চাঁদপুর । মঙ্গলবার ১৭ জুলাই ২০১৮ । ২ শ্রাবণ ১৪২৫ । ৩ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫১। তাদের দুস্কর্ম তাদেরকে বিপদে ফেলেছে, এদের মধ্যেও যারা পাপী, তাদেরকেও অতি সত্বর তাদের দুস্কর্ম বিপদে ফেলবে। তারা তা প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না।

৫২। তারা কি জানেনি, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রিজিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত দেন। নিশ্চয় এতে বিশ^াসী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


আস্থা ছাড়া বন্ধুত্ব থাকতে পারে না।

 -ত্রপিকিউরাস।


যে পরনিন্দা গ্রহণ করে সে নিন্দুকের অন্যতম।



 


ফটো গ্যালারি
হাইমচরের বহুল আলোচিত নূরু কন্ট্রাক্টরের খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় স্বজনরা আতঙ্কিত
হাসান আল মামুন
১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এক মাস পেরিয়ে গেলেও হাইমচরের নূরু কন্ট্রাক্টরের খুনিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। এতে তার পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং পুরো হাইমচরে তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে। গত ৬ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পারিবারিক কলহে প্রতিপক্ষরা দল বেঁধে কুপিয়ে জখম করার চারদিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান হাইমচরের ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার নূরুল ইসলাম গাজী।



গত ৬ জুন বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার আলগী উত্তর ইউনিয়নের মহজমপুর গ্রামে নূরুল ইসলাম গাজীর (নূরু কন্ট্রাক্টর) বাড়িতে একই বংশের ফারুক গাজী পরিবারের সাথে তাল গাছের তালের শাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফারুক গাজী, সোহাগ গাজী, সুমন গাজী, মানিক গাজী, সিরাজ গাজী ও আবুল বাশার গাজী গং দা ছুরি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নূরুল ইসলাম গাজীর ঘরে হামলা করে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে নূরু কন্ট্রাক্টরের পুত্র সুজন গাজী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েনিয়ে আসলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাকে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঐ দিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে ৪দিন পর নূরু কন্ট্রাক্টর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।



এ ঘটনায় ঐদিনই নূরু কন্ট্রাক্টরের পুত্র সুজন গাজী বাদী হয়ে ফারুক গাজী, সোহাগ গাজী, সুমন গাজী, মানিক গাজী, আবুল বাশার, আমেনা বেগম, পারভীন আক্তার ও সিরাজ গাজীকে আসামী করে হাইমচর থানায় মামলা দায়ের করেন। এসব আসামীর একজনও এখনো পর্যন্ত আটক হয়নি। ফলে নূরু কন্ট্রাক্টরের স্বজনরা আতঙ্কিত অবস্থায় আছে।



মামলার বাদী সুজন গাজী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ১ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলেও বাবার খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় আমাদের পুরো পরিবার আতঙ্কে রয়েছে। খুনিদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসনের আন্তরকিতা কামনা করছি। এ বিষয়ে হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ রনোজিত রায় বলেন, আসামীদের গ্রেফতারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৬৮৫৭
পুরোন সংখ্যা