চাঁদপুর। বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮। ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫। ৩ জিলহজ ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৫। অতঃপর আল্লাহ তাকে তাদের চক্রান্তের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন এবং ফেরাউন গোত্রকে শোচনীয় আযাব গ্রাস করলো।

৪৬। সকালে ও সন্ধ্যায় তাদেরকে আগুনের সামনে পেশ করা হয় এবং যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন আদেশ করা হবে, ফেরাউন গোত্রকে কঠিনতর আযাবে দাখিল কর।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন





 


কোনো মহৎ লোকের জীবনই বৃথা যায় না।

-ডব্লিউ এস ল্যান্ডার।


মজুরের গায়ের ঘাম শুকাবার আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।



 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে ভাবীকে হত্যার দায়ের দেবরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শাহরাস্তি উপজেলার পাথৈর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের স্ত্রী খোদেজা বেগম (৩৮)কে হত্যার অপরাধে দেবর মোঃ মহরম আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন। হত্যার শিকার খোদেজা বেগম পাথৈর গ্রামের কলওয়ালা বাড়ির কৃষক মোঃ ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী। আর কারাদ-প্রাপ্ত মহরম আলী ইউনুছ মিয়ার ছোট ভাই। তার পিতার নাম মৃত লুৎফর রহমান ওরফে আম্মর আলী।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২২ মে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিহত খোদেজা বেগমের সাথে গায়ে মাখা সাবান নিয়ে তার ননদ নেহার আক্তারের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় বাড়িতে থাকা খোদেজার দেবর মহরম আলী ক্ষিপ্ত হয়ে ভাবীর তলপেটে সজোরে লাথি মারে। এতে খোদেজা বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে খোদেজার স্বামী ইউনুছ মিয়া ফসলি জমির কাজ থেকে বাড়িতে এসে দেখেন স্ত্রী মাটিতে শোয়া অবস্থায় রয়েছে এবং বাড়িতে বহু মানুষের ভীড়। তিনি তাৎক্ষণিক পার্শ্ববর্তী খিলাবাজার থেকে পল্লী চিকিৎসক বাবুল দাসকে বাড়িতে এনে তার স্ত্রীকে দেখান। ওই পল্লী চিকিৎসক খাদিজা বেগমকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় কৃষক ইউনুছ মিয়া ওইদিনই শাহরাস্তি থানায় ছোট ভাই মোঃ মহরম আলীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মহরমকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান ওই বছর ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর জানান, এপিপি অ্যাডভোকেট মোক্তার আহম্মেদ অভি মামলাটি দীর্ঘ ৫ বছর চলমান অবস্থায় ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। সাক্ষ্য ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামীর উপস্থিতিতে বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডঃ আলহাজ্ব মোঃ ইকবাল-বিন-বাশার।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২৫২৩৪
পুরোন সংখ্যা