চাঁদপুর, শনিবার ২৩ মে ২০২০, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ রমজান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


১৬। এবং আকাশ বিদীর্ণ হইয়া যাইবে আর সেই দিন উহা বিশ্লিষ্ট হইয়া পরিবে।


১৭। ফিরিশ্তাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকিবে এবং সেই দিন আটজন ফিরিশ্তা তোমার প্রতিপালকের আরশকে ধারণ করিবে তাহাদের ঊধর্ে্ব।


 


বেদনা হচ্ছে পাপের শাস্তি।


-বুদ্ধদেব।


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


ফটো গ্যালারি
করোনায় বিবর্ণ ঈদে সতর্ক শুভেচ্ছা
২৩ মে, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে কাল রোববার কিংবা সোমবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচে' বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হবে। এবার রমজানের রোজার শেষে এই ঈদ আসছে যতোটা না খুশিতে বর্ণিল হয়ে, তারচে' বেশি বিবর্ণ হয়ে। কারণ একটাই এবং সেটি হচ্ছে নভেল করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট বৈশি্বক মহামারী কোভিড-১৯। এই মহামারী মুসলিমসহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে জীবিকা বাদ দিয়ে জীবন বাঁচানোর তাগিদে সীমিত চলাচলে কার্যত অবরুদ্ধতায় আবদ্ধ করে রেখেছে। ঈদগাহে তথা উন্মুক্ত ময়দানে ঈদের নামাজ আদায়ের যে আনন্দ ও তৃপ্তি, তা থেকেও বঞ্চিত করেছে এই মহামারী। এমন এক সময়ে বাংলাদেশে এই ঈদ্যাপন হতে যাচ্ছে, যখন করোনায় সংক্রমণ কেবলই বেড়ে চলছে। এমতাবস্থায় ঈদগাহ বাদ দিয়ে মসজিদে নির্দিষ্ট শর্ত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ পড়ার যে সরকারি নির্দেশনা এসেছে, তাতে নামাজশেষে থাকতে পারবে না কোলাকুলি ও করমর্দনের চিরায়ত দৃশ্য। অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খুবই সকর্ততার সাথে নিষ্প্রাণ অভিব্যক্তিতে বলতে হবে 'ঈদ মোবারক'। ঈদুল ফিতর তো এমন সতর্ক শুভেচ্ছাতেই কাটবে কিংবা কাটাতে হবে-এটা ধরে নিয়েছে সবাই। সাথে সাথে দুশ্চিন্তা, দু মাস দশদিন বাদে পবিত্র ঈদুল আজহাতেও কি এমন অবস্থা বহাল থাকবে?

বাংলাদেশের মানুষ অনেক বেশি ধর্মপ্রাণ, তারচে' বেশি আবেগপ্রবণ। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার আকুতি এবং বাজারে গিয়ে ঈদের কেনাকাটার সুযোগের দাবির প্রতি সম্মান জানাতে গিয়ে সরকার কার্যত করোনার সংক্রমণ বাড়ানোর দিকেই পুরো দেশকে ঠেলে দিয়েছে। আর লকডাউন মান্যতায় কঠোরতা ও কড়াকড়ি আরোপ থেকে বিরত থেকেছে। এমনটি কি পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরও বহাল থাকবে?-যদি তা-ই থাকে, তাহলে পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, করোনার সংক্রমণ এতোটাই বাড়বে যে, সরকার ঈদুল আজহার নামাজ মসজিদে পড়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করবে এবং ঘরে জামাত করার পরামর্শ দেবে কিংবা বাধ্য করবে। যেমনটি এবারকার ঈদুল ফিতরে বিশ্বের অনেক দেশেই মুসলমানরা করতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা করোনার বিস্তাররোধে সরকারকে ঈদুত্তর কঠোর থেকে কঠোরতর হবার অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় কোনো কিছুই সরকারের সামাল দেয়ার পর্যায়ে থাকবে না বলে আমাদের ধারণা।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৮০২৬৯
পুরোন সংখ্যা