চাঁদপুর । শুক্রবার ১৩ জুলাই ২০১৮ । ২৯ আষাঢ় ১৪২৫ । ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৪। বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই ইখতিয়ারে, আকাশম-লী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহরই, অতঃপর তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হইবে’।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


দুষ্ট লোকেরা তাদের গড়া নরকেই বাস করে।

 টমাস ফুলার।


যারা অতি অভাবগ্রস্ত, দীন-দরিদ্র, কেবল তারা ভিক্ষা করতে পারে।



                       


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে মেঘনার ভাঙ্গন পুরাণবাজারে একশ' মিটার বস্নকবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন
মিজানুর রহমান
১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারো মেঘনার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার দুই দিনের ব্যবধানে শহরের পুরাণবাজার পশ্চিম শ্রীরামদী এলাকার প্রায় একশ' মিটার আরসিসি বস্নকবাঁধ নদীতে তলিয়ে গেছে। নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মমতাজ উদ্দিন মন্টু গাজী ও চাঁদপুর চেম্বার পরিচালক গোপাল সাহা জানান, শহর রক্ষা বাঁধের পুরাণবাজার এলাকার প্রায় ১১শ' মিটার বাঁধের রাম ঠাকুর মন্দির, পুরাণবাজার মোলহেড, দক্ষিণ বাজার, হরিসভা ও রনাগোয়াল বকাউল বাড়ি পর্যন্ত এ কয়েকটি পয়েন্ট মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এখানের দুটি স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ সংরক্ষণ কাজ চলমান থাকার মধ্যেও নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত বস্নক এবং বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা না হলে বাঁধ ভেঙ্গে এলাকার বিরাট জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ওই এলাকার বাসিন্দা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক বিমল চৌধুরী জানান, বুধবার বেলা ১২টার পর থেকে হরিসভা মাস্টার বাড়ির পেছনে শহর রক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। পরে কয়েক সারির বস্নকবাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে পুরাণবাজার মধ্য ও পশ্চিম শ্রীরামদী এলাকা এখন নদী ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে।



চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, বর্ষার পানি প্রবাহের সাথে সাথে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁষে প্রবল ঘূর্ণিস্রোত বইছে। স্রোতের তীব্রতায় পুরাণবাজার হরিসভার ডাউনে ৬০/৭০ মিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙ্গন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকও মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংরক্ষণে বস্নক ফেলার ব্যবস্থা নিচ্ছি। তিনি আরো জানান, ২০০৫-২০০৬ সালের পর চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ সংরক্ষণে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি, তাই এ এলাকায় মেজর কোনো কাজ হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি, নদী ভাঙ্গন থেকে চাঁদপুর শহরকে রক্ষায় বিক্ষিপ্ত কোনো কাজ নয়, স্থায়ীভাবে রক্ষার পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয়া খুবই দরকার। বর্তমানে বড় স্টেশন মোলহেড থেকে পুরাণবাজার হরিসভা-বকাউল বাড়ি পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধের এখানে মেঘনার পানির সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ৭০ ফুট। বাঁধ ঘেঁষে ঘূর্ণিস্রোত এবং উল্লেখিত এলাকায় পানির গভীরতা অপ্রত্যাশিত হবার কারণে এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এলাকাবাসী জানায়, প্রতি বছর বর্ষা আসলেই নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কী কাজ করায় তাও বোধগম্য নয়। এ বছর এখনই নদীর পরিস্থিতি ভয়াবহ। সামনে বর্ষার ভরপুর সময় তো রয়েছেই। বড় ধরনের ভাঙ্গন শুরু হবার আগেই ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ দীপু মনিসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভাঙ্গন কবলিত শহরবাসী।



শহর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুজ্জামান বলেন, নদী ভাঙছে খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আমরা চাঁদপুরে যারা আছি, সবাই সেখানে গিয়াছি এবং পর্যবেক্ষণ করে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আমাদের স্টকে থাকা বস্নক ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৬১১১৬
পুরোন সংখ্যা