চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১০ মে ২০১৮। ২৭ বৈশাখ ১৪২৫। ২৩ শাবান ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-ইউএনও-এসিল্যান্ড-কৃষি কর্মকর্তা ও ওসির পরিদর্শন
ছেংগারচর বাজার এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপে সেচ প্রকল্প খাল বন্ধ হওয়ায় জলাবদ্ধতা
মাহবুব আলম লাভলু
১০ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজার এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপে সেচ প্রকল্পের খাল বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এমন সংবাদটি দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শুভাশীষ ঘোষ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মতলব উত্তর থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। তবে পাউবোর কোনো কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে দেখা যায়নি।



পরিদর্শনকালে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ বলেন, ঘটনাস্থলে এসে বুঝতে পারলাম বিষয়টি সত্য। ময়লা-আবর্জনায় ও জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় খালটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পুরো প্রকল্প এলাকায় খালগুলোর অনেক জায়গা দখল করে মানুষ দোকানপাট নির্মাণ করছে ও বাড়ি তৈরি করছে। কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনায় খালগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার ও জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য মন্ত্রী মায়া বীর বিক্রমের সাথে কথা বলে প্রয়োজনে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রশাসন যাতে ব্যবস্থা নেয় সে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।



উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, খালগুলো পরিষ্কার না থাকায় ও বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। সরকারি খাল দখল মুক্তসহ জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালাউদ্দিন বলেন, ছেংগারচর বাজার এলাকার খালটি একেবারে বন্ধ হয়ে আছে। যার কারণে কলাকান্দা ইউনিয়নের কয়েকটি বিলসহ অন্যান্য বিলের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে পাকা বোরো ধান তলিয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা না নিলে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না।



বৃষ্টির পানিতে মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে জলাবদ্ধতা চলছে। খালগুলো মানুষের দখলে চলে যাওয়া, কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনায় খালগুলো আবদ্ধ থাকায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ছেংগারচর বাজার এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপে সেচ প্রকল্পের খাল বন্ধে পানি একেবারেই সরছে না। ফলে কলাকান্দা ইউনিয়নের কয়েকটি বিলে জলাবদ্ধতা এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ বিলগুলোতে প্রতিদিনই বোরো ধানের জমিগুলোতে পানি বাড়ছে। স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে পাকা বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসলের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। জলাবদ্ধতায় কৃষক পরিবারে দেখা দিয়েছে হতাশা।



কৃষকরা জানান, কলাকান্দা ইউনিয়নের দশানী, মিলারচর, জোড়খালী, কলাকান্দা, হানিরপাড়সহ কয়েকটি বিলের পানি কালিপুর পাম্প হাউজের মাধ্যমে নিষ্কাশন করা হয়। পানি নিষ্কাশন খালটি দশানী হতে ছেংগারচর বাজার হয়ে কালিপুর পাম্প হাউজে মিলেছে। এ খালটি ছেংগারচর বাজার এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপে বন্ধ হয়ে গেছে। খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করায় খালটি দিয়ে আর পানি সরছে না। ফলে জলাবদ্ধতায় ডুবে মরছে কয়েকটি এলাকার ফসল।



ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকরা জানিয়েছেন, ছেংগারচর পৌর এলাকার খাল বন্ধ করে রাখায় পানি সরতে না পারায় আমাদের এলাকার বোরো ধানের জমি তলিয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে আমরা পাকা ধান কাটতে পারছি না। হানির পাড়ের আবুল হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে হানির পাড়ের বিলে এক ফসলের বেশি করতে পারি না। কৃষকরা জানান, ছেংগারচর পৌর এলাকার খাল বন্ধের বিরুদ্ধে আমরা নানাভাবে জানালেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। এখন জরুরিভাবে খালটি সংস্কারের মাধ্যমে সচল করা প্রয়োজন। তা না হলে এ এলাকার কৃষকরা প্রতি বছর মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। হারাবে মূলধন।



সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পাকা, আধাপাকা বোরো ধান ও বগি পাট, আখ, ফল ও কাঠ গাছের বাগান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মৎস্য খামার তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা ফসলি জমিতে আবাদ করতে পারছে না। কৃষকরা প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা না পাওয়ায় এ সেচ প্রকল্পকে তাদের জন্যে অভিশাপ মনে করছেন।



এভাবে প্রতি বছরই জলাবদ্ধতায় এ প্রকল্পের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতি হয়। এ জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী সমাধান জরুরি বলে দাবি কৃষি পরিবারগুলোর। তা না হলে মূলধন হারিয়ে কৃষকরা পথে বসবে।



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা সাফ্ফাত


১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১২৮। কিন্তু আল্লাহ তা'আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।


১২৯। আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,


১৩০। ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!


১৩১। এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।


১৩২। সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


মায়ের শিক্ষাই শিশুর ভবিষ্যতের বুনিয়াদ।


-নেপোলিয়ান।


 


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয় : পিতার দোয়া, মুসফিকের দোয়া ও অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,৩৮,০৬২ ১০,৬৪,২৭,১০৩
সুস্থ ৪,৮৩,৩৭২ ৭,৮০,৮৪,৯০৯
মৃত্যু ৮,২০৫ ২৩,২২,০৫৩
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৬৯৪
পুরোন সংখ্যা