এবং সতর্ক করে দেয়া হয়। তারপরও বর্তমানে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে পালবাজারের জীবন, প্রদীপ ও বাসু, পুরাণবাজারের কয়েকটি বড় আকারের পাইকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ বিষাক্ত সস বিক্রি করছে বলে সরজমিনে গিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী থেকে জানা গেছে। এসব সস কুমিল্লার আশিয়ান কেমিকেল নামে একটি কোম্পানি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রস্তুত করে যাচ্ছে। ৫ লিটারের একটি কেনের পাইকারী মূল্য পূর্বে ছিল ১শ' ৬০ টাকা, বর্তমানে তার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২শ' ৬০ টাকা। পালবাজারে বিক্রি হয় ২শ' ৮০ থেকে ৩শ' টাকায়। পুরাণবাজারে পালবাজার থেকে আরো কমদামে বিক্রি হয় বলে প্রবীণ এক ব্যবসায়ী জানান।



সস তৈরির একজন কারিগর জানান, বিষাক্ত এই সস তৈরি করা হয় ময়দা, পানি, রং ও কেমিকেলের মাধ্যমে। যা' বিষাক্ত ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য। এক নাগাড়ে দীর্ঘদিন এ সস খাওয়ার ফলে কিডনি, লিভার ও পাকস্থলী মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৮০ ভাগ বলে চিকিৎসকরা তাদের মত প্রকাশ করে জানান।



এ ব্যাপারে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আসিফ চৌধুরীর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, যেহেতু কেমিকেল ও রং দ্বারা প্রস্তুত এ সস, সেহেতু এ সস খাওয়া সঠিক নয়। খেলে ক্ষতিতো নিশ্চিত রয়েছে।



এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা ও সচেতন ব্যবসায়ীরা।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭১২১৯
পুরোন সংখ্যা