চাঁদপুর । শুক্রবার ১৩ জুলাই ২০১৮ । ২৯ আষাঢ় ১৪২৫ । ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৪। বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই ইখতিয়ারে, আকাশম-লী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহরই, অতঃপর তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হইবে’।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


দুষ্ট লোকেরা তাদের গড়া নরকেই বাস করে।

 টমাস ফুলার।


যারা অতি অভাবগ্রস্ত, দীন-দরিদ্র, কেবল তারা ভিক্ষা করতে পারে।



                       


ফটো গ্যালারি
পুরাণবাজার নদী ভাঙ্গন স্থান পরির্দশনে সুজিত রায় নন্দী
কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে তাকে চাঁদপুরে থাকতে দেয়া হবে না
স্টাফ রিপোর্টার
১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, একটা সময় চাঁদপুরবাসীর দুঃখ ছিলো মেঘনার ভাঙ্গন। জননেত্রী শেখ হাসিনা কথা দিয়েছিলেন তিনি প্রধানমন্ত্রী হলো চাঁদপুরবাসীকে মেঘনার ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করবেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরপরই তিনি তাঁর অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেন। যার ফলে মেঘনার পাড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে চাঁদপুর ও হাইমচরবাসীকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু কারো দায়িত্বে অবহেলা অথবা অনিয়মের কারণে বসতভিটা নদীতে বিলীন হতে দেয়া হবে না। গতকাল ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের পুরাণবাজার হরিসভা এলাকায় মেঘনার ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সরকারের এতোগুলো টাকার বিনিময়ে নদীপাড়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ কিছু মানুষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে আমি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। ভাঙ্গনরোধে কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে তাকে চাঁদপুরে থাকতে দেয়া হবে না।



ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শনের আগে পুরাণবাজার হরিসভা জগন্নাথ মন্দিরে আসন্ন রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজিত রায় নন্দী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী আছেন বলেই সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সাহা, যুগ্ম সম্পাদক বিমল চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ, চেম্বারের সাবেক পরিচালক অতীন্দ্র সাহা, হরিসভা জগন্নাথ মন্দিরের অধ্যক্ষ বিশাল গোবিন্দ, পুরাণবাজার জন্মাষ্টমী উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অনন্ত চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সহদেব দেবনাথ, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ পাটওয়ারী, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ শরীফ আহমেদ, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী খালেদা আক্তার, আসমা আক্তার মণি, পুরাণবাজারের ব্যবসায়ী হুমায়ুন বেপারী, সদর উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি আল-আমিন প্রমুখ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৮৩৩১৩
পুরোন সংখ্যা