চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬, ০৫ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে বরখাস্ত এবং স্ট্যান্ড রিলিজ। নতুন কর্মকর্তা আবুল বাসার মজুমদার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা ঃ


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। 'আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।'


২১। সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;


২২। সুউচ্চ জান্নাতে


 


আল হাদিস


 


যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


বাণী চিরন্তন


মধুর ব্যবহার লাভ করতে হলে মাধুর্যময় ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসতে হয়। -উইলিয়াম উইন্টার।


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

যে যা বলে বলুক, তুমি তোমার নিজের পথে চল।


-দান্তে।


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


ফটো গ্যালারি
চালক-হেলপারদের খুঁজে খুঁজে সহায়তা দিন
৩১ মার্চ, ২০২০ ১৭:১৬:৩১
প্রিন্টঅ-অ+




ক’মাস আগে বাবুরহাট হাইস্কুলের একটি অনুষ্ঠানশেষে এক যাত্রী চাঁদপুর শহরে আসার জন্যে সিএনজি অটোরিকশায় শেয়ারে ওঠার জন্যে চেষ্টা করছিলেন। পর পর দুটি অটোরিকশায় তিনি উঠতে পারলেন না। এমন সময় শ্মশ্রুম-িত এক চালক তার অটোরিকশাটি নিয়ে হাজির হলেন ঐ যাত্রীর সামনে। বললেন, ভাই! আপনি কি রিজার্ভ যাবেন? যাত্রীটি ‘না’ বলতেই চালক বললেন, আপনি রিজার্ভ গেলে আমার একটু উপকার হয়। ‘কী সেই উপকার’ জানতে চাইলে চালক বললেন, আমার অ্যাপেনডিসাইটিস অপারেশনের কারণে গত ১০-১২ দিন গাড়ি চালাতে পারিনি। গত ২ দিন ধরে ঘরে চাল-ডাল কিছুই নেই। আজ সকালে ছেলেটি মাদ্রাসা থেকে এসে বলেছে, ড্রেসের জন্যে সে প্রতিদিন অপমানিত হচ্ছে। তাই মাদ্রাসায় আর যাবে না, জোরাজুরি করলে আত্মহত্যা করবে। অথচ আমার অপারেশনের আগেই তার ড্রেসের কাপড় কিনে সেলাই করতে দিয়েছি। ৭০০ টাকা হলেই আনতে পারবো। ছেলের এমন কথা শুনেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ৭০০ টাকা রোজগার করতে পারলেই হলো, আজ আর গাড়ি চালাবো না।

সিএনজি অটোরিকশা, অটোবাইক, ভ্যান ও রিকশা চালকদের অবস্থা তাদের অসুস্থতা চলাকালীনই শুধু খারাপ থাকে না, হরতাল, অবরোধসহ চলমান অঘোষিত লকডাউনেও একেবারে খারাপ হয়ে যায়। এরা দিন আনে দিন খায়। সেজন্যে তাদের কেউ কেউ বেয়াড়া, বেহায়া, বেপরোয়া হয়ে নিশ্চিত ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে এবং যাত্রী পরিবহন করে। এদের কাছে পিকেটার কিংবা পুলিশের মারের কষ্টের চেয়ে পরিবারের সদস্যদের ক্ষুধার কষ্ট অনেক বেশি অনুভূত হয়।

এজন্যে আমরা মনে করি, ক্ষুদ্র যানবাহনের চালকদের খুঁজে বের করে তাদেরকে কিংবা তাদের পরিবারকে চলমান অঘোষিত লকডাউন পরিস্থিতিতে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দেয়া দরকার। কেননা দৈনন্দিন রোজগারের বিষয় বিবেচনায় এরা দিনমজুর বা নি¤œবিত্ত ক্যাটাগরির নয়। এরা নি¤œ মধ্যবিত্ত ক্যাটাগরির, যারা ক্ষুধার কষ্টে মারা যাবার উপক্রম হলেও সাধারণত অন্যের কাছে হাত পাতে না, ভিক্ষা করে না।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৬৯৬৩৪
পুরোন সংখ্যা